খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে ১০ জানুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঋণ খেলাপি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী বছরের ১০ জানুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।

খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর বিচারক ফাতেমা ফেরদৌস সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এ মামলার বিবাদীরা হলেন- ড্যান্ডি ডায়িং লিমিটেড, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান, প্রয়াত সাঈদ এস্কান্দারের ছেলে শামস এস্কান্দার ও সাফিন এস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া এস্কান্দার, স্ত্রী বেগম নাসরিন আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, মামুনের স্ত্রী শাহীনা ইয়াসমিন, কাজী গালিব আহমেদ, শামসুন নাহার ও মাসুদ হাসান।

নথি থেকে জানা যায়, ১৯৯৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বিবাদীরা ড্যান্ডি ডায়িংয়ের অনুকূলে সোনালী ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করেন। ওই বছরের ৯ মে সোনালী ব্যাংক ঋণ মঞ্জুর করে। পরে ২০০১ সালের ১৬ অক্টোবর বিবাদীদের আবেদনক্রমে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ তাদের সুদ মওকুফ করে।

পরবর্তীতে বিবাদীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংক আবারও ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ করে দেয়। কিন্তু বিবাদীরা ঋণ পরিশোধ না করে বার বার কালক্ষেপণ করতে থাকেন।

২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধের জন্য বিবাদীদের চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হলেও তারা কোনো ঋণ পরিশোধ করেননি।

ফলে ৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণ খেলাপির অভিযোগে ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় শাখার জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। ২০১৫ সালের ৮ মার্চ খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো মারা যাওয়ার পর ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক অংশীদারিত্বের মামলায় তার মা খালেদা জিয়া, স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে বিবাদী করার জন্য আদালতে আবেদন করে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY