ছুটিতে ব্যাংক খোলা রাখার সময় পরিবর্তন করে প্রজ্ঞাপন জারি

প্রকাশিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে পূর্ব ঘোষিত সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার। একই সাথে সাধারণ ছুটি চলাকালীন সীমিত আকারে ব্যাংক চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে পূর্বঘোষিত সময়সীমায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা থাকবে। তবে নগদ লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

আজ বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো সে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পূর্ব ঘোষিত সাধারণ ছুটির মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে সরকার। সেজন্য আগামী ৫ এপ্রিল থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত দৈনিক ব্যাংকিং লেনদেনের সময়সূচি পুনঃনির্ধারণ করা হলো। এই দিনগুলোতে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা রাখা যাবে। তবে নগদ লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। এক্ষেত্রে লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট শাখা এবং প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিকেল ৩টা পর্যন্ত কাজ করতে পারবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, উল্লেখিত সময়ে গ্রাহকের প্রয়োজনে নগদ অথবা চেকের মাধ্যমে অর্থ জমা ও উত্তোলনের পাশাপাশি ডিডি বা পে-অর্ডার ইত্যাদি ইস্যু, ট্রেজারি চালান জমা সহ বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক চালু রাখা বিভিন্ন পেমেন্ট সিস্টেমের অথবা ক্লিয়ারিং ব্যবস্থার আওতাধীন অন্যান্য লেনদেন সুবিধা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।

উল্লেখ, গতকাল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস (কোভিড- ১৯) এর সংক্রমণ মোকাবিলা এবং এর ব্যাপক বিস্তার রোধকল্পে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২৪ মার্চ ২০২০ তারিখের প্রজ্ঞাপনে ঘোষিত সাধারণ ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির ধারাবাহিকতায় আগামী ৫ এপ্রিল হতে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো। ১০ এবং ১১ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটিও এর সাথে সংযুক্ত থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, জরুরি পরিসেবার (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট ইত্যাদি) ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে না। এছাড়া কৃষিপণ্য, সার, কীটনাশক, খাদ্য, শিল্প পণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জামাদি, জরুরি ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন এবং কাঁচা বাজার, খাবার, ওষুধের দোকান ও হাসপাতাল এ ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে।