বিভাগ - সারাদেশ

ঝিনাইদহের বকসিপুর গ্রামে দুলাভাইয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে শ্লীতহানীর শিকার তরুনী বিচার চাইছেন!

প্রকাশিত

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাগান্না ইউনিয়নের বকসিপুর গ্রামে গত বুধবার ১৩ বছরের এক কিশোরী দুলাভাইয়ের বাড়িতে এসে ধর্ষন চেষ্টার শিকার হয়েছে। ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে সাগান্না ইউনিয়নের বকসিপুর গ্রামের মৃতঃ শামছুল হক মোল্লার ছেলে লম্পট মানোয়ার মিয়ার (৪০) বিরুদ্ধে। জানা গেছে গত বুধবারে বেড়াতে আসা বকসিপুর গ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে জিয়াউর রহমানের শালিকা মারিয়াা (ছদ্দনাম) খাতুন (১৩) তার বোনের সাথে দুলাভাইয়ের পাশের পান বরজে যায় ও পান বোরজে কাজ করাবস্থায় মারিয়া কে বাড়ি ফেরৎ যেতে বলে। মারিয়া বাড়ি ফিরতে গিয়ে কিছু দুর সামনে গেলে নিজ জমিতে কাজ করা অবস্থায় লম্পট মানোয়ার কিশোরী মারিয়ারকে ডেকে বলে আমাকে একটু পানি এনে দেও। মারিয়া প্রথমে একটু সংকচ বোধ করলেও পরে তাকে দুই-তিন বার পানির কথা বলার পর, সে তার বোনের কাছে গিয়ে পানি নিতে আসে। সেখান থেকে পানি নিয়ে মানোয়ারের কাছে গেলে। আগে থেকে কুমতলবে থাকা লম্পট মানোয়ার মিয়া পানি নিতে গিয়ে মারয়াকে জড়িয়ে ধরে ও তাকে ধর্ষন করার চেষ্টা করে। মারিয়া সাথে সাথে চিৎকার করলে ঘটনা স্থল থেকে পালিয়ে যায় লম্পট মানোয়ার। পরে সেখান থেকে মারিয়ার বোনের বাড়ি ফিরে গিয়ে তার বোন এবং দুলাভাই বাড়িতে গেলে ঘটনার খুলে জানায়। তার বোন এবং তার দুলাভাই জিয়াউর রহমান তাকে বলে এই ঘটনা যেন কেউ না জানে। এমনকি তার বোন দুলাভাই রাবিয়ার উপর রাগ করে। যাতে করে ঘটনা কোন ভাবেই কেউ না জানে। দুলাভাই জিয়াউর মারিয়াকে বলে তুই চুপ থাক বিষয়টি আমি দেখছি বলে উল্টো লম্পট মানোয়ারের পক্ষ নিয়ে সে নিজেই ভিডিও রেকর্ড করে। সেখানে সে বলে এই ঘটনা মিথ্যা ও বানোয়াট। আমাদেরকে হেও প্রতিপন্ন করার জন্য ও সমাজে আমাদের সুনাম নষ্ট করার জন্য মানুষ এমন করছে। এমন ঘটনায় একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে নিউজটি পাব্লিশ হলে তিনি সেই নিউজ দেখে উল্টো সাংবাদিক দের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করবে বলে হুমকি ধামকি দেই। সরেজমিনে মারিয়ার খাতুনের বাড়িতে গিয়ে জানা যায় ওইদিন লম্পট মানোয়ার মিয়া তাকে ধর্ষন চেষ্টা করে, সে বোন দুলাভাই কে ঘটনার সম্পর্কে বললে তারা বিচার করবে বলে তাকে সান্ত¡না দিয়ে উল্টো অভিযুক্ত লম্পট মানোয়ার মিয়ার পক্ষে অবস্থান করে। ঘটনা জানাজানি হলে মারিয়ার তার নিজ বাড়িতে ফিরে যায়। ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডুর কাবাশাটিয়া ইউনিয়নের রুপদা গ্রামের হত-দরিদ্র ভ্যান চালকের মেয়ে মারিয়ার খাতুন। মারিয়ার মা রেখা খাতুন ও তার ভাই হাসান মিয়া বলেন হত-দরিদ্র মানুষ আমরা সরকার ও প্রশাসনের কাছে ওই লম্পট মানোয়ারের বিচার দাবি করছি। যাতে করে লম্পট মানোয়ার আমার মেয়ের মতো আর কোন মেয়ের সাথে এমন কাজ না করে। এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত মানোয়ারের বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি।