সকালে ঘুম থেকে উঠা কতটা জরুরি?

এওয়ান স্বাস্থ্য ডেস্ক: দেরিতে ঘুম থেকে উঠেন? হাজার চেষ্টা করেও ভোরের সূর্য দেখতে উঠতে পারেননি! তাহলে নীচের টিপসগুলো সম্ভবত আপনার কাজে লাগতে পারে-

সকালে মন তাজা: সারাদিন এত কিছু চিন্তা করতে হয়, এত কিছু মনে রাখতে হয় যে, একটু বেশি ঘুমালে স্মৃতিশক্তি বাড়বে। ঘুম ভাঙলে তো আবার চিন্তা শুরু। এমনটা ভেবে যদি আপনি বেলা অব্দি রালিশ আঁকড়ে পড়ে থাকেন তো খুব ভুল করছেন। সারা রাতের ঘুমের পর সকালে মন, মস্তিষ্ক দুটোই ফ্রেশ থাকে।তাই অনেকেই ভোরে উঠে পড়াশোনা করার পক্ষপাতী।

সূর্যের সঙ্গে উঠুন: আখেরে আপনারই লাভ। নিয়মিত সূর্যের প্রথম আলো নিতে পারলে অন্যদের তুলনায় আপনার স্নায়ুর কাজ করার ক্ষমতা বেড়ে যাবে। এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে ব্রেনের কগনিটিভ অঞ্চলও অনেক বেশি কর্মক্ষম হয়ে উঠে।

সকালে উঠতেই হবে: শুতে যাওয়ার আগে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করুন পরের দিন ভোরে উঠে পড়বেন। এমনটা ভাবলে ভোর হওয়ার আগে থেকেই আপনার শরীরে অ্যালার্টনেস ড্রাইভিং স্ট্রেস হরমোন কাজ করা শুরু করবে। এর প্রভাবেই সময় মত ঘুম ভেঙ্গে যাবে। মনোবিদদের মতে, আমার কখন উঠতে চাই সেই সময়টাকে মন নোট করে নেয়। আর সেই মতো আমাদের শরীরকে তৈরী করে।

বসে ঝিমোবেন না: শরীরে অ্যালার্টনেস ড্রাইভিং স্ট্রেস হরমোন তো সকাল সকাল উঠিয়ে দিল। কিন্তু চোখ থেকে ঘুম ছাড়ছে না যে! মন-শরীর দুটোই চাইছে আরও একটু ঝিমোতে। যতই ঝিমুনি আসুক একবার উঠ পড়লে আর শোবেন না। এরকম কয়েক দিন করলে অভ্যাস হয়ে যাবে।

নির্দিষ্ট সময়ে উঠুন: বছরভর এক সময়ে ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস করুন। এতে আপনার শরীরে নির্দিষ্ট টাইম-সার্কেল তৈরী হয়ে যবে। তখন আর সকালে উঠতে কষ্ট হবে না।

তিন মিনিটের যোগা: শরীর থেকে ঘুম তাড়াতে ভীষণ সাহায্য করে। সারা রাত ঘুমানোর ফলে রক্ত সঞ্চালনের বেগ কিছুটা হলেও ধীর হয়ে যায়। তাই ঘুম ভাঙলে চট করে শরীর চাঙা হয় না। তার জন্য ঘুম থেকে উঠে হালকা মিনিটি তিনেক যোগা করে নিন। রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হলেই দেখবেন ঝরঝর লাগছে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY