করোনা: সংকটময় মুহুর্তে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে উদাহরণ তৈরি করলেন জয়া

প্রকাশিত

বিশেষ প্রতিনিধি: বিশ্বব্যাপী নোভেল করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ প্রতিরোধে জনসচেতনামূলক কার্যক্রম নিয়ে রাজধানীর প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন লায়ন জয়া জাহান চৌধুরী। গত দু’দিন ব্যাপী তিনি ঢাকার ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, তেজগাঁও, গুলশান ও নিকেতন এলাকায় নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ও সাধারণ পথচারীদের মাঝে বিনামূল্যে কয়েক শতাধিক সেফটি মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করেছেন।

এসময় গণমাধ্যমের সাথে কথা হলে জয়া কন্সট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও লাইফ ইভেন্ট এর চেয়ারম্যান জয়া জাহান চৌধুরী বলেন, ‘আমি সাধারণ মানুষকে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সতর্ক করতে একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ে এসে মানুষকে সচেতন করার উদ্দেশ্যে মাস্ক, হ্যান্ড ক্লিনার এ্যালকোহল প্যাড ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করেছি। যেহেতু, আমাদের জনবহুল দেশে করোনা সংক্রমণ রোধে সবচেয়ে বেশি জরুরি জনসচেতনতা। একমাত্র জনসচেতনতাই পারে ভয়ংকর করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করতে।’

এছাড়াও অসাধু ব্যবসায়ীরা অনেকেই স্যানিটাইজার পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেওয়ায়। বাজারেও এসব প্রস্তুতিমূলক পণ্য পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষেরা এসব উপাদান কিনতে পারছে না। তাদের হাতে আমার সামর্থ্য অনুযায়ী স্যানিটাইজার পণ্য পৌঁছাতে চেষ্টা করছি।’

তিনি আরো বলেন,‘বিশ্বে করোনা ভাইরাসের বিস্তার এবং এর প্রভাবে বাংলাদেশও এখন স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছে। সুতরাং ধনবানদের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত। দেশের স্বার্থে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথা জানান তিনি।’

প্রসঙ্গত, বিশিষ্ট সমাজকর্মী ও কথা সাহিত্যিক লেখক জয়া জাহান চৌধুরী এর আগেও রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও বিভিন্ন এতিমখানায় ছিন্নমূল শিশুদের সাহায্য সহযোগিতা করেছেন। ছিলেন বন্যার্ত মানুষের পাশে । মহান আল্লাহ সবাইকে হেফাজতে রাখুক এমন প্রত্যাশা জানিয়ে তিনি অনুরোধ জানান, যে যার সামর্থ্য অনুযায়ী এই সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। এছাড়াও, সব সময় গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থাকা জয়া সেভ দ্য ফিউচার নামক এক সংগঠনের উপদেষ্টা হয়ে পথচারী শিশুদের নিয়ে কাজ করেন। মানব সেবায় নিয়োজিত থাকতে ভালোবাসেন। আর বলেন মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য।

error0