মঙ্গলবার 26 মার্চ 2019 - ১২, চৈত্র, ১৪২৫


আলোকিত একটি জনপদ ছাতক

১১ জানুয়ারী, ২০১৯ ২০:০৭:০২

ছাতক প্রতিনিধি::ছাতক সুদৃর প্রাচীনকাল থেকেই সমগ্র বিশ্বে পরিচিত এক আলোকিত জনপদ।রামায়ন মহাভারতে ও অঞলের উল্লেখ প্রমান মেলে। এখনকার ভৃপ্রকৃতিতে একটি সুষম বৈচিত্র্য রয়েছে। একদিকে পাহাড় পবর্ত অপরদিকে অলি আউলিয়ার দরবেশ ফকির, মাজার ও সীমাহীন অথৈ পানির হাওড়।পাহাড় সমতল এবং পবর্ত থাকার জনবসতি চাষাবাদ এবং যোগাযোগ ছিল এখানে সহজ। ভিনদেশী নাগরিকরা নৌ-পথে বানিজ্য সম্পর্ক গড়ে ছিল ছাতকে সাথে। ছাতক সমৃদ্ধ,সম্পদ প্রাচুর্ষে ও প্রাকৃতির সৌন্দর্ষে সুনাম সুখ্যাতিতে ছাতক জুড়ে আছে শিল্পনগরী এক উজ্জল স্থানে দখল করে রেখেছেন। বিশ্বের বিখ্যাত স্থানের নামের তালিকায় ছাতক শীর্ষে স্থান দখল করে রেখেছেন সু প্রাচীন জনপদ হিসেবেই। ছোট বেলায় ভুগোল বা পাঠ্য বইয়ে মুখস্ত করতে হয়েছে ছাতক কমলা লেবু, চুনশিল্পে ও সিমেন্ট কারখানার জন্য বিখ্যাত। নদী বন্দর রুপেও বানিজ্যিক কেন্দ্রস্থল হিসেবে বিশ্বেও মানচিত্রে রয়েছেন সু পরিচিত জনপদ ও আলোকিত এক উপজেলা হিসেবেই। সারি সারি চুনশিল্পের কারনে খ্যাতি লাভ করেছিল। বাংলার ভাটি এলাকা মৎস ভান্ডার সুনামগঞ্জের প্রবেশ পথ আমাদের শিল্প নগর ছাতক। ইংরেজ শাসন আমলে চুনশিল্প বিকাল ঘটেছিল। সেই সুবাদে ইংলিশরা বানিজ্যিক নিরাপদ মনে করে ছাতক শিল্প নগরীকে ঘাটি হিসেবে বেচে নেন। এখানে অবস্থান করে দেশ-বিদেশে চুন বর্হিবিশ্বে আমদানি করেছিল। “ছাতক থনে আইলা হ্যারি যাইতা বদর পুর-সিলেট আইয়া জিজ্ঞাস করে জৈন্তা কত দুর” ছাতক এক প্রাচীন জনপদ আলোকিত বানিজ্যিক জোন শিল্পনগরী হিসেবে সুলতানী আমল থেকে আনুষ্টানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল। ১৭৫৭ সালে মীর জাফর আলী খা’রায়দৃলর্ভ ও জগতশেঠ গংদের চত্রুান্তে বাংলার স্বাধীন নবাব সিরাজ উদ্দৌলা বঙ্গের নদীয়া জেলার আম বাগানে ইংরেজদের সাথে এক রত্তক্ষয়ী যুদ্বে পরাজিত হন।সাথে বাংলার স্বাধীনতায় সুর্য অস্তমিত হয়। সিরাজ উদ্দৌলার পতনের পর বিশ্বাস ঘাতক মীর জাফর বাঙাল সুবাদার হিসেবে স্বীকৃত হয়। পরবর্তিকালে তার উপর ইংরেজরা অসন্তুষ্ট হয়ে মীর কাসেমকে স্থলবর্তি করে। মীর কাসেমের আমলে ইংরেজরা সিলেটের ছাতকে অনুপ্রবেশ করে এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী চুনা ব্যবসা করার জন্য মীর কাসেম কে দিয়ে সন্দ্ধি করা হয়। ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে ২৭ সেপ্টেম্বর মীর কাসেমের সাপক্ষে সিলেটের ছাতকে চুনা সরবরাহের সন্বি করা হয়। কিন্তু ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর লোকজন চুনা সরবরাহের অজুহাতে সিলেটের ছাতকে মানুষের উপর অমানবিক উৎপিড়ন চালাতে থাকে। মীর কাসেম ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির লোকজনদের অত্যাচার নির্যাতন থেকে সিলেটসহ বাংলার মানুষের পাশে এসে দাড়ান। ইংরেজরা মীর কাসেমকে তাদের বিপক্ষে দেখে মীর জাফরকে বাংলার মসনদে পুনস্থাপন করে ১৭৬৩ সালে ১০ জুলাই সিলেটের ছাতকে চুনা ব্যবসা ব্যপ্তি জন্য ৫ম দফায় নতুন সন্বি পত্র প্রণয়ন করে।এই সন্দ্ধি পত্র মোতাবেক ইংরেজরা চুনার আয়করের অর্ধেক মালিক হয়ে যান।এ ভাবে মীর জাফরের সহযোগিতায় একটি একটি করে দেশীয় রাজ্য ইংরেজদের দখলে আসে থাকে। ১৭৬৫ সালে ইংরেজরা বংঙ বিহারও উড়িষার দেওয়ানী লাভ করায় সিলেট ও তাদের দখল আসে। এ সময় (জয়ন্তীয়া ও লাউড় রাজ্য ব্যতিত) সিলেটের নবাবদের অধিকৃত ভৃভাগের পরিমাণ ছিল ২৮৬১ বর্গমাইল। ইংরেজ কোম্পানি ২৮৬১ বর্গমাইল ভুভাগের শুধু মাত্র রাজস্ব আদায়ে নিযুত্ত ছিল। শাসন ভার বা  ফৌজদারি ক্ষমতা তখন নবাবগনের হাতেই ন্যস্ত ছিল। ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হিস্টিংস ভারতে ২৫০টি মত জেলা সৃষ্টি করেন। তখন সিলেটকে ও জেলায় রূপান্তর করা হয়। পুর্ব বংগের রাজস্ব সংগ্রহ ইত্যাদি প্রয়োজনীয় কর্ম নির্বাহের জন্য ঢাকা রেডিনিউ বোর্ড প্রতিষ্টিত করা হয়। সেই বোড হতে মিষ্টার থেকার সর্বোচ্চ কর্মচারী রূপে সিলেটের প্রথম আগমন করেন। তখনকার সময় ইংরেজ কর্মচারীদেও রেসিডেন্ট উৎপাদিতে আখ্যায়িত করা হতো। থেকারের সময় জয়ন্তীয়ার রাজা ছত্রসিংহ সিলেটের বৃটিশ প্রজাদিগকে নিপিড়িত করতেন। যে কারণ থেকারের আদেশানুসারে মেজর হেনিকার কর্তৃক পরিচালিত বৃটিশ সৈন্য জয়ন্তীয়া জয়ে সমর্থ হয়। এ ভাবে জয়ন্তীয়া কাছার ইত্যাদি রাজ্য সমুহ বৃটিশ শাসনের আওতায় সিলেটের কালেক্টরীর অন্তর্ভুত্ত হলে সিলেটের ভুভাগের আয়তন ৩৮০০বর্গমাইলে গিয়ে দাড়ায়। ১৭৮০ সেখানকার চলে গেলে রবার্ট লিন্ডসে নামক এক ইংরেজ কাউন্সিলার সিলেটের ক্যালেক্ট হয়ে আসেন। এখানে এসে লিন্ডসে সিলেটের সম্পদেও প্রতি ধারণা লাভ হয়। তিনি ব্যাত্তিগত তহবিল থেকে এখানে প্রচুর টাকা বিনিময় করে বিভিন্ন জাতীয় ব্যবসা যেমন’চুনা পাথর,লবন,হাতির চামড়া,জাহাজ তৈরি ও কমলা লেবু বিত্রিু ইত্যাদিতে আতœনিয়োগ করেন। তিনি অফিসের সময়টুকু দিয়ে বাকি সময়টুকু ব্যবসায় ব্যয় করে লিন্ডসে অগাধ অর্থ উপাজন করেন।এ সময় সিলেটের লোক সংখ্যা ছিল ১ লাখ।আর রাজ্যস্য ছিল ২লাখ ৫০ হাজার। লিন্ডসে আতœজীবনী গ্রন্থেও বরাত অচ্যুত চরণ চৌদুরী সহ অনেক ঐতিহাসিকগন লিখেন। প্রদেশের দায়িত্ব লাভ ও বেশী দিন থাকার জন্য লিন্ডসে ইংরেজ কোম্পানির উধতর্ন কর্মকতাদের বহু রাজস্ব প্রথা চালু করেন। উল্লেখ যে’ বৃহত্তর সিলেটের ছাতকের সুলতানী আমল থেকে চুণা ব্যবসায় প্রসিদ্ধ ছিল। ১৭৭৮ থেকে ১৭৮৯ খ্রীষ্টাব্দ পযন্ত রর্বাট লিন্ডসে ছিলেন সিলেটের কালেষ্টার। তিনি সিলেট থেকে ছাতকের চুন ভান্ডার দেখে আকৃষ্ট হয়েছিল।