ইশরাকের গণসংযোগ বেগম জিয়ার মুক্তির আন্দোলনে পরিণত

প্রকাশিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের গণসংযোগ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপি দীর্ঘদিন যাবত ঢাকার রাজপথের বেগম জিয়ার মুক্তির দাবিতে প্রকাশ্যে কোনো মিটিং মিছিল করতে না পারলেও ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের প্রচারণার প্রথম দিনেই কয়েক হাজার নেতাকর্মী নিয়ে বড় ধরনের শোডাউন করেন বিএনপির এই মেয়র প্রার্থী। সেখানে ধানের শীষে ভোট না চেয়ে নেতা-কর্মীরা দলের কারাবন্দি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্ত স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন।সেই ধারাবাহিকতা দেখা যায় ইঞ্জিনিয়ার শেখ হাসিনার পরবর্তী গণসংযোগগুলোতেও।

এরই ধারাবাহিকতায় আজ একাদশতম দিনের প্রচারণা শুরু করেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী। সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সামনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য মাধ্যমে গণসংযোগ শুরু করেন তিনি। এসময় তিনি কয়েক হাজার নেতাকর্মী সাথে নিয়ে সেগুনবাগিচা, শিল্পকলা দুদকের গেট, কাকরাইল মোড় হয়ে শান্তিনগর এলাকায় গণসংযোগ করেন। এ সময় তার সাথে থাকা কয়েক হাজার নেতাকর্মী ‘মুক্তি মুক্তি মুক্তি চাই খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই’ স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন পুরো এলাকা। এসময় তারা আরো স্লোগান দেন ‘রাজপথ ছাড়ি নাই খালেদা জিয়ার ভয় নাই’, ‘খালেদা জিয়ার কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’, ‘মাগো তোমার একটি ভোটে খালেদা জিয়া মুক্তি পাবে’।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেন, আমরা নির্বাচনে গিয়েছি একটি আন্দোলনের অংশ হিসেবে। এই ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও বিএনপির নির্বাহী সদস্য রাজিব হাসান বলেন আন্দোলনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার।

তিনি বলেন, ঢাকাবাসীসহ সারাদেশের মানুষ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত চায়। তারা চায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হোক ও জনগণ তাদের ভোটাধিকার ফিরে পাক। আর জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণের একটি সুযোগ হল ১ ফেব্রুয়ারি। এই দিন দেশবাসী ধানের শীষে ভোট দেয়ার মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার ফিরে পাবে এবং গণতন্ত্রের মুক্তি হবে ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পাবে।

ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রাজিব আহসান বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যে অন্যায়ভাবে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে এটা এদেশের মানুষ মানতে পারে না তাই তারা যখন সুযোগ পায় তখনই তার মুক্তির স্লোগান নিয়ে রাজপথে নেমে যায়। এরই অংশ হিসেবে নির্বাচনী গণসংযোগগুলোতে জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রাণের দাবি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির স্লোগান তারা দিয়ে থাকেন। তিনি বলেন আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি বিজয়ের লক্ষ্যে। এই নির্বাচনে বিজয়ের মাধ্যমে আমরা আমাদের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনকে আরো ত্বরান্বিত করে তুলবো।

ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, এই সরকার জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে ১ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের সেই জবাব দেবে। এই নির্বাচনে আমরা শুধু একটি নির্বাচন হিসেবে অংশগ্রহণ করেনি। এই নির্বাচনকে আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখছি। এই নির্বাচনে বিজয়ের মাধ্যমে আমরা আমাদের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করে তুলবো।