বুধবার 19 ডিসেম্বর 2018 - ৪, পৌষ, ১৪২৫

ইমরান খান: সেনাবাহিনীর পুতুল নাকি নতুন পাকিস্তানের দিশারি?

মোয়াজ্জেম হোসেন | প্রকাশিত ০৯ অক্টোবর, ২০১৮ ১০:৪৯:৪০

৩০শে আগষ্ট, ২০১৮। পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান গেছেন রাওয়ালপিন্ডিতে সেনা সদর দফতরে। সেনা প্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বজওয়ার সঙ্গে তাঁর প্রথম বৈঠক। সঙ্গে আছেন ইমরান খানের মন্ত্রিপরিষদের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন মন্ত্রী।

বৈঠক শুরু হওয়ার পর সেটি যেন আর শেষই হতে চাইছে না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে যাচ্ছে। আট ঘণ্টারও বেশি সময় পরে সেনা সদর দফতর থেকে বেরুলেন প্রধানমন্ত্রী। সেনা প্রধানের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতেই এরকম দীর্ঘ বৈঠক ইমরান খান সম্পর্কে সেই বিরাট প্রশ্নবোধক চিহ্ণ যেন আবারো সামনে নিয়ে আসলো।  ইমরান খান আসলে কাদের লোক? সেনাবাহিনীই কি তাকে ক্ষমতায় বসিয়েছে?

এই ঘটনার কয়েকদিন পর খ্যাতিমান পাকিস্তানি সাংবাদিক হামিদ মীর সাক্ষাৎ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে। তারা সেদিন দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাটিয়েছেন। কথা বলেছেন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক নানা বিষয়ে। সেখানে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি সরাসরি জানতে চেয়েছিলেন, কী এত কথা হলো সেনা প্রধানের সঙ্গে।


"আমি জানতে চেয়েছিলাম, আপনি আট ঘণ্টার বেশি সেখানে ছিলেন। কী ঘটেছিল সেখানে? উনি আমাকে বলেছিলেন, আমরা সব নিরাপত্তা সমস্যা নিয়ে কথা বলেছি। প্রতিরক্ষামন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে শুরু করে সব গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীরা তখন তার সঙ্গে ছিলেন। তিনি আত্মবিশ্বাসী যে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বেসামরিক সরকারই এখন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা নীতি এবং পররাষ্ট্র নীতি ঠিক করবে।"

বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে হামিদ মীর নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সম্পর্কে তার নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন। অনেকে তাকে ইমরান খানের প্রতি সহানুভুতিশীল বলে মনে করেন। তবে হামিদ মীর বলছেন, তিনি আসলে এখনই নতুন সরকার সম্পর্কে কোন অভিমত দিতে চান না। তিনি বরং কয়েকটা মাস অপেক্ষা করতে চান, ইমরান খানকে কিছুটা সময় দিতে চান।


পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর নেতা। আর দেশটির সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর নেতা হচ্ছে আসলে সেনা প্রধান। এমন একটি কথা পাকিস্তানে প্রচলিত আছে।

এটাও বলা হয়, পাকিস্তানের পররাষ্ট্র নীতি আর প্রতিরক্ষা নীতি ঠিক হয় সেনা সদর দফতরে, সেখানে বেসামরিক প্রধানমন্ত্রীর কোন এখতিয়ারই নেই। কাজেই ইমরান খান যে বলছেন, তার সরকারই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা নীতি আর পররাষ্ট্র নীতি ঠিক করবে, সেটা কি বিশ্বাসযোগ্য? পাকিস্তানের রাজনীতির যারা ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষক, এ নিয়ে সংশয় আছে তাদের মধ্যে।

"পাকিস্তানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনী। যখনই পাকিস্তানে কোন বেসামরিক সরকার ক্ষমতায় থেকেছে, সেটা যে রাজনৈতিক দলেরই হোক, তাদেরকে একটা আপোস বা সমঝোতা করতে হয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে। এই আপোস-রফা রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণত ক্ষমতায় গিয়ে করেন। কিন্তু এখন যেটা হয়েছে তা হলো, ইমরান খান ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই এই আপোস-রফা করে ফেলেছেন", বলছেন যুক্তরাষ্ট্রর ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির পলিটিক্স এন্ড গভর্নমেন্ট বিভাগের ডিসটিংগুইশড প্রফেসর আলী রীয়াজ।


বহু দশক ধরে পাকিস্তানের রাজনীতিতে ভুট্টো এবং শরিফ পরিবারের যে প্রাধান্য তা কি খর্ব হতে চলেছে?
এক কালের ক্রিকেট সুপারস্টার ইমরান খান যে একদিন একটি পরমাণু শক্তিধর দেশের প্রধানমন্ত্রীর হাল ধরবেন, তা বছর দশক আগেও হয়তো অকল্পনীয় ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ইমরান খান এবং তাঁর দল তেহরিক ই ইনসাফ পাকিস্তানের রাজনীতিতে যে ভূমিকম্প ঘটিয়ে দিয়েছেন, তা চমকে দিয়েছে অনেককে।

তৃতীয় শক্তির উত্থান?

পাকিস্তানের রাজনীতিতে পিপিপি এবং মুসলিম লীগ, ভুট্টো এবং শরিফ পরিবারের যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য, সেটার অবসান ঘটিয়ে কি তিনি এক নতুন যুগের সূচনা করলেন?

আলী রীয়াজ বলছেন, আপাত দৃষ্টিতে বড় দুটি দলের প্রাধান্য খর্ব করে ইমরান খানের সাফল্য তৃতীয় এক শক্তির উত্থান বলে মনে হলেও, পাকিস্তানের রাজনীতির আসল চাবি-কাঠি এখনো আসলে সেনাবাহিনীর হাতেই।

"ইমরান খান আসলে পপুলিস্ট রেটোরিক বা লোকরঞ্জনবাদী কথাবার্তাকে পুঁজি করতে পেরেছেন। কিন্তু এটাকে পুঁজি করাটাই যথেষ্ট ছিল না। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তার সেনাবাহিনীর সঙ্গে একটা সমঝোতার দরকার ছিল। সেটাও তিনি করে ফেলতে পেরেছেন। আর সেটা করতে পেরেছেন বলেই তিনি ক্ষমতায় যেতে পেরেছেন।"

সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইমরান খানের এই আতাতের অভিযোগ আসলে কতটা সত্য? জি নিউজ নেটওয়ার্ক বা জিএনএন এর প্রেসিডেন্ট হামিদ মীর বলছেন, পাকিস্তানে কোন নির্বাচিত সরকার সম্পর্কে এরকম অভিযোগ এবারই প্রথম নয়।

"দেখুন, যখন নওয়াজ শরিফ ক্ষমতায় আসেন, তখন একই কথা তার সম্পর্কেও বলা হয়েছিল। তখন অভিযোগ করা হয়েছিল সেসময়কার সেনা প্রধান জেনারেল কায়ানি তাকে ক্ষমতায় আসতে সাহায্য করেছেন। যখনই নওয়াজ শরিফ ক্ষমতায় এসেছেন, তখনই বলা হয়েছে, সেনাবাহিনী তাকে সাহায্য করেছেন। এখন ইমরান খান সম্পর্কেও একই কথা বলা হচ্ছে । সেনাবাহিনী তাকে সাহায্য করেছে কি করেনি, তার কোন প্রমান আমার কাছে নেই। কিন্তু আমি যেটা দেখতে পাচ্ছি, সেনাবাহিনী তাকে সম্পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে, কারণ তিনিই এখন প্রধানমন্ত্রী। আর কেবল সেনাবাহিনী নয়, বিচার বিভাগও তাকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে।"

অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ


ক্ষমতায় আসার পরপরই ইমরান খানের সরকারের জন্য একটি বড় ধাক্কা এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসন পাকিস্তানের জন্য তাদের প্রায় তিরিশ কোটি ডলারের সামরিক সাহায্য বাতিল করেছে। এটি ঘটলো এমন এক সময় যখন কিনা, পাকিস্তান রয়েছে এক চরম অর্থনৈতিক সংকটে। অধ্যাপক আলী রীয়াজ মনে করছেন, এটি ইমরান খানের সরকারের জন্য একটি বড় সংকট তৈরি করতে পারে।

"পাকিস্তানের এখন যত বৈদেশিক ঋণ, তার ৩৩ শতাংশের বেশি চীনের কাছে। মাত্র ৭ শতাংশ হচ্ছে আইএমএফের কাছে। ঋণের দায়ে দেউলিয়া হওয়া থেকে বাঁচতে পাকিস্তানকে ১২ বিলিয়ন ডলারের আবেদন নিয়ে খুব শীঘ্রই আইএমএফের কাছে যেতে হবে। আইএমএফ কিন্তু তখন শর্ত দেবে, চীনের কাছ থেকে যেসব বিনিয়োগ পাকিস্তান নিয়েছে, সেগুলোতে স্বচ্ছতা আনার জন্য। আমার মনে হয় না, ইমরান খান সেই কাজ করতে পারবেন।"

চীন পাকিস্তানের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সামরিক মিত্রদের একজন, এখন আইএমএফের দাবি মানতে গেলে চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর সম্পর্কে একটা টানাপোড়েন সৃষ্টি হওয়ার আশংকা আছে বলে মনে করেন তিনি।

এরকম তীব্র এক অর্থনৈতিক সংকটের মুখে ইমরান খান তার যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, সেটা আসলে কতটা বাস্তবায়ন করতে পারবেন, তা নিয়ে সন্দিহান তিনি।

"অর্থনৈতিক সংকট পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর জন্য হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। যে ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা তিনি বলেছেন, সেটা পাকিস্তানের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থায় প্রায় অসম্ভব।"

পাকিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাসে নির্বাচিত সরকারগুলো বার বার সেনাবাহিনী এবং বিচার বিভাগের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েছে। আর এর পরিণামে আজ পর্যন্ত কোন পাকিস্তানী প্রধানমন্ত্রী তার পূর্ণ মেয়াদে সরকার পরিচালনা করতে পারেন নি। সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইমরান খানের যত সুসম্পর্কই থাক, সেটা যে টিকবে, তার নিশ্চয়তা তাহলে কতখানি। পাকিস্তানি সাংবাদিক হামিদ মীর মনে করছেন ইমরান খান এরকম বিরোধ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবেন।

"আমার মনে হয় না ইমরান খান নওয়াজ শরিফের পদাংক অনুসরণ করবেন। তিনি সেনাবাহিনীর সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখার চেষ্টা করবেন। যদি সেনাবাহিনী এবং বিচার বিভাগ তাকে সমস্যা মোকাবেলায় সাহায্য করে, তাহলে কেন তিনি তাদের সঙ্গে লড়াই করতে যাবেন। আমি কোন সমস্যা এখানে দেখছি না।"

তবে অধ্যাপক আলী রীয়াজ মনে করেন, সেনাবাহিনী এবং ইমরান খানের সমঝোতা কতদিন টিকবে সেটা অনেকখানি নির্ভর করবে সন্ত্রাসবাদ এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে তারা কতদিন একমত তবে অধ্যাপক আলী রীয়াজ মনে করেন, সেনাবাহিনী এবং ইমরান খানের সমঝোতা কতদিন টিকবে সেটা অনেকখানি নির্ভর করবে সন্ত্রাসবাদ এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে তারা কতদিন একমত থাকতে পারেন তার ওপর। বিবিসি বাংলা



এ সম্পর্কিত খবর

২৩ মামলা মাথায় নিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী মতিয়ার রহমান গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে

২৩ মামলা মাথায় নিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী মতিয়ার রহমান গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর-কোটচাঁদপুর) আসনটি জাতীয় সংসদের ৮৩নং আসন। এ আসনে দুই উপজেলা মিলে

মোবারকগঞ্জ চিনিকল যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আবারো বন্ধ

মোবারকগঞ্জ চিনিকল যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আবারো বন্ধ

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ চিনিকল যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আবারো বন্ধ হয়ে গেছে। শুক্রবার সকাল

জাতীয় প্রেসক্লাবের নতুন সভাপতি সাইফুল আলম, ফের সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন

জাতীয় প্রেসক্লাবের নতুন সভাপতি সাইফুল আলম, ফের সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন

এওয়ান নিউজ: জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক যুগান্তরের সাইফুল আলম এবং সাধারণ


নতুন ভোটারদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের অঙ্গীকার শেখ হাসিনার

নতুন ভোটারদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের অঙ্গীকার শেখ হাসিনার

এওয়ান নিউজ: আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে নিয়ে নবীন প্রজন্মের ভোটারদের আকাঙ্ক্ষা

নাতনি সারা আলি খানের অভিনয়ে মুগ্ধ শর্মিলা ঠাকুর

নাতনি সারা আলি খানের অভিনয়ে মুগ্ধ শর্মিলা ঠাকুর

বিনোদন প্রতিবেদক: নাতনি সারা আলি খানের প্রথম সিনেমা 'কেদারনাথ'। আর সেই কারণে সিনেমা মুক্তি পাওয়ার

কানাডার খনিতে ৫২২ ক্যারেটের দুর্লভ হীরা! 

কানাডার খনিতে ৫২২ ক্যারেটের দুর্লভ হীরা! 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক: কানাডার বরফঢাকা এক খনিতে দুর্লভ হীরকখণ্ডের সন্ধান মিলেছে। ৫৫২ ক্যারেটের ওই


চলে গেলেন চিত্রপরিচালক সাইদুল আনাম টুটুল

চলে গেলেন চিত্রপরিচালক সাইদুল আনাম টুটুল

বিনোদন ডেস্ক: চলে গেলেন ছোট ও বড় পর্দার জনপ্রিয় নির্মাতা এবং অভিনয়শিল্পী সাইদুল আনাম টুটুল।

ঢাকায় আফরোজা আব্বাস ও সালাহ্উদ্দিনের প্রচারণায় হামলা

ঢাকায় আফরোজা আব্বাস ও সালাহ্উদ্দিনের প্রচারণায় হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা-৯ আসনের বিএনপি প্রার্থী আফরোজা আব্বাস এবং ঢাকা-৪ সংসদীয় আসনের ধানের শীষের প্রার্থী

সাংসদ মানিক যার মিশে আছে নিশ্বাসে...

সাংসদ মানিক যার মিশে আছে নিশ্বাসে...

ভাল নাম- আবদুস সবুর, ডাক নাম- সরই, পিতা- ইন্তাজ আলী, গ্রাম- সিংচাপইড়, ইউপি- সিংচাপইড়, উপজেলা-



আরো সংবাদ


একজন অরিত্রি এবং আমরা

একজন অরিত্রি এবং আমরা

০৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৯:৪৮

হত্যাকারী কে? স্কুল না আমাদের শখ

হত্যাকারী কে? স্কুল না আমাদের শখ

০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১০:৩৫

গোরাবা ফান্ড কেটে পঙ্খীরাজে উড়া

গোরাবা ফান্ড কেটে পঙ্খীরাজে উড়া

০৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৯:০৪


আম্মার চোখে আমরা আগন্তকের মত

আম্মার চোখে আমরা আগন্তকের মত

২৪ নভেম্বর, ২০১৮ ১৩:১১

আম্মার চোখে আমরা আগন্তকের মত

আম্মার চোখে আমরা আগন্তকের মত

২৪ নভেম্বর, ২০১৮ ১৩:১১

তারা কি সাক্ষীগোপাল হয়েই থাকবে?

তারা কি সাক্ষীগোপাল হয়েই থাকবে?

২৪ নভেম্বর, ২০১৮ ১২:৫০

এরশাদের জায়গায় বি চৌধুরী

এরশাদের জায়গায় বি চৌধুরী

২২ নভেম্বর, ২০১৮ ১২:৩৫

প্রিয় ঢাকা নগরীর কিছু খণ্ডচিত্র

প্রিয় ঢাকা নগরীর কিছু খণ্ডচিত্র

১৯ নভেম্বর, ২০১৮ ১৪:৪০

‘আমি কোন কূল হতে কোন কূলে যাব…’

‘আমি কোন কূল হতে কোন কূলে যাব…’

১৭ নভেম্বর, ২০১৮ ১৪:৫৫



ব্রেকিং নিউজ










সাতক্ষীরায় ১৪ প্লাটুন বিজিবি

সাতক্ষীরায় ১৪ প্লাটুন বিজিবি

১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২২:৫৩