জাতীয় পতাকার আদলে রাঙ্গানো হচ্ছে পাঁচ নম্বর সেক্টরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের কবর

প্রকাশিত

ছাতক (সুনামগঞ্জ) থেকে::সুনামগঞ্জের ছাতকে লাল সবুজের পতাকার আদলে রাঙানো হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধাদের কবর। মুক্তিযোদ্ধের পাঁচ নম্বর সেক্টর হেডকোয়ার্টার, দোয়ারাবাজার উপজেলার বাঁশতলা (হকনগর) এলাকায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের কবরগুলো স্থায়ি ভাবে লাল সবুজের পতাকা আদলে আচ্ছাদিত করার কাজ শুরু হয়েছে। সুনামগঞ্জ-৫, ছাতক-দোয়ারাবাজার আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের পরিকল্পনায় মুক্তিযোদ্ধাদের কবরগুলোর ভেতরের অংশে জাতীয় পতাকার আদলে আচ্ছাদিত করার কাজ শুরু হয়ে ইতোমধ্যে একটির কাজ শেষ হয়েছে। দোয়ারাবাজার উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ও বাংলাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার জসিম উদ্দিনের তত্তাবধানে এ কাজগুলো দ্রুত সম্পনেśর দিকে এগিয়ে চলছে। এ ব্যাপারে বাংলাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান ও দোয়ারাবাজার উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মাস্টার জসিম উদ্দিন বলেন, পাঁচ নম্বর সেক্টর এলাকার বাঁশতলা (হকনগরে) মুক্তিযোদ্ধাদের কবর রয়েছে ১৫টি। জাতীয় পতাকার আদলে একটি কবরের কাজ শেষ হয়েছে। বাকি কাজগুলো ১৬ই ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে। ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের পূর্বে জাতীয় পতাকার আদলে মুক্তিযোদ্ধাদের কবরগুলোর ভেতরের কাজ দ্রুত সম্পনś করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন সুনাগঞ্জ-৫, ছাতক-দোয়অরাবাজার আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক। মুক্তিযোদ্ধের পাঁচ নম্বর সেক্টর (হকনগরের) কবরগুলো স্থায়ি ভাবে লাল সবুজের পতাকার আদলে আচ্ছাদিত করা এটাই দেশের প্রথম বলে মনে করছেন অনেকেই। প্রসঙ্গত, উত্তরে ভারতের চেরাপুঞ্জি ও মেঘালয় রাজ্য, পূর্বে ছাতক উপজেলা, পশ্চিমে দোয়ারাবাজার উপজেলা। ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে ১৯৮৪ সালে দোয়ারাবাজার উপজেলা গঠিত হয়। পর্যটনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত এ উপজেলায়। সুনামগঞ্জ জেলার সব চেয়ে বেশি মুক্তিযোদ্ধাদের বসবাস এ উপজেলায়। এখানে রয়েছে বাঁশতলা শহীদ স্মৃতিসৌধ। এ বাঁশতলা শহীদ স্মৃতিসৌধ মনে করে দেয় এখানকার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। ডাউক থেকে সুনামগঞ্জ এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহ সীমান্তবর্তী অঞ্চল নিয়ে গঠিত মুক্তিযুদ্ধের পাঁচ নম্বর সেক্টর। এ সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন, কর্ণেল মীর শওকত আলী। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঁশতলা ও আশপাশ এলাকার যারা শহীদ হয়েছিলেন তাদেরকে সমাহিত করা হয় এ বাঁশতলা (হকনগরের) নির্জন স্থানে।

error0