মঙ্গলবার 16 জুলাই 2019 - ১, শ্রাবণ, ১৪২৬

কাশ্মীর যেন ‘ভূস্বর্গ ভয়ংকর’

ঢাকা | প্রকাশিত ১৩ নভেম্বর, ২০১৮ ১০:৩৭:৩৮

আরিফুল হুদা আশিক: ‘আগার ফেরদৌস বে-রোহী যামীন আস্ত্। হামীন আস্ত্, হামীন আস্ত্, হামীন আস্ত্। অর্থাৎ পৃথিবীতে কোনো বেহেশত থেকে থাকে, তাহলে তা এখানে, এখানে, এখানে।’

ফার্সি ভাষায় এ কথাটি বলেছিলেন মোগল বাদশাহ জাহাঙ্গীর। কাশ্মীরকে প্রথম তুলনা করেছিলেন স্বর্গের সঙ্গে। কাশ্মীর হিমালয়ান পর্বতমালার সবচেয়ে বড় উপত্যকা, তাই কাশ্মীরকে বলা হয় ভূ-স্বর্গ।

কাশ্মীর নিয়ে লেখা প্রচুর ভ্রমণ কাহিনী পড়া ছিলো আগে থেকে। ভ্রমণ কাহিনী লেখিকা সেগুফতা শারমীনের লেখা পুরো বই-ই আছে কাশ্মীর নিয়ে- ‘ভালো থেকো কাশ্মীর’। সুন্দর বই। আরও অনেক ভ্রমণকাহিনীও পড়া হয়েছে ফেসবুক এর কল্যাণে। তবে কাশ্মীর বিষয়ক সবচেয়ে প্রিয় বই সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা সিরিজের ‘ভূস্বর্গ ভয়ংকর’।

ফেলুদার বই থেকেই জানতে পারি, ডাল লেকের নৌকাসদৃশ বাসায় (হোটেল) রাতে থাকা যায়। যাকে বলে "হাউসবোট", বোটহাউস না। ডাল লেকের ওপর যে নৌকাগুলো নৌকাভ্রমণ ও কেনাকাটার জন্য ব্যবহার করা হয়, তাদের বলে "শিকারা"। আরও অনেক কিছু। তবে বই পরে তো আর বাস্তব ভ্রমণের মজা পাওয়া যায় না। কোনো জায়গাকে সঠিকভাবে জানতে হলে সেই জায়গা ভ্রমণের কোনো বিকল্পও এখনও আবিস্কার হয়নি। তাই এবারের স্বশরীরে কাশ্মীর ভ্রমণ কাশ্মীর সম্পর্কে একটা পরিস্কার ধারণা দিয়েছে আমাকে।

পরিকল্প আঁটানো হয় যেভাবে!

পরিকল্পনাটা খুব বেশি দিনের না। আমার বড় ভাই; একদিন হঠাৎ বলল, চল কাশ্মীর ঘুরে আসি। এই এক বাক্যের কথা থেকেই পরিকল্পনা শুরু।

ইন্টারনেট থেকে বিভিন্ন ওয়েবসাইট,ফেসবুক ট্রাভেল গ্রুপের পোস্ট থেকে সংগ্রহ করে একটা ট্যুর প্লান বানালাম। যাদের লেখা থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছি আলাদা করে ক্রেডিট না দিয়ে সবাইকে একসাথে ধন্যবাদ জানাই তাদের দেওয়া তথ্যের জন্য আমাদের এই ট্যুর পরিকল্পনা করা সহজতর হয়েছে।

প্ল্যান টাকে আরো ভালো করার জন্য আগেই মোবাইলে থাকা TripAdvisor আর Google Trips দিয়ে পড়াশুনা করে ফেললাম। ফ্লাইট আর হোটেল বুকিং এর কথা ভেবে ডাউনলোড করে নিলাম এগোডা, মেক মাই ট্রীপ, ক্লিয়ার ট্রীপ আর বুকিং ডট কম নামের কিছু অ্যাপস।

আমি চেষ্টা করি ভ্রমণের তথ্য হোক সঠিক, নির্ভুল এবং নিঃস্বার্থ। আমার এই পোস্টে নিজের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এমন ভাবে শেয়ার করেছি যে কিভাবে কাশ্মীর ভ্রমণে যাবেন সেটার সম্পূর্ণ ধারনা পাবেন আশা করছি।

ভিসা প্রসেস, বর্ডার ক্রস, যাতায়াত, হোটেল, খাবার, খরচ, আবহাওয়া, সময় বন্টন ইত্যাদি চেষ্টা করব যতটা ডিটেইলস এ বলা যায়। ভ্রমণ অভিজ্ঞতাটি কয়েকটি খণ্ডে বিভক্ত করা হল। ভ্রমণের মোট খরচের হিসাব জানতে আপনাকে শেষ খন্ড পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সবাইকে অনুরোধ করবো, ধৈর্য্য ধরে আমার লেখা পড়ার জন্য। আর ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

কাশ্মীর সম্পর্কে একটুখানি জানি

শ্রীনগর। কাশ্মীরের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী শ্রীনগর আর শীতকালীন রাজধানী জম্মু। কাশ্মীর ঘুরে দেখার জন্য প্রথমেই শ্রীনগর যেতে হবে। জম্মু ও কাশ্মীর হল দক্ষিণ এশিয়ার মুসলিম অধ্যুষিত একটি বিতর্কিত অঞ্চল। জম্মু ও কাশ্মীর ২২টি জেলা ও ৩টি বিভাগে বিভক্ত। বিভাগ তিনটি হলঃ জম্মু বিভাগ, লাদাখ বিভাগ, কাশ্মীর উপত্যকা বিভাগ।

জম্মু ও কাশ্মীর এর মালিকানা নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিবাদ রয়েছে, যদিও বর্তমানে এটি ভারতের দখলকৃত একটি রাজ্য। এই রাজ্যের দক্ষিণে ভারতের হিমাচল প্রদেশ ও পাঞ্জাব রাজ্য দুটি অবস্থিত। জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের উত্তরে ও পূর্বে গণচীন অবস্থিত। এই রাজ্যের পশ্চিমে ও উত্তরপশ্চিমে লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোলের ওপারে কাশ্মীরের পাকিস্তান-শাসিত অংশ আজাদ কাশ্মীর ও গিলগিত-বালতিস্তান অবস্থিত।

হিমালয়ান পর্বতমালার দুটি রেঞ্জের মধ্যবর্তী একটি উপত্যকা মূলত কাশ্মীর। কাশ্মীরের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার। বানিহাল থেকে বারামুলা। আর প্রস্থে ৪২ কিলোমিটার। এ উপত্যকার একপাশে হিমালয়ের মাঝারি পর্বতমালা Middle Himalayans, অন্য পাশে সুউচ্চ পর্বতমালা (Greater Himalayans)। মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে ঝিলাম (জেহলাম) নদী। দক্ষিণে অনন্তনাগ (স্থানীয়ভাবে বলে ইসলামাবাদ), সোপিয়ান, কুলগাম ও পুলওয়ামা; মধ্যখানে বাডগাম ও গ্যান্ডারবাল ও শ্রীনগর এবং উত্তরে বারামুলা, বান্ডিপুরা ও কপুওয়ারা। এই দশটি প্রশাসনিক জেলায় বিভক্ত এ উপত্যকা। ভৌগোলিকভাবে তিন ভাগে ভাগ করা হয়: সেন্ট্রাল, নর্থ ও সাউথ।

লোককথা অনুযায়ী, "কাশ্মীর" মানে হল "শুষ্ক ভূমি" (সংস্কৃতেঃ কা = জল এবং শীমিরা = শুষ্ক)। দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে কলহন-এর লেখা কাশ্মীরের ইতিহাস "রাজতরঙ্গিণী" থেকে জানা যায় যে কাশ্মীর উপত্যকা পূর্বে একটি হ্রদ ছিলো। হিন্দু পুরাণে বর্ণনা করা আছে সৃষ্টির দেবতা ব্রহ্মার পৌত্র মহাঋষি কশ্যপ বারামূলা (বরাহমূল) পাহাড়ের একাংশ কেটে হ্রদের জল নিষ্কাশন করেন। কাশ্মীর সম্পূর্ণ শুকিয়ে যাওয়ার পর কশ্যপ ব্রাহ্মণদের সেখানে বসতি স্থাপন করা্র জন্য আমন্ত্রণ করেন। এই কাহিনী স্থানীয় ঐতিহ্যে আজও রয়ে গেছে, এবং এই অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থাও অনেকটাই সমর্থন করে । কশ্যপের সাথে হ্রদ নিষ্কাশণের যোগাযোগ ঐতিহ্যগত ইতিহাসেও পাওয়া যায়, যা বোঝা যায় উপত্যকায় বসবাসকারীদের প্রধান শহরের নাম "কশ্যপ-পুরা" থেকে, যার উল্লেখ আছে হেকাটেউস লেখায় কাস্পাপাইরস বা হেরোডোটাসের লেখায় কাস্পাটাইরস নামে। টলেমি তাঁর লেখা কাশ্মীরকে "কাস্পেইরিয়া" নামে নির্দেশ করেছেন। ষষ্ঠ শতাব্দীতে ভারতে আসা চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং-এর লেখা জানতে পারা "কাশ-মি-লো" রাজ্যের কথা যার অস্তিত্ব ছিল প্রথম শতাব্দী থেকে।

ইতিহাস

মোগল শাসকদের পরবর্তীতে আফগান শাসনের অধীনে ছিল কাশ্মীর, যদিও আফগান শাসন দীর্ঘস্থায়ী হয় নি। ১৮১৯ সালে কাশ্মীর দখল করে শিখরা। শিখদের মূল দরবার ছিল লাহোরে। শিখ সাম্রাজ্যের রাজা ছিলেন রঞ্জিত সিং। এই সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল জম্মুর ডোগরা জমিদার গুলাব সিং। কিন্তু ডোগরা জমিদারেরা ব্রিটিশদের তোষামোদ করতে ব্যস্ত ছিল। ঐ সময় ভারতের বিস্তর অংশই ছিল ব্রিটিশদের দখলে। ১৮৩৯ সালে রঞ্জিত সিং মারা গেলে দুর্বল হয়ে পড়ে শিখ সাম্রাজ্য। ১৮৪৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর ব্রিটিশ জেনারেল লর্ড হার্ডিঞ্জ শিখদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। যুদ্ধে গুলাব সিং শিখদের কোন প্রকার সাহায্য করে নি, যদিও সে শিখ সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল।

প্রথম ব্রিটিশ শিখ যুদ্ধে ব্রিটিশরা বিজয়ী হয় এবং একই সাথে শিখ সাম্রাজ্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর অন্তর্গত হয়। ব্রিটিশদের প্রতি আনুগত্য প্রকাশের পুরস্কার হিসেবে ১৮৪৬ সালের ১৬ মার্চ, অমৃতসরে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। উক্ত চুক্তি অনুযায়ী ৭৫ লাখ রুপির বিনিময়ে গুলাব সিংকে কাশ্মীর সহ কয়েকটি পাহাড়ি জেলার মালিকানা দেয় ব্রিটিশ সরকার। চুক্তি অনুসারে ওখানকার মানুষগুলো মূলত হয়েছিল কেনা বেচা। গুলাব সিং খুশি হয়ে প্রতি বছর একটা ঘোড়া, ১২ টা ছাগল এবং তিন জোড়া কাশ্মিরী শাল প্রদান করত ব্রিটিশ সরকারকে। কাশ্মীরের এই কেনা বেচাকে মহাত্মা গান্ধী ‘ডিড অব সেল’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।

১৯৪৭ সালে, ব্রিটিশরা যখন বিদায় নেয় তখন তারা ৫৬২ টি প্রিন্সলি স্টেটকে হয় ভারত নয় পাকিস্তানে যোগ দিতে বলে। ভারতের স্টেট গুলো ভারতে এবং পাকিস্তানের গুলো পাকিস্তানে যোগ দেয়। কিন্তু ৩ টি স্টেট স্বাধীন থাকতে চেয়েছিল। হায়দ্রাবাদ, জুনগর এবং জম্মু ও কাশ্মীর। এদের মধ্যে হায়দ্রাবাদ এবং জুনগর ছিল হিন্দু সংখ্যা গরিষ্ঠ কিন্তু তাদের রাজা ছিল মুসলিম। জনগণ বিক্ষোভ করে ভারতে যোগদান করার জন্য, ফলে ভারতীয় সেনাবাহিনী এ্যাকশনে যায় এবং দখল করে নেয়। পরবর্তীতে গন ভোটের মাধ্যমে বৈধতা হাসিল করে নেয়।

অপরদিকে, জম্মু এবং কাশ্মীরের জনসংখ্যা ছিল মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ কিন্তু রাজা ছিল হরি সিং। হরি সিং শুরুতে স্বাধীন থাকতে চেয়েছিলেন এবং একই সাথে নেহেরু ও জিন্নাহ সাথে দেন দরবারও করছিলেন। হরি সিং কাশ্মীরকে এশিয়ার সুইজারল্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন। কাশ্মীরকে পাকিস্তানের অংশ করতে জিন্নাহ ছিল বেশ আত্মবিশ্বাসী। তিনি কাশ্মীরকে তার পকেটে রাখা ‘ব্লাঙ্ক চেক’ বলে আখ্যায়িত করেন। রাজা হরি সিং এর উপর নেহেরুর আস্থা ছিল কম। নেহেরু, জেলে বন্দি শেখ আবদুল্লার মুক্তি চাচ্ছিল। স্বাধীন হবার ১৩ দিন পূর্বে রাজা হরি সিং পাকিস্তানের সাথে ‘স্ট্যান্ড স্টিল’ চুক্তি সাইন করে। কিন্তু ভারত এই চুক্তিতে একমত হয়নি।

দুটি নতুন দেশ জন্ম হবার ফলে বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলিম-শিখ-হিন্দু দের মধ্যে দাঙ্গার সৃষ্টি হয়। কাশ্মীরেও একই পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে মুসলিম উপজাতিরা পাকিস্তানে পলায়ন করতে থাকে। এই ঘটনায় পাকিস্তান ক্ষুব্ধ হয়ে পাহাড়ি নন স্টেট বাহিনীকে কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রেরণ করেন, ২২ শে অক্টোবর। কারণ চুক্তির কারণে সেনাবাহিনী সরাসরি আক্রমন করতে পারে নাই। বাহিনীর আক্রমনে কাশ্মীরের অধিকাংশ অঞ্চল রাজার নিয়ন্ত্রণেরও বাইরে চলে যায়। তারই প্রতিক্রিয়ায় মহারাজা হরি সিং ভারতের সাহায্য প্রার্থনা করেন। শেখ আবদুল্লাহ (কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী নেতা) পরাশর্মক্রমে ভারতের সাথে চুক্তি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কিন্তু ভারত সরকার তাদের সাথে যুক্ত হবার শর্ত জুড়ে দেয় এবং রাজা হরি সিং তা মেনে নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় স্বাক্ষরিত হয় ‘ইন্সট্রুমেন্ট অবেসেশন’।

পাকিস্তান এই চুক্তিকে মেনে নেয় নি, তারা দাবি করে চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে হরি সিংকে বাধ্য করা হয়েছে চুক্তি করতে। চুক্তির পর দিন ভারত তার নিয়মিত সৈন্য বাহিনী প্রেরণ করে এবং নন স্টেট বাহিনীকে হটিয়ে কাশ্মীরের দখল নেয়। একই সময় পাকিস্তানও তাদের সেনাবাহিনী প্রেরণ করে। ফলে স্বাধীন হবার প্রথম বছরেই যুদ্ধ বেঁধে যায় দুটি নতুন দেশের মধ্যে। চুক্তি অনুসারে হরি সিং কাশ্মীরে পূর্ণ স্বায়ত্তত্বশাসন চেয়ে নেন এবং শেখ আবদুল্লাহকে অন্তর্বর্তী কালীন সরকারের প্রধান ঘোষণা করেন। এই যুদ্ধের ফলে কাশ্মীর দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এক অংশ চলে যায় ভারতের নিয়ন্ত্রণে। যার নাম হয় জম্মু এবং কাশ্মীর এবং পাকিস্তানের অংশের নাম হয় আজাদ কাশ্মীর।



এ সম্পর্কিত খবর

ঘুষ দাতা-গ্রহীতা উভয়কেই ধরা হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

ঘুষ দাতা-গ্রহীতা উভয়কেই ধরা হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

এওয়ান নিউজ: ঘুষ দাতা-গ্রহীতা উভয়কেই ধরা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন,

শৈলকুপায় ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি ওড়ানো প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

শৈলকুপায় ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি ওড়ানো প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহঃ শহরের কোলাহল থেকে একটু শান্তির পরশ আর বিনোদন পেতে দুপুর থেকেই ঝিনাইদহের

দুইশত বছরের স্মৃতিবিজড়িত ’ঢালচর’ মেঘনায় বিলীনের পথে  

দুইশত বছরের স্মৃতিবিজড়িত ’ঢালচর’ মেঘনায় বিলীনের পথে  

কামরুজ্জামান শাহীন,ভোলা: ভোলা জেলার চরফ্যাসন উপজেলার সর্ব দক্ষিণে দক্ষিণ আইচা থানার অন্তরগত বঙ্গোপসাগরের কোল গেষে


তেহরানের স্বার্থে কোনো কাজ করার প্রয়োজন নেই ওয়াশিংটনের: জারিফ

তেহরানের স্বার্থে কোনো কাজ করার প্রয়োজন নেই ওয়াশিংটনের: জারিফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাওয়াদ জারিফ

মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে কেন উদ্বেগে থাকেন মায়েরা

মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে কেন উদ্বেগে থাকেন মায়েরা

এওয়ান নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে একজন মা যখন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকেন, তখন তার দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে

২৮ বছর পূর্তিতে তিন শতাধিক রোগীকে ফ্রি চিকিৎসা দিল আল-আমিন সোসাইটি

২৮ বছর পূর্তিতে তিন শতাধিক রোগীকে ফ্রি চিকিৎসা দিল আল-আমিন সোসাইটি

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবার জন্য চিকিৎসা নিশ্চিতের যে কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন আল-আমিন সোসাইটি ফ্রি চিকিৎসা দিয়ে


হাবিব-উন নবী সোহেলের মেয়ের আবেগঘন স্ট্যাটাস

হাবিব-উন নবী সোহেলের মেয়ের আবেগঘন স্ট্যাটাস

এওয়ান নিউজ: গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে গ্রেফতার হন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হাবিব-উন নবী সোহেল।তখন থেকেই

কাশ্মীরে বর্বরতা ভারতের গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় কলঙ্ক: অমর্ত্য সেন

কাশ্মীরে বর্বরতা ভারতের গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় কলঙ্ক: অমর্ত্য সেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ‘অধিকৃত কাশ্মীরে নয়াদিল্লি যে নৃশংসতা চালাচ্ছে তা ভারতের গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় কলঙ্ক।’ শনিবার

ওজিলের বিয়েতে প্রধান অতিথি এরদোগান, জার্মানে সমালোচনা  

ওজিলের বিয়েতে প্রধান অতিথি এরদোগান, জার্মানে সমালোচনা  

স্পোর্টস ডেস্ক: এক বছরের প্রেমকে গতকাল শুক্রবার পরিণয়ে রূপ দিলেন জার্মানির সাবেক বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার মেসুত



আরো সংবাদ



তারুণ্যের ঈদ ফ্যাশন

তারুণ্যের ঈদ ফ্যাশন

৩১ মে, ২০১৯ ১৬:৫৯








৩০ ফুট লম্বা পাঞ্জাবি!

৩০ ফুট লম্বা পাঞ্জাবি!

২২ মে, ২০১৯ ১১:৪৮



ব্রেকিং নিউজ