তখন সিমেন্ট আবিস্কার হয়নি। ফলে চুনা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন নিমার্ন সামগ্রী। চুন সুরকি দেয়াল বা চাদ তখন ছিল উচ্চবিত্তের পরিচায়ক। গরম বা শীতল আবহাওয়ার এই চুনার নির্মিত দালান অত্যন্ত উপযুত্ত ছিল। চুনা পাথর থেকে বিশেষ কায়দায় তৈরি চুনার চাহিদা ছিল উপমহাদেশের সর্বত্র । ভাগ্যান্বেসী লিন্ডসে এই চুনা পাথরকে ভিত্তি করে গড়ে তুলেন কারখানা।পাশাপাশি দেশ ভারতের কলকাতার সাথে শুরু করেন ব্যবসা।  উল্লেখ্য তখন ইংরেজী কর্মচারীদের জন্য এ ধরনের রুজি রোজগার কোনো বিধি নিষিধে ছিল না । লিন্ডসের পর দুইজন ইংরেজ এইচটি রাইট ও জর্জ ইংলিশ রাইট ইংলিশ এন্ড কোম্পানী নামে চুনের ব্যবসা শুরু করেন।তারা সব সময় ছাতকের নাগরিকদের সাথে সু-সম্পক বজায় রাখেন।এ পথ ধওে ছাতকের চুন শিল্পের বিকাশ ঘটেছিল। ১৮৬৯ খ্রীষ্টাব্দে ইন্ডিয়া জেনারেল ষ্টীম নেভিগেশন কোম্পানী গোয়ালন্দ থেকে সিলেট পযর্ন্ত জাহাজ চলাচলের ব্যবস্থা করে। ছাতক একটি বিশাল নৌ বন্দরের ষ্টেশন ছিল।শীতকালে জাহাজ ছাতক পযর্ন্ত চলতো। জাহাজ চলাচল শুরু হবার কারনে ব্যবসার ও বিস্তার ঘটে। ১৯০২ থেকে ১৯০৩ খ্রীষ্টাব্দ পযর্ন্ত সিলেট থেকে কলিকাতা ২০লক্ষ মনের বেশী চুন রপ্তানী হতো । ছাতকের চুনের মান ছিল ভালো,তাই প্রসিদ্বির ও ছিল।এই চুনা শিল্পের পথ ধরেই এ অঞলে প্রথম বৃহৎ শিল্প কারখানা আসাম বেগ্ংল সিমেন্ট ফ্যাষ্টরী প্রতিষ্টিত হয়। এ পযর্ন্ত যতই সিমেন্ট কারখানা নির্মান করা হয়েছে সব সিমেন্ট থেকে ছাতক সিমেন্ট এখনো গুনে মানে নামে সমাদৃত অবস্থান ধরে রেখেছেন।এ উপজেলায় চালু হয় সিলেট পাল্প এন্ড পেপার মিল। দুর্নীতি অনিয়মের কারনে আজ বিলীন হয়ে গেছে। এ অঞলের বিভিন্ন জাতিগোষ্টি বসবাস করতো। প্রভৃতি আধিবাসীদের প্রার্চীন কাব্য ভাষ্য ধর্মীয় রীতি আচার উপচারে সাহিত্যে খ্রিষ্টিয় চতুথ শত্তকে মিশণ ঘটে আর্য় সংস্কৃতির। সাতশ’ হিজরী থেকে মুসলমানদের আগমনের মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে মুসলিম সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছিল। ১৩০৩ খ্রিষ্ট্রাব্দে হযরত শাহজালাল (রঃ) সহ তিনশ’ষাট আউলিয়ার আগমনে সুফিবাদের প্রচলন শুরু হয়। এখানে আগত সুফি সাধকরা ইসলামিক আদর্শ ছড়িয়ে দিতে এখানকার আদিবাসীদের বিভিন্ন ভাষায় শিক্ষা দেন ইসলামিক পদ্বতি ও রীতি রেওয়াজে। যার মধ্যে অন্যতম ছিলেন আরবী, ফাসী, উর্দ্দু ও সিলেটি নাগরি বণের প্রচলন ছিল ব্যাপক। উল্লেখিত ভাষা গুলো সমন্বয়ে মরমী সাহিত্য নামে জন্ম নেয় এক নতুন সাহিত্যের। যাকে আজ কাল বলা হয় সিলেটের মরমী সাহিত্য। আরবী ফাসী ও উর্দ্দু ভাষা রচিত কাব্য পুথি গান ও পালা ইত্যাদি নিয়ে মরমী সাহিত্যের যাত্রা শুরু হয়েছিল। তখনকার আমলে সিলেটের ফাসী ভাষার প্রভাব ছিল ব্যাপক।এ বিষয়টি মধ্যুগীর কবি সুলতান রচিত নবী বংশ গ্রন্থে এভাবে উল্লেখ্য করেন।

