বিভাগ - সারাদেশ

ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন করে করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত ১৬ জন

প্রকাশিত

ফিরোজ সুলতান, ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাঁওয়ে বিগত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরও ১৬ জন বৈশ্যিক মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে । এ নিয়ে জেলায় মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো পুরো ২২৫ জনে।

শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে আটটায় ঠাকুরগাঁও জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো.মাহফুজার রহমান সরকার জানান, এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ,দিনাজপুর হতে প্রাপ্ত সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী ঠাকুরগাঁও জেলায় আজ নতুন ১৬ জন করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে সদর উপজেলায় -৯ জন, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় -২ জন, রাণীশংকৈল উপজেলায় -২ জন এবং হরিপুর উপজেলায় -৩ জন করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৯ জন আক্রান্তের মধ্যে পুলিশ লাইনের এক পুলিশ সদস্য, বিজিবি’র একজন মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট, আধুনিক সদর হাসপাতালের হেড এসিস্ট্যান্ট এবং ১ জন প্রশাসনিক কর্মকর্তা। অন্যদিকে সদর উপজেলার কালীতলার ১ নারী, সদরের ঢোলারহাট ইউনিয়নের শিংপাড়ার ১ জন,গড়েয়া ইউনিয়নের মিলননগর এলাকার ১ জন, জগন্নাথপুর ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ এলাকার ১ জন ও পৌরসভা শহরের ১ যুবক। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আক্রান্ত ২ জনের মধ্যে উপজেলার বামুনিয়া গ্রামের এক যুবক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন স্টাফ। রাণীশংকৈল উপজেলার আক্রান্তদের মধ্যে লেহেম্বা ইউনিয়নের ১ জন পুরুষ ও ভান্ডারা গ্রামের ১ জন নারী। হরিপুর উপজেলাতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন দুইজন পুরুষ ও একজন নারী। নারীটি উপজেলার কয়েলী গ্রামের বাসিন্দা। অন্যদিকে আক্রান্ত পুরুষ দুজনের মধ্যে ১ জনের বাসা উপজেলার কুমারপাড়া গ্রামে ও অপর ১ জনের বাসা ডাঙ্গীপাড়ায়।পূর্বের রিপোর্টসহ ঠাকুরগাঁও জেলায় সর্বমোট করোনা সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ২২৫ জন। যাদের মধ্যে ১৪৭ জন ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন‌। এবং জেলাতে এপর্যন্ত মৃত্যু ২ জন। জেলা সিভিল সার্জন সকলকে সরকারি নির্দেশাবলী ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ও ঘরে থাকার জন্য অনুরোধ করেন।

উল্লেখ্য, শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে জেলায় প্রথম করোনা শনাক্তের পর এখন পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ৭৩ জন, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ৫৪ জন, হরিপুর উপজেলায় ৩৯ জন, রাণীশংকৈল উপজেলায় ২৮ জন ও পীরগঞ্জ উপজেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩১ জন। জেলায় সর্বমোট করোনা রোগীর সংখ্যা ২২৫ জন। এবং তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে ‌ছাড়পত্র পেয়েছেন সর্বমোট ১৪৭ জন। এবং জেলাতে এপর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২ জনের।