আয়-রোজগারহীন গ্রাহকের উপর করের বোঝা ‘জুলুম’

প্রকাশিত

বর্তমান মহামারিতে কর্মহীন গ্রাহক সরকারের দেওয়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরে বসে কাজকর্ম করছেন। বিশ্বের অন্যান্য দেশ গ্রাহকদের নিরবিচ্ছিন্ন, দ্রুত গতির ইন্টারনেট ও সাশ্রয়ী মূল্য প্রাপ্তিতে কাজ করে যাচ্ছেন। সে সময়ে আমাদের ডিজিটাল সরকার ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে টেলিযোগাযোগ সেবায় সম্পুরক শুল্ক ৫ শতাংশ বাড়িয়ে দিয়েছে। যা কিনা আয় রোজগারহীন গ্রাহকের উপর অতিরিক্ত করের বোঝা ‘জুলুম’ বলে মন্তব্য করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, পূর্বেই এ খাতে গত ৫ বছরে ৫ বার কর বাড়িয়ে সরাসরি গ্রাহকের কাছ থেকে ২৮.৫০% আদায় করা হতো। এবার আরো ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করার ফলে গ্রাহকের কাছ তেকে ১০০ টাকায় ৩৩.৭৫ টাকার সাথে অপারেটরদের ওপর আরোপিত কর আদায় করা হবে প্রায় ৩০ টাকা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী দেশের একজন ভিক্ষুকও টেলিযোগাযোগ ব্যবহার করে।

তাই, সরকারকে ভাবতে হবে, অতিদরিদ্র ব্যক্তি বা পরিবার যারা বর্তমানে উপার্জনহীন তাদের কাছ থেকে উচ্চ কর আদায় করা কতটুকু সমিচীন হবে। এ সেবায় এমনিতেই নৈরাজ্য চলছে, তার ওপর অতিরিক্ত কর বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়াবে।

তিনি বলেন, সব থেকে দুঃখের বিষয় উৎসাহজনক সকলের জন্য ব্যবহারযোগ্য খাতকে তামাক, মাদক ও উচ্চ বিলাসী পণ্যের কাতার রাখা হয়েছে। এ কর অব্যাহত থাকলে সরকারের রাজস্ব না বাড়লেও একটি অপারেটর আরো অধিক নৈরাজ্য সৃষ্টি করে মুনাফা লুটবে। অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান টেলিটক আতুর ঘরে পৌঁছাবে।

তাই, সরকারের কাছে আমাদের দাবি আরোপিত কর বাতিল করা হোক। অন্যথায়, গ্রাহকরা বিকল্প পথে হাটলে তার দায়ও সরকারকেই নিতে হবে।