শুক্রবার 14 ডিসেম্বর 2018 - ৩০, অগ্রাহায়ণ, ১৪২৫

হত্যাকারী কে? স্কুল না আমাদের শখ

০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১০:৩৫:০১


রোমেল নিকোলাস গোমেজ: সমস্যাটা আসলে দেশের কতিপয় এলিট স্কুল বা তাদের অথোরিটি না। সমস্যা আরও বড়। সমস্যাটা সরাসরি আমাদের মনোভাবে। কড়া ভাষায় বললে আমাদের দাসসুলভ মনোভাবে। আমরা নিজেদের ‘আমজনতা’ ভাবি। এবং আমজনতাই ভেবে চলি। এর চেয়ে বেশি কিছু ভাবার মানসিকতাটাই আমাদের নাই।

ব্যাপারটা ছোটবেলা থেকে শুরু হয়। আমাদের শিখানো হয় “Obey your parents”, আমরা করি। করতে করতে স্কুলের শিক্ষক,স্কুলের প্রধান শিক্ষক,কলেজের শিক্ষক,কলেজের অধ্যক্ষ,বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,চাকুরিক্ষেত্রে বস, এরপরে সন্তান সন্ততি হলে তাদের স্কুলের শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষক, তাদের কলেজের শিক্ষক ও অধ্যক্ষ, তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,তাদের অফিসের বস পর্যন্ত আমাদের Obey করার পরিধি বাড়তে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের Obey করতে গিয়ে যাদের আসলে Obey করা শিখেছিলাম, সেই বাবা-মা দেরই Obey করা ছেড়ে দি। কিন্তু আমাদের Obey করা আর আমাদের দিয়ে Obey করানো মানুষের সংখ্যা আর শেষ হয়না। এভাবে একদিন আমাদের ডাক পড়ে আর কবরে/চিতায় যাওয়ার সময় আমরা দেখি যে জীবনে খাওয়া,ঘুম আর হাগুমুতুর পরে যে কাজটা সবচেয়ে বেশি করেছি সেটার নাম “Obey” ।

নিজেদের ‘আমজনতা’ বলে জেনারালাইজ করে করে আমরা এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করে দিয়েছি যে- স্কুল, কলেজ, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান এমনকি সরকার পর্যন্ত নিজেদের মনিব আর আমাদের দাস ভাবে। অথচ আমরা,এই আমজনতাই তাদের ক্ষমতার মূল চালিকা শক্তি। ধরেন পরের বছর থেকে কোন অভিভাবক ভিকারুননেসাতে তাদের মেয়েকে ভর্তি করালেন না। কিংবা দল বেঁধে আমরা চাকুরি ছেড়ে দিলাম। কিংবা কোন এক জাতীয় নির্বাচনে একটা মানুষও ভোট দিতে গেল না। তাহলে কি হবে ভেবেছেন? নাহ। এমনটা ভাবা বা করে দেখানোর মত মনোবল আমাদের নাই,তাই আমরা আমজনতা। আমরা শুধু Tyrant দের দোষ দেই আমাদের উপরে অত্যাচার করবার জন্য, আসলে সেই Tyrant দের যে আমরাই Obey করে করে মাথায় তুলি সেটা আমরা কেউ ভাবতে চাই না। আউট অফ দ্য বক্স ভাবিনা বলেই আমরা সংখ্যায় বেশি হয়েও ক্ষমতাহীন,গণ হয়েও আমরা গৌণ। আমরা নিজেদের নিয়ে শুধু ভাবি,”যেভাবে চলছে চলুক না,বেঁচে তো আছি।” ভেবে আমরা সব অন্যান্য অবিচারকেও Obey করে চলি,আমাদের মধ্যে যারা করে না তাদের বেয়াদপ বলে চুপ করিয়ে যাই, সমাজের অনিয়ম যারা ভাংতে চায় উলটো তাদেরকেই সমাজচ্যুত করে সমাজপতির পা চাটি।

এই জঘন্য দাসসুলভ মনোভাবের মধ্যেও আরেকটা ব্যাপার স্পষ্ট, সেটা হচ্ছে নিজেকে অন্য দাসদের তুলায় উৎকৃষ্ট দাস হিসাবে প্রমাণ করাটা(এবং প্রমাণ করে অধস্তন দাসদের উপরে ছড়ি ঘোরানোর ব্যাপার টা, যদিও সেটা অন্য ব্যাপার এবং এখানে অপ্রাসঙ্গিক।), তা যেভাবেই হোক। নিজে বসকে তেল মেরে ভগবানের লেভেলে তুলে দিয়ে প্রমোশন আদায় করা,ছেলে মেয়েকে ‘ভালো’ স্কুলে ভর্তি করানোর পরে সেই স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাকে তেল মেরে ভগবানের লেভেলে তুলে দেয়া। সহমত ভাই বলে বলে কাউকে ডিক্টেটর বানিয়ে দেয়া ইত্যাদি। এতে লাভ কি হয়? নিজেদের ‘প্রেস্টিজ’ বাড়ে।

“আমি ওর চেয়ে দুই ট্যাকা বেতন বেশি পাই মানে আমি ওর ভগবান” ;

“আমার ছেলে/মেয়ে এলিট স্কুলে পড়ে তাই ওরা পাশে বাসার ছেলে/মেয়ের ভগবানতুল্য (সেইম ব্যাপারটা পাশের বাসার বাবা-মা ও ভাবেন, যে
“পাশের বাসার এলিট স্কুলের ওরা ভগবান,ওদের পা ধোয়া পানি খেয়ে আয় দিনে দু’বার। ভাত খেতে হবেনা ওতেই চলবে” ;

“আমার মেয়ের জামাই বুয়েটিয়ান, আমার মেয়ের সাত জনমের ভাগ্য দুবেলা ভাত না খেয়ে বুয়েটিয়ান জামাই এর মার খাচ্ছে দু বেলা।”;

এইসব মনোভাবের কারণে বাবা-মায়েরা প্রতিযোগিতায় নামে ছেলে-মেয়েকে ভালো স্কুল-কলেজে দেয়ার জন্য। আর স্কুল কলেজগুলোও পুরো ফায়দা তুলে নিজেদের tyrant বানিয়ে অত্যাচার করে সন্তানদের উপরে, দিনশেষে আর না পেরে কেউ কেউ আত্মহত্যা করে,তখন সব দোষ গিয়ে পড়ে tyrant দের উপরে। অথচ এই পশুগুলোকে এদের জায়গায় নিয়ে গেছি আমরাই। নিজেদের দিকে কেউ তাকাই না।

এখন পর্যন্ত একটা খবর এমন দেখলাম না যে সেখানে স্পষ্ট লেখা আছে মোবাইলে নকল ছিল। মোবাইল পাওয়া গেছে এতটুকু জানা গেছে ব্যস। অনেকে তাতেই “নকল করা অপরাধ” বলে ভিকটিম ব্লেমিং শুরু করেছেন। আর যারা অতদূর জাননি তারা “১৪ বছর বয়সের মেয়ের কাছে মোবাইল থাকবে কেন” বলে ব্লেমিং করছেন। মানলাম দুটোই অপরাধ। এটাও মানলাম মেয়েটা মোবাইল দিয়ে নকল করেছে। কিন্তু কেউ কি এটা ভেবেছেন যে স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষায় কেন কাউকে এত বড় রিস্ক নিয়ে মোবাইল দিয়ে ছবি তুলে নকল করতে হবে? ভালো গ্রেডের এই লোভ কারা তৈরি করল যে এত বড় রিস্ক নিতে যাবে? আর স্কুল থেকেও কেন একটা দুইটা পরীক্ষার জন্য টিসি দেয়ার ভয় দেখানো হবে? ক্লাস সেভেন আর এইটে থাকতে সামাজিক বিজ্ঞানে টানা ২ বছর ফেল করেছি। আমার স্কুলটা বেশ রিনৌনড স্কুল। আমাকে কিন্তু স্কুল থেকে বের করে দেয়া হয় নাই। কারণ আমি অন্য বিষয়ে ভালো গ্রেড এনেছি তাই স্কুল অথোরিটি বুঝতে পেরেছে এক বিষয় কম পারি বলে আমাকে বের করে দেয়া অমূলক।

আরেকটা বিষয়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পর্যন্ত নকল করার সর্বোচ্চ শাস্তি পরীক্ষার হল থেকে চলমান পরীক্ষার জন্য বহিষ্কার করা। ছাত্রত্ব বাতিল নয়। সেখানে একটা স্কুল নিম্ন মাধ্যমিক বা মাধ্যমিক পর্যায়ে এত বড় শাস্তি কিভাবে দিতে পারে সেটাও একটা বড় প্রশ্ন। নীতির ব্যাপার আপোষ নয়, কথাটা তো বুঝলাম, কিন্তু নীতির ভেতরেই দূর্নীতি থাকলে সেই দূর-নীতি কে নিকট-নীতি বানানোর ব্যাপারে আমার অসুবিধা আছে।

যাই হোক, এমন ‘শিথিল’ নীতির কারনেই কিনা, বিশ্ববিদ্যালয়ের মোবাইল থেকে অহরহ নকল করে বড় বড় সিজিপিএ নিয়ে পাশ করে বের হওয়া ছাত্ররা ঠিকই বড় বড় চাকরি বাগিয়ে নিচ্ছে। এটা নৈতিকতার ব্যাপার। আমি সিজিপিএ জিনিষটারে ওভাররেটেড ভাবি। তাই সুযোগ থাকা সত্ত্বেও নকল করিনা, কারণ বিষয়টা আমার কাছে ঠিক অনৈতিক না,ছ্যাঁচড়ামি মনে হয়। রিটেক নেয়ার তো অপশান আছেই, শুধু শুধু নকলবাজ খেতাব পাওয়ার দরকার কি? হইলাম নাহয় একটু খারাপ ছাত্র, ছোট বেলা থেকে বাসায় এমন শিক্ষাই পেয়ে এসেছি। ভালো রেজাল্ট বা নম্বর আদায় করে নেয়ার ব্যাপার। পড়াশুনা না করলে আমি ভালো রেজাল্ট ডিসার্ভ করিনা।(শিক্ষকেরা ভালো লিখলেও টিউশানি বাণিজ্যের বশবর্তী হয়ে নম্বর দেন না,এটা শিকার স্কুল লেভেলে আমিও হয়েছি। কিন্তু এই ব্যাপারটাও এখানে অপ্রাসঙ্গিক।) কিন্তু দাসসুলভ মনোভাব অলা আজকালকার অভিভাবকরা যেভাবে যেন তেন প্রকারেণ ভালো রেজাল্ট কিনে নিয়ে সমাজে ‘হাইয়ার স্ট্যাটাস’ এর লোভ করছেন, তাতে নৈতিকতা জনিত কোন কথা বলাই অমূলক।

আমি স্কুল ছেড়েছি ২০০৯ সালে। সুতরাং এখন যারা স্কুলে পড়ছে তাদের সাথে আমার বিশাল জেনারেশন গ্যাপ আছে। তাই তাদের সাইকোলজি আমি বুঝব না। আসলেই কি পরিস্থিতিতে মেয়েটা আত্মহত্যা করেছে সেটা দূর থেকে বোঝা সম্ভব না। তবে হ্যাঁ। সাইকোলজি যেমনই হোক, এমন অপমৃত্যুর প্রতিবাদ হওয়া উচিৎ। বিশেষ করে যে স্কুল তার ধর্ষক এমপ্লয়ীকে নির্লজ্জভাবে বাঁচাতে পারে সেই স্কুলের বিপক্ষে তো অবশ্যই হওয়া উচিৎ।

তবে শুনতে খারাপ শোনালেও সত্যি,দুই দিন পরে এইসব আন্দোলন থেমে যাবে। এহেন এলিট স্কুলগুলোতে দলে দলে নিজেদের সন্তানদের ভর্তি করাতে আমরা ব্যস্ত হব। এভাবে নিজেদের প্রেস্টিজ বাড়াবো,বিনিময়ে স্কুলগুলোকে সুযোগ দেব আমাদের শোষণ করার। আন্দোলন যদি করতে হয়, ঘর থেকে শুরু করেন। নিজে আয়নার সামনে গিয়ে নিজের গুরুত্ব বুঝুন। নিজেকে আমজনতা নামক চাকর ভাবা বন্ধ করুন আজ থেকে। নিজের সন্তানকে বলুন,নম্বর গুরুত্বপূর্ণ নয়, শিক্ষাটাই গুরুত্বপূর্ণ। যাতে সে নম্বরের জন্য এমন ঝুঁকি না নেয়। সন্তান আপনার আপন,স্কুল না। সন্তান স্কুলের বিপক্ষে কোন নালিশ করলে সেটা আমলে নিয়ে কারণ যাচাই করুন। মনে রাখবেন, যত এলিট স্কুলই হোক না কেন, যে স্কুল আপনার সন্তান কে শিক্ষার্জনের বদলে নম্বর আদায় শেখাবে, সেই স্কুল আদতে আপনার সন্তানকে অসততা শেখাচ্ছে।

আর সবচেয়ে বড় যে শিক্ষাটা দেবেন, সেটা হচ্ছে আপনার সন্তান যেন Respect করা শেখে, Obey করা নয়। সবসময় Obey না করে প্রতিবাদ করাটাও জরুরি। শোষণের চেয়ে শোষণ সহ্য করা গুরুতর অপরাধ।

পুনশ্চঃ সমস্যা গুলা আরো গভীর,আরো ব্যাপক। আমি শুধুমাত্র স্পেকট্রামের একটা অংশ ব্যাখ্যা করেছি। যদিও পুরোটাই আমার ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা।



এ সম্পর্কিত খবর

হবিগঞ্জের বানিয়াচং দু’পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত

হবিগঞ্জের বানিয়াচং দু’পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত

মঈনুল হাসান রতন হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় বিল দখল নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে মতিউর রহমান

সাবেক দুই মন্ত্রীপুত্রের ভোটযুদ্ধ  

সাবেক দুই মন্ত্রীপুত্রের ভোটযুদ্ধ  

মঈনুল হাসান রতন হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জে জেলায় আলোচিত আসন হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল)।

ছাতক-দোয়ারার বিজয় দিয়ে দেশে ধানের শীষের বিজয় সূচীত হবে-মিজান চৌধুরী

ছাতক-দোয়ারার বিজয় দিয়ে দেশে ধানের শীষের বিজয় সূচীত হবে-মিজান চৌধুরী

ছাতক প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি-ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান চৌধুরী ছাতকের সিংচাপইড় ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায়


উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন: মানিক

উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন: মানিক

ছাতক প্রতিনিধিঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৫ আসনে আওয়ামী লীগ-মহাজোট মনোনিত সংসদ সদস্য প্রার্থী মুহিবুর

সুনামগঞ্জ-৫ আসনে চলছে জমজমাট প্রচার প্রচারণা : মাঠে লড়াই হবে নৌকা-ধানের শীষের

সুনামগঞ্জ-৫ আসনে চলছে জমজমাট প্রচার প্রচারণা : মাঠে লড়াই হবে নৌকা-ধানের শীষের

হেলাল আহমদ, ছাতকঃ ছাতক-দোয়ারা বাজার উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৫ সংসদীয় আসনে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ

নির্বাচনে তিন স্তরের নিরাপত্তা, ২৪ ডিসেম্বর সেনা মোতায়েন

নির্বাচনে তিন স্তরের নিরাপত্তা, ২৪ ডিসেম্বর সেনা মোতায়েন

এওয়ান নিউজ ডেস্ক: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে


বড়দিনের এপেটাইজার ‘সান্তা ডেভিল এগ’

বড়দিনের এপেটাইজার ‘সান্তা ডেভিল এগ’

এওয়ান নিউজ ডেস্ক: বড়দিনে অতিথি এলে একটু ভিন্ন কিছু খাওয়াতে না পারলে যেন গৃহিণীর কিছুতেই

প্রমাণ হয়েছে অবৈধ জনপ্রতিনিধি দিয়ে উন্নয়ন সম্ভব নয়: মিজানুর রহমান 

প্রমাণ হয়েছে অবৈধ জনপ্রতিনিধি দিয়ে উন্নয়ন সম্ভব নয়: মিজানুর রহমান 

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: বিএনপি ও ২০ দলীয় জোট এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনের সংসদ

আকাশ থেকে লাফিয়ে পড়লেন ১০২ বছর বয়সী এক নারী (ভিডিও)

আকাশ থেকে লাফিয়ে পড়লেন ১০২ বছর বয়সী এক নারী (ভিডিও)

এওয়ান নিউজ ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার লংহর্ন ক্রিকের মাঝ আকাশ থেকে লাফিয়ে পড়লেন ১০২ বছর বয়সী এক



আরো সংবাদ

একজন অরিত্রি এবং আমরা

একজন অরিত্রি এবং আমরা

০৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৯:৪৮

গোরাবা ফান্ড কেটে পঙ্খীরাজে উড়া

গোরাবা ফান্ড কেটে পঙ্খীরাজে উড়া

০৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৯:০৪


আম্মার চোখে আমরা আগন্তকের মত

আম্মার চোখে আমরা আগন্তকের মত

২৪ নভেম্বর, ২০১৮ ১৩:১১

আম্মার চোখে আমরা আগন্তকের মত

আম্মার চোখে আমরা আগন্তকের মত

২৪ নভেম্বর, ২০১৮ ১৩:১১

তারা কি সাক্ষীগোপাল হয়েই থাকবে?

তারা কি সাক্ষীগোপাল হয়েই থাকবে?

২৪ নভেম্বর, ২০১৮ ১২:৫০

এরশাদের জায়গায় বি চৌধুরী

এরশাদের জায়গায় বি চৌধুরী

২২ নভেম্বর, ২০১৮ ১২:৩৫

প্রিয় ঢাকা নগরীর কিছু খণ্ডচিত্র

প্রিয় ঢাকা নগরীর কিছু খণ্ডচিত্র

১৯ নভেম্বর, ২০১৮ ১৪:৪০

‘আমি কোন কূল হতে কোন কূলে যাব…’

‘আমি কোন কূল হতে কোন কূলে যাব…’

১৭ নভেম্বর, ২০১৮ ১৪:৫৫



নিউ ইয়র্কে নির্বাচন

নিউ ইয়র্কে নির্বাচন

১০ নভেম্বর, ২০১৮ ১৩:০৪


ব্রেকিং নিউজ