৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের কিছুটা ফাঁক রয়েছে: শাহনেওয়াজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদায়ী নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ বলেছেন, আমরা কোনো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখী হয়নি। অসহায়ত্বও কখনো বোধ করিনি। তবে আমাদের কিছু ডিসসেটিসফ্যাকশন ছিল। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনের সময় একটা রাজনৈতিক দল ও তার জোট নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় সেটা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হয়নি। এতে নির্বাচন কমিশনের কোনো দায়দায়িত্ব ছিল না। দলগুলো রাজনৈতিক কারণেই নির্বাচনে আসেনি। সব দলের অংশগ্রহণমূলক না হওয়ায় সে জাতীয় নির্বাচনের কিছুটা ফাঁক রয়েছে। তবে আমরা কোনো অবৈধ চাপ কারো কাছ থেকেই পায়নি। সুষ্ঠুভাবেই কাজ করেছি।

মঙ্গলবার শেষ কর্মদিবসে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমাদের মেয়াদে অধিকাংশ নির্বাচন ভালো হয়েছে। তবে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও কিছু নির্বাচনী কর্মকর্তার অসহযোগীতার কারণে কোনো কোনো ক্ষেত্রে নির্বাচন খারাপ হয়েছে। বিশেষ করে কিছু কিছু প্রার্থী নির্বাচনে জেতার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেছিল। সে কারণে কিছু নির্বাচন খারাপ হয়েছে।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদসহ অন্য তিন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ শেষ হয়েছে। ওইদিন বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে বিদায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ দাবি করেন, তার মেয়াদে কোনো চাপ বা ফোন কল পাননি। যা হয়েছে তা ছিল পলিটিক্যাল গেম।

রকিব কমিশন ২০১২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করে। নির্বাচন কমিশনার শাহ নেওয়াজ দায়িত্ব একই বছর ১৫ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেয়। তাই রকিউদ্দীনসহ অন্য তিন কমিশনার ৮ ফেব্রুয়ারি বিদায় নিলেও শাহ নেওয়াজ ১৪ ফেব্রুয়ারি বিদায় নিলেন।

এদিকে ৬ ফেব্রুয়ারি কেএম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের নতুন কমিটি নিয়োগ পায়। ১৫ ফেব্রুয়ারি নতুন কমিশন শপথ নিয়েই প্রথম অফিস করবেন। বিকেল ৫টায় গণমাধ্যমের সাথেও কথা বলবেন নতুন কমিশন।

নুরুল হুদা কমিশনের অন্য নির্বাচন কমিশনাররা হলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব তালুকদার, রাজশাহীর অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ বেগম কবিতা খানম, সাবেক সচিব মো. রফিকুল ইসলাম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদৎ হোসেন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY