বিভাগ - জাতীয়

খন্দকার মোস্তাকের সবচেয়ে বিশ্বস্ত লোক ছিলেন জিয়া: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত

এওয়ান নিউজ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের সঙ্গে জিয়াউর রহমানের জড়িত থাকার অভিযোগ পূর্ণব্যক্ত করে বলেছেন, খন্দকার মোস্তাকের সবচেয়ে বিশ্বস্ত লোক ছিলেন জিয়া। তিনি বলেন, ‘জিয়া মোস্তাকের সবচেয়ে বিশ্বস্ত লোক ছিলেন বলেই তিনি তাকে সেনা প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। যদি বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের সঙ্গে জিয়া জড়িত না-ই থাকবেন, তবে খন্দকার মোস্তাক তাকে কেন সেনাপ্রধান বানিয়েছিলেন?’

প্রধানমন্ত্রী শনিবার বিকেলে রাজানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এই আলোচনা সভার আয়োজন করেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা স্বাধীনতাকে সমুন্বত রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি ভবিষ্যতে জনগণের ভাগ্য নিয়ে যেন কেউ আর ছিনিমিনি খেলতে না পারে সে জন্য সতর্ক থাকতে তরুণদের প্রতি আহবান জানান।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, দেশবাসীকে মনে রাখতে হবে যে বাংলাদেশের মাটিতে মীর জাফর ও খন্দকার মোস্তাকের মতো বিশ্বাসঘাতকরা জন্মেছিলেন এবং যুগে যুগে ‘খুনী জিয়ার’ মতো মানুষ আসতেই থাকবে। তিনি বলেন, ‘তাই যুবসমাজসহ বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম দায়িত্ব নিতে হবে এবং কেউ যেন মানুষের সঙ্গে ছিনিমিনি খেলতে না পারে সে জন্য সতর্ক থাকতে হবে।’

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনের পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু, ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস। এছাড়া অনুষ্ঠানে শহীদ আলতাফ মাহমুদের মেয়ে শাওন মাহমুদ, ঢাকা উত্তর নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, ঢাকা দক্ষিণ নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফী বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ১৫ আগস্ট হত্যাকান্ডে অন্যান্য শহীদ, জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।