“আরবী ফার্সী ভাষার কিতাব বহুত-আলেমানে বুঝে, না বুঝে সুরত” (চলমান)

লেখক: আনোয়ার হোসেন রনি 
      সাধারণ সম্পাদক
      ছাতক প্রেসক্লাব



এ সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে গুগলের ডুডল

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে গুগলের ডুডল

এওয়ান নিউজ: বিশ্বের জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল বাংলাদেশের ৪৯তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিশেষ

জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীরশহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীরশহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

এওয়ান নিউজ: ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে ঢাকার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ

এওয়ান নিউজ: আজ সেই দিন। আজ সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। বাঙালির আনন্দের দিন, উচ্ছ্বাসের দিন, বাঁধভাঙা আনন্দের


কুড়িগ্রামের খেয়াঘাট গুলোতে ইজারাদারের নিকট জিম্মি সাধারণ মানুষ

কুড়িগ্রামের খেয়াঘাট গুলোতে ইজারাদারের নিকট জিম্মি সাধারণ মানুষ

অনিরুদ্ধ রেজা,কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামের সব কয়টি খেয়াঘাটে যাত্রীদের কাছ থেকে ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। জেলা

বঙ্গবন্ধু ছাত্র ফাউন্ডেশনের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

বঙ্গবন্ধু ছাত্র ফাউন্ডেশনের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু ছাত্র ফাউন্ডেশন সিলেট মহানগর শাখার উদ্যোগে আন্তঃস্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে পল্লীসমাজের মানববন্ধন 

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে পল্লীসমাজের মানববন্ধন 

সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার সৈয়দেরগাঁও ইউনিয়নের ব্রাক্ষনগ্রাম, চানপুর ও রামপুর পল্লীসমাজের উদ্যেগে নারীর প্রতি সমতা,


আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার চেতনাকে ধ্বংস করে দিয়েছে: মির্জা আলমগীর

আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার চেতনাকে ধ্বংস করে দিয়েছে: মির্জা আলমগীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার চেতনাকে ধ্বংস করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম

কলাপাড়ায় অনগ্রসর জনপদে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে মৌলভীতবক বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

কলাপাড়ায় অনগ্রসর জনপদে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে মৌলভীতবক বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

রাসেল কবির মুরাদ , কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি  ঃ  কলাপাড়ার চাকামইয়া ইউনিয়নের মৌলভীতবক বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু

ভোলায় যাত্রীবাহি লঞ্চ থেকে বিদেশী মদ ও ক্যান উদ্ধার, মাল কেরাণী আটক

ভোলায় যাত্রীবাহি লঞ্চ থেকে বিদেশী মদ ও ক্যান উদ্ধার, মাল কেরাণী আটক

স্টাফ রির্পোটার: ভোলার লালমোহনে যাত্রীবাহি এমভি গ্লোরী অব শ্রীনগর-২ লঞ্চ থেকে ৮ বোতল বিদেশী মদ



আরো সংবাদ


দুঃখ জাগানিয়া ছাত্র রাজনীতি

দুঃখ জাগানিয়া ছাত্র রাজনীতি

২৩ মার্চ, ২০১৯ ১২:৫৬

দাঁড়িয়ে থাকলেই বিজয় আসে

দাঁড়িয়ে থাকলেই বিজয় আসে

২১ মার্চ, ২০১৯ ১১:৫৬

যে শহরকে কেউ নিজের মনে করে না

যে শহরকে কেউ নিজের মনে করে না

২১ মার্চ, ২০১৯ ১১:৪৫



ছাত্রদলের ডাকসু নমুনা 

ছাত্রদলের ডাকসু নমুনা 

১২ মার্চ, ২০১৯ ২০:০৭

"খাঁটি হুজুর ও ভেজাল হুজুর"

১০ মার্চ, ২০১৯ ১২:২৩






ব্রেকিং নিউজ








বন্দরে গণহত্যা দিবস পালিত

বন্দরে গণহত্যা দিবস পালিত

২৫ মার্চ, ২০১৯ ২১:০৯