জান্নাতী রমণীর কতিপয় আলামত

(১) জান্নাতী রমণী নেক ও পূণ্যের কাজে অংশ নেয় এবং আপন পালনকর্তার ইবাদত করে।

(২) জান্নাতী রমণী এমন ক্ষেত্রে স্বামীর আনুগত্য করবে যাতে আল্লাহর নাফরমানী নেই।

(৩) নিজের ইজ্জতের হেফাযত করবে- বিশেষ করে স্বামীর অনুপস্থিতিতে।

(৪) স্বামীর সম্পদের হেফাযত করবে ও তার সন্তানদেরকে সঠিকভাবে লালন-পালন করবে।

(৫) সর্বদা এমনভাবে স্বামীর সম্মুখবর্তী হবে যাতে তিনি খুশি হন এবং এজন্য নিজের অতিরিক্ত সৌন্দর্য ও হাসি মুখ তার সামনে প্রকাশ করতে সচেষ্ট হবে।

(৬) স্বামী রাগান্বিত হলে যে কোন প্রকারে তাকে খুশি করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করবে। কেননা সেই তার জান্নাত অথবা জাহান্নাম। যেমনটি ইতোপূর্বে হাদীছে উল্লেখ হয়েছে।

(৭) স্বামী তার সঙ্গ চাইলে কোনভাবেই তাতে বাধা দেয়ার চেষ্টা করবে না। তার ডাকে সাড়া দিবে এবং পরিপূর্ণরূপে নিজেকে তার কাছে সমর্পন করবে।

জান্নাতের অঙ্গীকারঃ উল্লেখিত কাজগুলো করলেই প্রিয় নবীজীর ভাষায় তার জন্য জান্নাতে প্রবেশ করার অঙ্গীকার রয়েছে। যেমনটি তিনি এরশাদ করেন, কোন স্ত্রী যদিঃ
(১) পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করে।
(২) রামাযানের ছিয়াম পালন করে।
(৩) নিজ লজ্জাস্থানের হেফাযত করে। (ব্যভিচার প্রভৃতি থেকে বিরত থাকে।) এবং
(৪) স্বামীর আনুগত্য করে।

তবে তাকে বলা হবে জান্নাতের আটটি দরজার যে কোনটি দ্বারা জান্নাতে প্রবেশ কর। [মুসণাদে আহমাদঃ ১৫৭৩; সহীহুল জামেঃ ৬৬০] —সুবহানাল্লাহ।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY