বিভাগ - সারাদেশ

কাউনিয়ায় রাস্তা ও ঘর নির্মানকে কেন্দ্র করে নানা গুঞ্জন

প্রকাশিত

কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি ঃ রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বালিকা বিদ্যালয় মোড় সংলগ্ন অন্নদানগর রোড পশ্চিম নিজপাড়া গ্রামের ৮নং ওয়ার্ডের মিমাংসিত জায়গায় একটি ঘর নির্মানকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে ওই গ্রামে গিয়ে জানা গেছে লাকী বেগম জমি ক্রয় করে বাড়ী নির্মানের কাজ শুরু করলে প্রতিবেশীরা যাতায়াতের নাম করে বাঁধার সৃষ্টি করে। বিষয়টি মিমাংসার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন ও থানায় অভিযোগ হলে ইউপি চেয়ারম্যান দফায় দফায় মিমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরবর্তিতে এলাকাবাসীর পক্ষে মোঃ ইউসুফ আলীর ২২/০১/১৯ তারিখের আবেদনের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ উলফৎ আরা বেগম রাস্তার সীমানা নির্ধারনের জন্য গত ২৪/১০/১৯ তারিখ সহকারী কমিশনার (ভুমি) জেসমিন নাহার কে সার্ভেয়ারসহ সরজমিন পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলেন। সহকারী কমিশনার (ভুমি) গত ০৭/১১/১৯ তারিখ সরজমিন তদন্ত করে গত ১০/১২/১৯ তারিখে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। তদন্তে তিনি বলেন লাকী বেগমের জমি রেকর্ড অনুযায়ী সঠিক আছে এবং ওই স্থানে কোনো রেকর্ডকৃত রাস্তা নেই বলে অভিযোগটি মিথ্যা বলে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপরও স্থানীয়রা রাস্তার দাবীতে তার ঘর নির্মানের কাজ বন্ধ করে দিলে তিনি উপায় অন্ত না পেয়ে গত ০৯/১০/১৯ তারিখ র‌্যাব-১৩ রংপুরে অভিযোগ দায়ের করলে র‌্যাব সদস্যরা এসে ৪ যুবককে ধরে নিয়ে যায়। এরপর থেকেই শুরু হয় প্রতিবেশীদের সাথে চরম উত্তেজনা। এরপর পরিস্থিতি সাভাবিক করার জন্য নির্বাহী অফিসার থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজিজুল ইসলামকে বিষয়টি উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে মিমাংসা করে দেয়ার কথা বললে ওসি গত ১৫/০১/২০ তারিখ এক পক্ষের কাছে শুনে পরবর্তিতে ১৫/০১/২০ উভয় পক্ষকে নিয়ে থানায় বসে বিষয়টি মিমাংসা করেন, এসময় বিবাদীরা লাকির ঘর করার কাজে কোন বাঁধা প্রদান করবে না মর্মে অঙ্গিকার করে। এর পর গত ১৭/০১/২০ তারিখে লাকি বেগম তার ঘরের কাজ শুরু করলে কেউ বাঁধা দেয়নি কিন্তু গত ১৮/০১/২০ তারিখ লাকি তার ঘরের চালের বাকি অংশ কাজ শুরু করলে হঠাৎ করে অরেঞ্জসহ ৪ যুবক এসে কাজের বাঁধা দিলে লাকি থানায় খবর দেন, থানা থেকে এসআই ওবায়দুর রহমান, এসআই আহসান, এসআই আক্তার ও কনসটেবল মোকছেদার রহমান ঘটনা স্থলে গেলে অরেঞ্জ সহ ওই যুবকদের সাথে বাক-বিতন্ডার এক পর্যায়ে যুবকরা পুলিশের উপর ক্ষিপ্ত হলে পুলিশ বাধ্য হয়ে ৪ যুবকের মধ্যে অরেঞ্জকে পুলিশর গাড়িতে উঠাতে গেলে গাড়ির রড তার নাকে লেগে রক্ত বের হয়। এ ঘটনায় ওসি আজিজুল ইসলাম এসআই আক্তার ও কনসটেবল মোকছেদার রহমান সতর্ক ভাবে অরেঞ্জ কে গাড়িতে না তোলার কারনে তাদের রংপুর পুলিশ লাইনে ক্লোজ করেন। একটি অমিমাংসিত ঘটনা ওসির নেতৃত্বে মিমাংসা হওয়ার পর ৪ যুবক কর্তৃক কাজে বাঁধা দেয়ায় ঘর করাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় নানা গুঞ্জন।