দ্রুত ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে কাজ করছে সরকার: জয়

প্রকাশিত

এওয়ান নিউজ: বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে দ্রুত কাজ করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আমরা শতভাগ ডিজিটালাইজড করতে কাজ করছি।’

বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে কার্যকর ভূমিকার জন্য এ বছর ১৪টি ক্যাটাগরিতে সম্মাননা দেওয়া হবে। তিন দিনে বিভিন্ন বিষয়ে ১৩টি আলোচনা সভা হবে, যেখানে সরকারের মন্ত্রী ও দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন।

দেশে ডিজিটাল উন্নয়নের নানা দিক তুলে ধরতে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয়েছে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা’র। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে (বিআইসিসি) বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় তিন দিনব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করেন।

‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার প্রযুক্তির মহাসড়ক’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত মেলার উদ্বোধনীতে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি একেএম রহমতুল্লাহ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ডাক মন্ত্রণালয়ের সচিব নূর উর রহমান, হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের সিইও ঝাং ঝেংজুন উপস্থিত ছিলেন।

এবারের মেলায় উদ্বোধনী পর্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে কার্যকর ভূমিকার জন্য ১৪টি ক্যাটেগরিতে সম্মাননা দেওয়া হবে। তিনদিনে বিভিন্ন বিষয়ে ১৩টি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছাড়াও দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন।

মেলায় জেডটিই, হুয়াওয়ে, নকিয়া ও এরিকসন ফাইভ-জি প্রযুক্তির প্রদর্শন করবে; বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট টেলিমেডিসিন ও এটিএম সেবা দেখাবে। ইন্টারনেট সেবাদাতাসহ (আইএসপি) ৮২টি প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নিচ্ছে। এতে থাকছে ২৫টি স্টল, ২৯টি মিনি প্যাভিলিয়ন ও ২৮টি প্যাভিলিয়ন।

www.digitalbangladeshmela.org.bd ওয়েব লিংকে ঢুকে রেজিস্ট্রেশন করলে বিনামূল্যে মেলা দেখার সুযোগ পাবেন দর্শনার্থীরা। মেলায় প্রবেশমুখেও রেজিস্ট্রেশন করার ব্যবস্থা রয়েছে।জিটাল বাংলাদেশ মেলায় যাওয়া-আসার সুবিধার্থে দর্শনার্থীদের জন্য শাটল বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ঢাকার উত্তরা, মালিবাগ, মতিঝিল, আজিমপুর ও মিরপুর থেকে প্রতিদিন সকাল ১০টা ও দুপুর ১টায় বাসগুলো মেলার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। মেলা শেষে দর্শনার্থীদের নিয়ে রাত ৮টায় বাসগুলো আবার ফিরতি রুটে চলাচল করবে।