এমপি শওকতের জামিন কেন বাতিল করা হবে না : হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রায় ১০২ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির অভিযোগের দুই মামলায় নীলফামারী-৪ আসনের জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য (এমপি) শওকত চৌধুরীকে বিচারিক আদালতের দেওয়া জামিন কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১০ দিনের মধ্যে শওকত চৌধুরীকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এ মামলায় অপর দুই আসামির জামিনের শুনানিকালে বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন। আদালতে আসামিদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আব্দুল বাসেত মজুমদার ও ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন শহিদুল ইসলাম খান।

২০১৬ সালের ১০ মে এমপি শওকত চৌধুরীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে দুনীর্তি দমন কমিশন বংশাল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, শওকত চৌধুরী তার নামে তিনটি কোম্পানি খুলে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক থেকে ব্যাংকের এমডি ড. আসাদুজ্জামান, বংশাল ব্রাঞ্চের ম্যানেজার হাবিবুল গণিসহ মোট ৯ জন পরস্পর যোগ সাজসে যথাযথ ডকুমেন্ট ছাড়াই ১০২ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতি করেন। পরে চলতি বছরের আগস্ট মাসে শওকত চৌধুরী হাইকোর্ট থেকে এ মামলায় ৪ সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। পরবর্তীতে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত থেকে ৬ মাসের জামিন পান তিনি। এ মামলার আসামি আসাদুজ্জামান ও হাবিবুলসহ অন্য আসামিরা হাইকোর্টে জামিন আবেদন করলে কেন তাদের জামিন দেওয়া হবে না এ মর্মে রুল জারি করেন।

সেই রুলের শুনানিকালে আদালত এমপি শওকত চৌধুরীকে বিচারিক আদালতের দেওয়া জামিন কেন বাতিল হবে এ মর্মে রুল জারি করেন। ৭ ডিসেম্বর এ মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY