বিভাগ - সারাদেশ

তৈয়্যবিয়া তাহেরিয়া হেলিমিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদরাসার বার্ষিক সালানা জলসা

প্রকাশিত

এওয়ান নিউজ: সিলেট সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাদ্রাসা -এ – তৈয়্যবিয়া তাহেরিয়া হেলিমিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদরাসার বার্ষিক সালানা জলসা বুধবার বাদ জোহর থেকে মাদরাসা ময়দান মাঠে আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতি আমির উদ্দিন আহমদ এর সভাপতিত্বে ও অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জালালুউদ্দিন আল কাদেরী পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কাদেরিয়া তৈয়্যবিয়া আলিয়া কামিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কাশেম ফজলুল হক, বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন লন্ডন প্রবাসী ব্যারিস্টার মনসুর আলম আশরাফী,প্রধান আলোচক আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাচ্ছিরে ক্বোরআন হযরতুলহাজ্ব আল্লামা ড. সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান আল আযহারী। অতিথির বক্তব্য রাখেন, হযরত মাওলানা সোলাইমান খান রাব্বানী, মাওলানা তাজুল ইসলাম তাহেরী, অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক,সিলেট জেলা পরিষদের সদস্য শানুর মিয়া,মো.ইলিয়াছ আলী মেম্বার, মইন ঠিকাদার, হাজী কাঞ্চন মিয়া,তাহেরিয়া ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি মাহবুব চৌধুরী,সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, আরবের মরুপ্রান্তরে শান্তি ও কল্যাণের ¯িœগ্ধ বারিধারার মতো যে মহানবীর (দ.) আবির্ভাব ঘটেছিলো, তিনি কেবল আরবেরই নন, সারা বিশ্বে এক অভূতপূর্ব মানবতার বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। রাসুল (দ.) ছিলেন আদর্শের প্রতীক। আলোচকবৃন্দ মুসল্লিদেরকে সন্ত্রাসমুক্ত, শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে মহানবী (দ.) এর আদর্শ অনুকরণের জন্য আহ্বান জানান। তিনি জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শান্তি, সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা ও সকলের যথাযথ অধিকার নিশ্চিত করে গেছেন। ভ্রাতৃত্ব ও মানবতার মহান আদর্শে উজ্জীবিত করেছেন গোটা মানব সমাজকে। ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনা পর্যন্ত সকল ক্ষেত্রে তাঁর দিক-নির্দেশনা রয়েছে। সে নির্দেশনা আমাদের পরিপূর্ণরুপে গ্রহণ করতে হবে। তাঁর আদর্শের আলোকে সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে এগিয়ে আসতে হবে। মহানবী মুহম্মদ (দ.) আইয়ামে জাহেলিয়াতের অন্ধকার যুগ দূর করে অত্যাচার ও জুলুম-নির্যাতন বরণ করে সত্য এবং ন্যায়কে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। সমাজে অবহেলিত-নির্যাতিত, বঞ্চিত ও দুঃখী মানুষের সেবা, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন, পরমতসহিষ্ণুতা, দয়া ও ক্ষমাগুণ, শিশুদের প্রতি দায়িত্ব এবং নারী জাতির মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় মহানবী (দ.)-এর আদর্শ অতুলনীয় এবং তাই তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহানবী (দ.)হিসেবে অভিষিক্ত। মিলাদ মাহফিল শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করা হয়।