বিভাগ - সারাদেশ

চুনারুঘাটে হচ্ছে  সর্ববৃহত্তম সাহিত্য ও সংস্কৃতি উৎসব

প্রকাশিত

মঈনুল হাসান রতন হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের ৩০ বছরপূর্তি উপলক্ষে পাঁচ দিনব্যাপী সাহিত্য-সংস্কৃতি উৎসবের আয়োজন করেছে। আগামী ১৭ থেকে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চুনারুঘাট ডিসিপি মাঠে পাঁচ দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠান চলবে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। পাঁচ দিনব্যাপী চলা এ অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের কবি-সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীগণ অংশগ্রহণ করবেন।পরিষদের সভাপতি সালেহ উদ্দিন জানান, চুনারুঘাট সাহিত্য ও সংস্কৃতির উৎসব বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় উৎসব। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের চারটি রাজ্যের সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীরা অংশ নেবেন।এদিকে, চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদের ৩০ বছরপূর্তি উপলক্ষে ‘প্রত্যয়’ নামে একটি সাময়িকী প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সংগঠনের গত ৩০ বছরের কর্মকাণ্ড ও মুক্তিযুদ্ধে হবিগঞ্জের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।অনুষ্ঠানের প্রথম দিন ১৭ ডিসেম্বর বুধবার বিকেল সাড়ে তিনটায় উৎসবের উদ্বোধন করবেন জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী। এইদিন প্রথম অধিবেশনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট মো. আবু জাহির, সংসদ সদস্য ও অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা, সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল­্যা, ভারতের আসাম রাজ্যের ব্যতিক্রম সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংস্থার সভাপতি ড. সোমেন ভারতীয়া। ওইদিন দ্বিতীয় অধিবেশন বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে আবৃত্তি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া তৃতীয় অধিবেশন শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। এ সময় আসাম ও ত্রিপুরার প্রতিনিধি দলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সম্মাননা প্রদান করা হবে। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইংরেজি দৈনিক নিউ এইজের সম্পাদক নূরুল কবীর। এছাড়াও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। চতুর্থ অধিবেশন রাত সাড়ে ৮টায় সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।দ্বিতীয় দিন ১৮ ডিসেম্বর বুধবার প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দৈনিক সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কবি মুস্তাফিজ শফি। এ সময় অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করবেন বাংলানিউজের সম্পাদক কবি জুয়েল মাজহার। দ্বিতীয় অধিবেশন বিকেলে সাড়ে ৩টায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল­াহ্ সিরাজী। এছাড়াও অনেক অতিথিবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। তৃতীয় পর্ব বিকেল সাড়ে ৫টায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট থেকে তিনটি পর্বে সংগীতা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।তৃতীয় দিন ১৯ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ৫ পর্বে সংগীত ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন গীতিকার ও সুরকার গাজী মাজহারুল ইসলাম, চলচিত্র পরিচালক ও প্রযোজক জোহরা গাজীসহ আরও অনেকে উপস্থিত থাকবেন।চতুর্থ দিন ২০ ডিসেম্বর শুক্রবার দিনব্যাপী সংগীত পরিবেশন করবেন বাংলাদেশ ও ভারতের শিল্পীবৃন্দ। এছাড়াও আলোচনা সভায় বাংলাদেশ চলচিত্র-নাটকের শিল্পীবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। ওইদিন রাত ৭টায় একক সংগীত পরিবেশন করবেন জার্মানি থেকে আগত তাপসী রায়।অনুষ্ঠানের শেষ দিন ২১ ডিসেম্বর শনিবার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন- দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক তাসমিমা হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম। এছাড়াও আরও অনেক অতিথিবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।