দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার তাহমিনা যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে ঢামেকে

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি: মাধ্যমিকের (এসএসসি) টেস্ট পরীক্ষা দেওয়া হলো না মুন্সিগঞ্জের সিরাজদীখানে দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত স্কুলছাত্রী তাহমিনা আক্তারের (১৫)। রশুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে সহপাঠীরা পরীক্ষায় অংশ নিলেও তাহমিনা এখন যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে। গতকাল মঙ্গলবার বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফিরেই হামলার শিকার তাহমিনা বুধবার (১৯ অক্টোবর) বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি।

গতকাল সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির আঙিনায় তাহমিনাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। সে সিরাজদীখান উপজেলার চোরমর্দন এলাকার তফিজউদ্দিনের মেয়ে। ছাত্রীর ভাই মো. জসিমউদ্দিন জানান, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভোরে জ্ঞান ফিরেছে তাহমিনার। কথাও বলেছে। মাথায় কোপ লাগার ফলে রক্তক্ষরণ হয়। এ জন্য বুধবার সকালে সিটিস্ক্যান করতে তাহমিনাকে রাজধানীর ধানমন্ডির পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জে নিজ বাড়ির আঙিনায় দুর্বৃত্তদের দায়ের কোপে আহত স্কুলছাত্রী তাহমিনা আক্তারের (১৫) জ্ঞান ফিরেছে। বুধবার (১৯ অক্টোবর) ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে এ কথা জানান চিকিৎসকরা। এর আগে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদীখান উপজেলার চোর মর্দন এলাকায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয় তাহমিনা। সে উপজেলার রশুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী এবং চোর মর্দন এলাকার মো. তফিজউদ্দিনের মেয়ে।

পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণির টেস্ট পরীক্ষা শেষে নিজ বাড়ির উঠানে পৌঁছানোর পরপর দুর্বৃত্তরা কোপাতে শুরু করে তাহমিনাকে। এ সময় স্কুলের পোশাক পরা ছিল সে। হামলার পর দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হামলাকারী দুজনের মুখে কাপড় থাকায় কাউকে চিনতে পারা যায়নি বলে জানান আহত তাহমিনার ভাই মো. জসিমউদ্দিন।

এদিকে, সিরাজদীখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়ারদৌস হাসান জানান, বুধবার অজ্ঞাতপরিচয় দুই-তিনজনকে আসামি করে সিরাজদীখান থানায় মামলা করেছেন তাহমিনার বাবা তফিজউদ্দিন। ওসি আরো বলেন, দুর্বৃত্তদের শনাক্ত করে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে। নিজ বাড়িতে হামলার শিকার স্কুলছাত্রীর জ্ঞান ফিরেছে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY