ঈদের আনন্দ নেই ভোলার উপকূলীয় এলাকার পরিবারগুলোর

প্রকাশিত

কামরুজ্জামান শাহীন,ভোলা: ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর ইউনিয়নের বাসিন্দা জেলে জসিম বলেন হামাগো(আমাগো) আবার ঈদ। একদিকে মহামারী করোনা ভাইরাস আর অন্যদিকে সাইক্লোন আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্থ ভোলার উপক‚লে দরিদ্র পরিবারে নেই ঈদের আনন্দ। কর্মহীন পরিবার তাদের ছেলে-মেয়েদের কিনে দিতে পারেনি নতুন জামা-কাপড়। কেউ আবার নতুন করে ঘর তুলতে পারেনি এখন। আম্ফানে বসতঘর, ফসল, পুকুরের মাছ হারিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন এসব পরিবারগুলো। সরকারি-বেসরকারিভাবে ত্রাণ তৎপরতা চললেও অনেক পরিবার এখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। তুলতে পারেনি নতুন ঘর।

বিশেষ কওে ভোলার ম‚ল ভ‚-খন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপচর ও বাঁধে আশ্রিত ছিন্নমুল মানুষের যেন কষ্টের শেষ নেই। বিবর্ণ হয়ে গেছে তাদের ঈদ আনন্দ। জেলে ও দিনমজুর ছাড়াও মানতা এবং বেদে পরিবারেও চলছে অভাব-অনাটন।

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আঃ সালাম হাওলাদার বলেন, ঝড়ে সম্পূর্ণ ও আংশিক মিলিয়ে শতাধিক পরিবার ¶তিগ্রস্থ হয়েছে। তাদের ঈদ আনন্দ নেই বললেই চলে। মহামারী করোনা এবং ঝড় দুটোই ক্ষতিগ্রস্থ করেছে এসব দরিদ্র পরিবারগুলোকে। সরকারি-বেসরকারি পর্যায় থেকে তাদের মাঝে কিছু ত্রাণ দেওয়া হয়েছে। অনেক পরিবার কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।

চর কুকরী-মুকরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মহাজন বলেন, সাইক্লোন আম্ফান ঝড়ে চর পাতিলায় ২০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তাদের ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে সরকারি হিসাবে, ভোলায় সাইক্লোন আম্ফানে ৩৩২টি ঘর সম্প‚র্ণ ও ১ হাজার ৬ শত ঘর আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়াও রাস্তা-সড়ক,মাছের ঘের ও বাঁধের ৫০ কিলোমিটার এবং ৬ হাজার কৃষি ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।