বিভাগ - সারাদেশ

কাউখালীতে এলাকাবাসির মানববন্ধন কর্মসূচি পালন

প্রকাশিত

কাউখালী(পিরোজপুর)সংবাদদাতা: পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরনের ভবন নির্মাণ কাজ দ্রুত সম্পন্নে দাবীতে এলাকাবাসি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। মঙ্গলবার কাউখালী উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উপজেলার সর্বস্তরের জনগন এর ব্যানারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মূখ চত্বওে মানববন্ধন ও সমাবেশ করে।

এতে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগী,জনপ্রতিনিধি স্থানীয় সচেতন এলাকাবাসিসহ দেড় শতাধিক মানুষ অংশ নেন। ঘন্টা ব্যাপী এলাকাবাসি প্লাকার্ডসহ অবস্থান নিয়ে ১০ বছর যাবত বন্ধ থাকা হাসপাতালের নির্মাণ অবকাঠামো সম্পন্নসহ হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করার প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও জনবল নিয়োগের দাবি জানান।

পরে কাউখালী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি আব্দুল লতিফ খসরুর সভাপতিত্বে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন, রাজু তালুকদার, কলেজ ছাত্র সাগর শীল,হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর অভিভাবক আঃ বারেক, প্রমূখ।

উল্লেখ্য,কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করনের লক্ষ্যে ২০০৭-২০০৮ অর্থ বছরে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্ধ দেয়। এতে হাসপাতালের সম্প্রসারিত নতৃন দ্বিতল ভবন নির্মান ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৪ইউনিটের ২টি নতুন আবাসিক ভবন নির্মান, একটি নতুন দ্বিতল বর্হিবিভাগ ভবন ও পুরনো হাসপাতাল ভবন এবং আবাসিক ভবনগুলো সংষ্কারের কাজ অন্তর্ভূক্ত। ৫০ শয্যায় উন্নীত করনের জন্য নতুন ভবন নির্মানসহ কাঠামো নির্মানের লক্ষ্যে যথারীতি দরপত্র আহবান করা হয় ২০০৮ সালের ২৫ আগষ্ট। ওই সময়ে মেসার্স নূরই এন্টারপ্রাইজ নামে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি নির্মান কাজ পায়। ২০০৮ সালের ২৫ আগষ্ট সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। কার্যাদেশের ১৮ মাসের মধ্যে সম্প্রসারিত কাঠামো নির্মান কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। সে অনুযায়ী ২০১০ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারীর মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল কিন্তু ১০ বছরেও শেষ হয়নি নির্মাণ কাজ।

উপজেলা উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি আঃ লতিফ খসরু বলেন এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি এই হাসপাতালে উন্নয়ন এব্যাপারে এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছেন। কিন্তু কাঙ্খিত ফলাফল আসেনি কোন তরফ থেকে। হাসপাতালের অবকাঠামো উন্নয়ন সহ চিকিৎসক সংকটে লক্ষাধীক মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমাদের এই দাবি মানা না হলে আগামীতে এলাকার মানুষ অনোসন সহ কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।