পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা বিএনপিতে হতাশা আ’লীগ মজবুত

মোস্তাফিজুর রাহমান লালমনিরহাটঃ লালমনিরহাট জেলা অন্যান্য জেলার তুলনায় অনেক অবহেলিত। দেশে এখন নেই রাজনৈতিক অধিকার আর এই এলাকার অধিকাংশ মানুষ জানে না রাজনৈতিক অধিকার কি? দেশে এখন আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রত্যেকটি সংসদীয় এলাকায় চলছে চুলচেরা বিশ্লেষন চুপসে আছেবিএনপি |

হাতিবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলা দুটি নিয়ে সংসদীয় আসন । দুই উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াত একশক্তিশালী ছিল।বিএনপি নিজ দলীয় নেতাদের মধ্যে গ্রুপিং,ব্যাক্তিগত আক্রশ,পদের মোহ,আবার নতুন করে যোগ হয়েছে একজন স্থায়ীকমিটির পদ পেয়ে মদত দিচ্ছেন বিভাজনে, গ্রুপিংএ ফলে বিএনপির অবস্থা নাজুক ।হয়না প্রতিষ্ঠাতার জন্ম মৃত্যর অনুষ্ঠান|হাতীবান্ধায় বিএনপি আরো করুন মদদপুষ্ট ব্যক্তিদের বারবার নেতৃত্বে দেওয়ায় সাংগঠনিক ও যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে উঠেনি। তৃণমূলে কাজ করার নেতা নেই ও তৃণমূলের কমিটি গুলোর আজীবন মেয়াদে করে রেখেছে|মামলায় বিদ্ধস্ত নিবন্ধন হারা জামায়াত চুপি চুপি বিএনপির চেয়ে এগিয়ে। জাতীয় পার্টি দলকে পুনঃগঠন না করে নাম মাত্র কমিটি গঠন করে চলছে লোকদেখানো রাজনীতি |

আর অন্যদিকে ক্ষমতাসীন আ’লীগ এখন ভালো অবস্থানে আছে। তবে ভোটের সময় গ্রুপিং বড় ফ্যাক্টর হয়ে দেখা দিতে পারে। আর আওয়ামীলীগ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। জেলা আ’লীগ সভাপতি মোতাহার হোসেন অতীতের বদনাম গুচিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করার চেষ্টা করছেন। আর বিএনপি থেকে নির্বাচন করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিষ্টার হাসান রাজীব প্রধান তিনিও গ্রুপিং এ মদত দিচ্ছেন নেই তার জোরালো প্রচারনা| তবে এই আসনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ নির্বাচন করলে সব হিসাবই বদলে যেতে পারে। এই এলাকার বিএনপির একাধিক তৃন্যমুল নেতা প্রতিনিধিকে তাদের হতাশা ব্যক্ত করে এবং বলেন কে বাচাবে আমাদের |

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY