রাজনীতিতে সংকট তবে জনগণ ঐক্যবদ্ধ, জঙ্গিবাদকে তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে তারা

রাজনৈতিক সমাধান ছাড়া জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করা সম্ভব হবে না

এ ওয়ান নিউজ: জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ। গুলশানের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের পর স্বতঃস্ফূর্তভাবেই এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ। নানান কর্মসূচি পালন করে জঙ্গিবাদকে তারা তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। এদিকে ঘটনার পর বিএনপি ও জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে জাতীয় ঐক্যের ডাক দেয়া হয়। জামায়াত ত্যাগ করার শর্ত দিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ জাতীয় ঐক্যের ব্যাপারে তাদের প্রতিক্রিয়া জানায়। বিএনপি জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিলে তারা জামায়াত সঙ্গ ছাড়বে। সর্বশেষ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, জঙ্গিবাদ ইস্যুতে জাতীয় ঐক্য হয়ে গেছে। এর জবাবে সোমবার বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় প্রশ্ন উত্থাপন করে বলেছে, বিপুল জনগোষ্ঠীর সমর্থনধন্য দলকে বাদ দিয়ে কীভাবে জাতীয় ঐক্য সম্ভব?
এ অবস্থায় জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে জাতীয় ঐক্যের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকায় দেশের মানুষ চরমভাবে হতাশ। তারা মনে করেন, ক্ষমতার রাজনীতিকে ঘিরে পৃথিবীজুড়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আদর্শগত নানা মতভেদ থাকবে এবং আছেও। একে অপরের যোগ্যতা, অযোগ্যতা ও ব্যর্থতা নিয়ে সমালোচনা করবে। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু পাশাপাশি এটাও সত্য, যখন জাতীয় কোনো বড় দুর্যোগ দেখা দেয়, তখন তারা দেশ ও জাতির স্বার্থে ওই ইস্যুতে সবাই দ্রুত এক প্ল্যাটফরমে চলে আসে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ পৃথিবীর বেশির ভাগ দেশে এমন নজির অহরহ দেখা যায়। কিন্তু বাংলাদেশে এর প্রকট অভাব। সাধারণ জনগণের অনেকে মনে করেছিলেন, গুলশান ও শোলাকিয়ায় যেভাবে জঙ্গি হামলা হয়েছে তা এক ভয়াবহ ইঙ্গিত বহন করে। এটা অবশ্যই বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের চেয়ে কম নয়। কেননা, এই জঙ্গিবাদ দমন ও প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হলে এক সময় দেশের সব কিছু নিয়ে টান পড়বে। সেজন্য জনগণের ধারণা ছিল, অন্তত এই ইস্যুতে ক্ষমতার রাজনীতির সব দ্বন্দ্ব-সংঘাত, ক্ষোভ-দুঃখ ভুলে গিয়ে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ জামায়াত ছাড়া সব দল এক কাতারে শামিল হবে। কিন্তু ঐক্যের নামে বাস্তবে যা বোঝা যাচ্ছে তাতে রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে জাতীয় ঐক্য সুদূরপরাহত। বলা যায়, এ নিয়ে টানেলের শেষ প্রান্তে কোনো আলোও দেখা যাচ্ছে না। আর বাস্তবে তাই যদি হয়, তাহলে আদৌ এ সংকটের সহসা সমাধান মিলবে বলে মনে হয় না। এর ফলে জঙ্গিবাদ নানাভাবে আরও বাড়তে পারে। সেই সঙ্গে জনমনে শংকা তো বাড়বেই।
পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন, যে রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে সাধারণ জনগণ জঙ্গি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হবে সেই দলগুলোর শীর্ষ নেতৃত্বে বলা যায়, আলোচনা তো দূরের কথা মুখ দেখাদেখি পর্যন্ত বন্ধ। আর এই বড় দূরত্বের সুযোগেই জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের দ্রুত উত্থান ঘটেছে। দেশের বিশিষ্টজনরাও মনে করেন, রাজনৈতিক দলগুলোর এমন অপ্রত্যাশিত অবস্থা বাংলাদেশকে পেছনের দিকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। বর্তমানে এটা জাতীয় সংকটে রূপ নিয়েছে। আর এই সংকট মোকাবেলা করতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। কারণ তারা একই প্ল্যাটফরমে চলে এলে জঙ্গিবাদ দমনে জনগণ আরও সাহসী হবে।
তারা মনে করেন, নানা কারণে দেশের রাজনীতিতে দূরত্ব ও সংকট বাড়লেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে তাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সুযোগ এসেছে। গুলশান ও শোলাকিয়ার ঘটনার পর আমরা দেখেছি, জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ মানুষ বিষয়টির নিন্দা জানিয়েছে, প্রকাশ করেছে প্রবল ঘৃণা। তারা সবাই একসঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কণ্ঠ জোরালো করেছে। একইভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও একই সুরে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে মানুষকে দাঁড়ানোর জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। সব মিলিয়ে এ ইস্যুতে বাংলাদেশে জাতীয় ঐকমত্যের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তাই রাজনৈতিক দলগুলোকে দেশের স্বার্থে এ সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে। কেননা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য সৃষ্টি হলেই শুধু জঙ্গিবাদ দমন নয়, জাতীয় পর্যায়ের অনেক দুর্যোগও মোকাবেলা করা সম্ভব হবে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন : সাবেক নির্বাচন কর্মিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের উত্থানে এক ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সন্দেহ নেই। দুঃখজনক হলেও সত্য- আমাদের দেশে রাজনৈতিক দলের সমন্বিত কোনো চিন্তাভাবনা নেই। একদল আরেক দলকে কিভাবে মূলোৎপাটন করবে সেটাই যেন মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, আমরা সবকিছু রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখি। এ সুযোগে নানা সন্ত্রাসী সংগঠন মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। সাবেক এ সেনা কর্মকর্তা মত দেন, জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। সরকার বলছে ঐক্য হয়ে গেছে, প্রয়োজন নেই। কিন্তু সবাই বলছে, দরকার আছে এবং সবাইকে নিয়েই এ জাতীয় ঐক্য করতে হবে। কারণ সব রাজনৈতিক দলের সমর্থক আছে। জনগণের সম্মিলিত ঐক্য ছাড়া জঙ্গিবাদ মোকাবেলা করা সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। কিন্তু জঙ্গি সন্ত্রাস দমনে তাদের এক কাতারে আসতেই হবে। কারণ আমরা বড় ধরনের সমস্যায় আছি। তিনি মনে করেন, সরকারের পক্ষে একা এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়।
আবুল কাসেম ফজলুল হক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মনে করেন, দেশে কোনো গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্রের নামে গণতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে ক্ষমতাসীন দলের পাশাপাশি অন্যান্য রাজনৈতিক দলের কোনো চরিত্র নেই। জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদসহ সব সমস্যার মূল কারণ গণতন্ত্রহীনতা। তার মতে, দুটি উপায়ে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ দমন সম্ভব। প্রথমত, জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সরকারের দমননীতি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে হবে। যাতে জনগণের মনে কোনো সন্দেহ না থাকে। জঙ্গিবাদ দমনে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। ১৯৭১ সালে জনগণের অংশগ্রহণ স্বাধীনতা যুদ্ধকে ত্বরান্বিত করেছিল। জনগণের কাছে অস্ত্র না থাকলেও তাদের অংশগ্রহণ ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। সেভাবে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে।
দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্র, ন্যাটো বাহিনী ২০০১ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখ লোককে হত্যা করেছে। বিশ্বে কোনো শান্তি নেই। যেহেতু মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহে এসব হত্যাযজ্ঞ হচ্ছে তাই ওইসব দেশ থেকে বিদেশী সৈন্য প্রত্যাহারের দাবি জোরালো করতে হবে। তিনি বলেন, দুঃখজনক হলে সত্য যারা এসব দাবি করবেন, সেই বুদ্ধিজীবী এমনকি অনেক রাজনীতিবিদকেও বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ কিনে ফেলেছে।
সৈয়দ আবুল মকসুদ : বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও  কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, বর্তমানে জঙ্গি সন্ত্রাসের যে প্রবণতা দেখা দিয়েছে তা আগে ছিল না। আগে সন্ত্রাসবাদী তৎপরতা ছিল বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। সেটা ছিল রাজনৈতিক দলাদলি। কিন্তু এখন যা হচ্ছে তা হল বৈশ্বিক প্রবণতার বাংলাদেশী সংস্করণ। এ বিষয়টি সাধারণ মানুষ অত্যন্ত ঘৃণার চোখে দেখে। এর বিরুদ্ধে দেশের মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। সেই ঐক্যকে আরও সুসংহত করে সম্মিলিতভাবে এ প্রবণতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার কাজটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের করতে হবে। এজন্য তাদের নিজেদের মধ্যে একটা বোঝাপড়া থাকা দরকার।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজ স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে এসব জঙ্গি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের কাজটি এগিয়ে নিতে হবে। কিন্তু আমাদের নেতাদের চরিত্রে সেই জিনিসটি নেই। এর ফলে জনগণের ঐক্য কোনো কাজে আসছে না। বরং রাজনৈতিক নেতাদের ভেদাভেদের কারণে এ সন্ত্রাসীরা ফুলে-ফেঁপে আরও শক্তি সঞ্চয় করছে। আর এ ধরনের জঙ্গি তৎপরতায় নেতারা কখনও ক্ষতিগ্রস্ত হন না। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
ড. বদিউল আলম মজুমদার : সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ অনেকটা আমাদের দোষেই হচ্ছে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা না থাকার কারণে তারা সুযোগ নিচ্ছে। আমাদের সমাজে নানা অসঙ্গতি, অন্যায়, অবিচারসহ বিভিন্ন কারণেও তারা ক্ষুব্ধ। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মুসলামানদের ওপর নানাভাবে নির্যাতন হচ্ছে। এসব কারণে তারা মনে করছে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এসব অসঙ্গতি দূর করতে হবে। আমি মনে করি, এটা বিপদগামিতা।
তিনি বলেন, জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ এখন জাতীয় সমস্যায় রূপ নিয়েছে। এ সংকট জাতীয়ভাবে মোকাবেলা করতে হবে। কিন্তু এ নিয়ে জনগণ নানা সিদ্ধান্তহীনতায় আছে। রাজনৈতিক দলের বিভক্তির কারণে জনগণও দলীয় ভিত্তিতে বিভক্ত হয়ে আছে। তাই রাজনৈতিক সমাধান ছাড়া জনগণের বিভক্তি বা জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করা সম্ভব হবে না।
আসম হান্নান শাহ : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আসম হান্নান শাহর মতে, দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন না থাকার কারণেই উগ্র ও জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগ পাচ্ছে। রাজনীতিতে বিচ্ছেদ, বিনাশ, ব্যবধানের চর্চা অব্যাহত থাকলে কোনো না কোনো রূপে ভিন্নমত বিধ্বংসী উগ্রবাদীরা মাথাচাড়া দেবেই।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ঐক্যের জন্য আমাদের নেত্রী বারবার আহ্বান জানিয়ে এলেও সরকার তা প্রত্যাখ্যান করছে। কিন্তু বর্তমান এই সংকট থেকে বের হতে হলে জনগণকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।  হান্নান শাহ বলেন, শুধু আইনশৃংখলা বাহিনী দিয়ে সংকট মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। দেশের সব রাজ?নৈতিক দল ঐক্যবদ্ধ হলে জনগণ আ?রও সাহসী হবে। কারণ জঙ্গিবাদ দমনে জনগণের সামগ্রিক ঐক্য দরকার, যেমন একাত্তরে হয়েছিল।
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম : বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম মনে করেন, সাম্প্রতিক ভয়াবহ জঙ্গি ও সন্ত্রাসী ঘটনায় মানুষের নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা অনেক বেড়ে গেছে। ?? এসব হত্যাকাণ্ডকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ বলে অভিহিত করা হবে চরম দায়িত্বহীনতা। এসব হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ রাজনৈতিক। শাসকশ্রেণীর দলগুলোর ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির বলি হচ্ছে জনগণ। তিনি বলেন, দেশে এখন এক ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে। উগ্র সাম্প্রদায়িক সশস্ত্র গোষ্ঠী তাদের অপতৎপরতা জোরদার করেছে। সরকার জনগণের নিরাপত্তা দিতে পারছে না। টার্গেট করে প্রকাশ্যে হত্যা, গুপ্তহত্যা, ধর্ষণ, দখল, ‘ক্রসফায়ারের’ নামে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যাকাণ্ড, গুম, হত্যা বেড়েই চলেছে। মুক্তিযুদ্ধের ধারা থেকে দেশকে সরিয়ে নেয়াই বর্তমান সংকটের মূল কারণ বলেও তিনি মনে করেন।
সেলিম বলেন, বর্তমান সংকট থেকে মুক্তি পেতে হলে ১৯৭২-এর সংবিধানের মূল ভিত্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। সব দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, হতাশা, দ্যোদুল্যমানতা কাটিয়ে উঠে বিপ্লবী জাগরণ ঘটাতে হবে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY