শুভ জন্মদিন স্যার জগদীশচন্দ্র বসু

এওয়ান নিউজ ডেস্ক: আমাদের অনেক ভাগ্য যে জগতবিখ্যাত এক বিজ্ঞানী জন্মেছিলেন এই দেশে, যিনি প্রথম আবিষ্কার করেন বৃক্ষেরও আছে প্রাণ, বৃক্ষও প্রাণ-ধারণের জন্য প্রকৃতি থেকে শিকড়গত বৈশিষ্টে সালোকসংশ্লেষণ-এর মাধ্যমে জীবন-জৈবিক ক্রিয়ায় বাঁচে, বাঁচায় ধরিত্রী-র মানুষদের জীবন-জীবিকার প্রাকৃতিক চক্রকে, তিনি এদেশের সন্তান স্যার জগদীশচন্দ্র বসু।

আজ (বুধবার) বিজ্ঞানী স্যার জগদীশচন্দ্র বসুর জন্মদিন। দেশ-বিদেশে নানা পুরস্কারে ভূষিত এ বিজ্ঞানীর জন্ম ১৮৫৮ সালের ৩০ নভেম্বর ময়মনসিংহে। জগদীশচন্দ্র বসুর পৈত্রিক নিবাস ছিল ঢাকার অদূরে তৎকালীন বিক্রমপুরের বাঢ়ৈখালে, বর্তমানে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার অন্তর্গত। তার বাবা ভগবানচন্দ্র বসু ফরিদপুরের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। জগদীশচন্দ্র বসু ব্রাহ্মসমাজের একজন বিশিষ্ট নেতাও ছিলেন। তার মায়ের নাম ছিল বামা সুন্দরী।

j-c-bose

বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বিখ্যাত হয়ে আছেন, উদ্ভিদের যে প্রাণ আছে তা তিনিই প্রথম আবিষ্কার করেছিলেন। শুধু তা-ই নয়, তিনি প্রথম বেতার যন্ত্রও আবিষ্কার করেছিলেন। তবে তিনি নিজের নামে তা পেটেন্ট করাতে পারেননি।

এই মহান বিজ্ঞানী ১৯৩৭ সালের ২৩ নবেম্বর কলকাতায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।

মহান এই বিজ্ঞানীকে স্মরণীয় করে রাখতে তার পৈত্রিক ভিটায় ত্রিশ একর জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে কলেজ ও কমপ্লেক্স । ‘জগদীশচন্দ্র বসু কমপ্লেক্স’-এ বিজ্ঞানীর নানা স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে স্থাপন করা হয়েছে মিনি জাদুঘর, নির্মাণ করা হয়েছে কৃত্রিম পাহাড়-ঝরনা, পশুপাখির ম্যুরাল, সিঁড়ি বাধানো পুকুরঘাট। কমপ্লেক্সের আকর্ষণীয় দিক হলো, এর প্রাকৃতিক পরিবেশ।

আজ মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায়া অবস্থিত রাঢ়িখালে স্যার জগদীশচন্দ্র বসুর জন্মদিন উপলক্ষে কলেজ প্রাঙ্গণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে । বিজ্ঞানী স্যার জগদীশচন্দ্র বসু স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ ফরহাদ আজিজ বলেন, মহান এ্ বিজ্ঞানী সব সময় সঠিকভাবে মূল্যায়িত হননি। সরকারিভাবে তার জন্মদিন ও মৃত্যবার্ষিকী পালনের দাবি জানান তিনি।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY