হাঙ্গেরির স্বাধীনতার বীরদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা

অনলাইন ডেস্ক: হোসোক তেরে… এই নামেই ডাকে হাঙ্গেরিবাসী। ইংরেজিতে হিরোস’ স্কয়ার। বীরদের স্থান। সেখানে মাথা উঁচু করে আছে একটি স্তম্ভ। পাশে দু’দিকে দুই সারি ছোট স্তম্ভ। নির্মিত হয়েছে হাঙ্গেরির জাতীয় বীরদের স্মৃতির সম্মানে।

মাগায়াদের সাত প্রধান নেতা, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নেতাসহ আরো অনেক অজানা সৈনিকের মূর্তি এখানে গড়া হয়েছে। আর স্তম্ভের ঠিক সামনে একটি বৃহৎ পাথুরে সেনোটাফ। যা আবার কারুকাজখচিত লোহার শিকলে বাঁধা। এই সেনোটাফ তাদেরই স্মৃতির সম্মানে যারা একটি স্বাধীন হাঙ্গেরির জন্য জীবন দিয়েছেন। ঠিক যেনো বাংলাদেশের মতো। জাতীয় স্মৃতিসৌধ ঠিক যেমন।

স্বাধীনতার জন্য যারা প্রাণ দিয়েছেন তারা পৃথিবীর সব দেশে দেশেই এক ও অভিন্ন। হাঙ্গেরি সফরে এসে মঙ্গলবার সকালটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ন্যস্ত করেছিলেন এই জাতীয় বীরদের প্রতি সম্মান জানাতে।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়ির বহর হিরোস’ স্কয়ারে পৌঁছায়। সেখানে বিশাল আঙ্গিনায় পাতা লালগালিচা ধরে হেঁটে গিয়ে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান তিনি।

বুদাপেস্টের আন্দ্রাসি এভিনিউতে সিটিপার্কের পাশে এই স্মৃতিসৌধ হাঙ্গেরির সমসাময়িক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত। ১৮৯৬ সালে হাঙ্গেরীয়দের কারাপাথিয়ান বেসিন জয়ের হাজার বছর পূর্তি উপলক্ষে এ সৌধ বানানো শুরু হয়। পরে অনেক পরিবর্তন, পরিবর্ধনের মধ্য দিয়ে ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দে তা নির্মাণ শেষ হয়। চলতি বছরই এর নাম দেওয়া হয় হিরোস’ স্কয়ার।

স্মৃতিসৌধ থেকে হাঙ্গেরির পার্লামেন্ট ভবন কোসাথ স্কয়ারে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এখানে তাকে গার্ড অব অনার জানানো হয়। হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরবান তাকে স্বাগত জানান। পরে দুই নেতা এখানে দ্বি-পাক্ষিক একান্ত বৈঠকে বসবেন। পরে তারা উপস্থিত থাকবেন দু’দেশের মধ্য হতে যাওয়ার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে। সবশেষে দুই প্রধানমন্ত্রী যৌথ প্রেস স্টেটমেন্ট দেবেন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY