বিভাগ - বিনোদন

ওর জন্য সব করতে পারি,ভাগাভাগির কিছুই নেই: অপু বিশ্বাস

প্রকাশিত

বিনোদন ডেস্ক: ভালোবেসে ২০০৮ সালে বিয়ে করেছিলেন। লোকচক্ষুর আড়ালে সেই সংসার টিকে ছিলো ১০ বছর। বহু ঘটনা ও নাটকের জন্ম দিয়ে ২০১৮ সালে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস দম্পতির।

ঢাকাই সিনেমার সুপারহিট জুটি ছিলেন শাকিব-অপু। এখন পর্যন্ত তাদের ৭৩টি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। যেগুলোর প্রায় সবই সুপারহিট। সিনেমা করতে গিয়েই কাছাকাছি আসা। সেখান থেকে বন্ধুত্ব-প্রেম ও পরিণতিতে বিয়ে।

তাদের সংসারে জন্ম নিয়েছে এক পুত্র সন্তান। তার নাম আব্রাহাম খান জয়। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর মায়ের সঙ্গেই থাকছে জয়। তার দেখাশোনা, পড়াশোনা সব দায়িত্বই পালন করছেন মা। এমনকী ছেলের কোনো খরচও দিচ্ছেন না শাকিব, জানালেন অপু।

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের আয়োজনে তারকাদের আড্ডানুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন ঢালিউড কুইন খ্যাত অপু বিশ্বাস। এখানে অপুকে প্রশ্ন করা হয় সুপারস্টার শাকিবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ছেলের দায়িত্বগুলো তারা কীভাবে ভাগাভাগি করছেন?

জবাবে অপু বলেন, ‘ভাগাভাগির কিছুই নেই। সব দায়িত্বই আমাকে পালন করতে হচ্ছে। এমনকী ছেলের সবরকম খরচও আমাকেই দিতে হচ্ছে। শাকিব আসলে ছেলের জন্য কোনো খরচ কখনোই দেয়নি। ওর কাছ থেকে একটা প্রয়োজনে আমি ১০ লাখ টাকা নিয়েছিলাম। তখন আমাদের সম্পর্ক ভালো ছিলো। স্বামী-স্ত্রী আমরা।

পরে যখন জয় এলো তখন শাকিব ওই ১০ লাখ টাকা ছেলের খরচ হিসেবে দিয়েছে বলে দাবি করে সে। মানে সে বলে যে আমার আর তাকে ওই টাকাটা ফেরত দিতে হবে না। এটা সে ছেলের জন্য দিয়েছে। এই দেয়াটাকেই সবাই প্রচার করেছে যে ছেলে-বউয়ের খরচ দিচ্ছে শাকিব। আমিও কিছু বলিনি। কারণ টাকাটা ও আমার কাছে পায়। কিন্তু সত্যটা হলো ছেলে জন্মের পর ওর জন্য এক টাকাও সে নগদ দেয়নি।’

অপু আরও বলেন, ‘জয় আসার পর থেকেই আমাকে অনেক সংগ্রামের মুখে পড়তে হয়েছে। সাংবাদিক ও আমার পরিবার আমাকে মানসিক সমর্থনটা দিয়েছে ঠিকই। কিন্তু আর্থিক সাপোর্টটা আমি কোথাও থেকে পাইনি। নিজেকে যোগার করতে হয়েছে নানারকম বিজ্ঞাপন, সিনেমা ও শো থেকে।

ছেলের জন্য আমি সব করতে পারি। ওকে তো মানুষ করতে হবে। স্বামীর অনিচ্ছায় আমি ছেলেকে পৃথিবীর মুখ দেখিয়েছি। ওর জন্য নিরাপদ জীবনের ব্যবস্থা আমাকেই করতে হবে। শাকিব মাসে-বছরে একদিন একটা গিফট দেয়, হঠাৎ একদিন দেখা করতে আসে আর সেগুলো দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায়। কিন্তু আমার দায়িত্ব প্রতিদিনের।’