জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ছিলেন জাতির বাতিঘর; ন্যাপ’র শোক

প্রকাশিত

দেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদ, লেখক ও গবেষক, ভাষাসংগ্রামী, মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারী, বাংলা সাহিত্যের বাতিঘর, সংবিধানের অনুবাদক, দেশের সব প্রগতিশীল আন্দোলনের অগ্রবর্তী মানুষ, ইমেরিটাস জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দু:খ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক শোক বার্তায় পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

তারা বলেন, অধ্যাপক আনিসুজ্জামান শুধু বাতিঘরই নন, জাতির বিবেকও ছিলেন। তার চিন্তা, চেতনা বাঙালি জাতিকে সমৃদ্ধ করেছে। তাঁর পরিচয় নানাভাবেই দেওয়া যায়। প্রতিটি সমাজে এবং দেশে কিংবা মহাদেশে অথবা তাবৎ বিশ্বে কেউ না কেউ জন্মান, যাঁরা সে দেশের বাতিঘরের ভুমিকায় অবতীর্ণ হন। তিনি ছিলেন তমনই বাতিঘর।

নেতৃদ্বয় বলেন, এ সময়ের বাতিঘর অধ্যাপক আনিসুজ্জামান তরুণ প্রজন্মের জন্য ছিলেন এক প্রেরণার নাম। মহান ভাষা আন্দোলনেও তার অবদান ছিল অগ্রগণ্য। অধ্যাপক আনিসুজ্জামান সরাসরি আমাদের শিক্ষক ছিলেন না। কিন্তু তার লেখনি ও সাহিত্যের মাধ্যমে আমরা যা জেনেছি তা শিক্ষকের চেয়ে ঢের বেশি। জাতির ক্রান্তিকালে তার এই মৃত্যু এক শূণ্যতা সৃষ্টি করবে।

ন্যাপ নেতৃদ্বয় আরো বলেন, অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ইতিহাস নির্মাণ করে নিজেই ইতিহাস হয়ে গেছেন। উপমহাদেশে সাংস্কৃতিক নেতৃত্ব দিয়ে তিনি একটি জাতি নির্মাণে অংশ নিয়েছেন। এমন বর্ণাঢ্য জীবনের দেখা মেলে না সচরাচর। সমস্ত কাজের মধ্য দিয়ে তিনি শেকড়ের সন্ধান করেছেন। তিনি জাতীয় জীবন, ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে আমাদের বাতিঘর হয়েই থাকবেন।