নবান্নের আগমনে গৃহস্থলী বাশেঁর পণ্যের কদর বেড়েছে

প্রকাশিত

সারওয়ার আলম মুকুল,কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি ঃ রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার ১টি পৌরসভাসহ ৬টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম গুলোতে চলতি মৌসুমে ধানের ভাল ফলন ও বাজারদর কিছুটা বৃদ্ধির ফলে কুষকের মনে আনন্দের ছোঁয়া লেছে। সেই সাথে সোনালী ফসল ঘরে তুলতে অগ্রাহনের শুরুতে এবারে কৃষকের ঘরে ঘরে বইছে নবান্নের আগমনী বার্তা। আর তাই উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে চলছে ডালি কুলা, চালা ও ডোল কেনার ধূম।

উপজেলার ৯৫ ভাগ মানুষ কৃষিজীবী তাই যে যেভাবে পারছে সামনের ধান কাটা-মাড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে হাট বাজারে ভীর করছেন গ্রাম বাংলার কৃষাণীদের পছন্দের ডালি কুলা ও ডোল কিনতে। তকিপল হাটে কুলা নিতে আসা গদাই গ্রামের শাহজাহান জানান সামনেই শুরু হবে ধান কাটামারাই ও নবান্ন উৎসব, তাই আগে ভাগেই ধান কাটা-মাড়াইয়ের জিনিস পত্র কিনে রাখলাম। কারন হিসেবে তিনি বলেন কয়দিন পর দাম বাড়বে। ডালি কুলা আর চালন কিনে হাটের পাশে বসে থাকা চর পাঞ্জর ভাঙ্গা এলাকার আনোয়ার হোসেন জানান বাড়ীর বউ-ঝি কাটামাড়ির কাম করবে তাই ওদের খুশি করতেই আগাম কেনা। তিনি জানান গত বোরো মৌসুমে সরকার ২৬ টাকা কেজি দরে ধান কিনলেও হামাদের ধান বেঁচতে হয়েছে ১৪/১৫ টাকা কেজি। গত কয়েক দিন ধরে ধানের দাম ভালো তাই আমাদের মনে আনন্দ। তিনি জানান বাজারে বর্তমানে ধানের মন ৭’শ থেকে ৭৫০ টাকা। এই দাম থাকলে এবার আর ধানে তেমন লস হবে না। বাশেঁর পন্য বিক্রেতা আঃ রশিদ জানান বাঁশের দাম কম তাই এবারে বাঁশের তৈরী কৃষি পণ্যেরও দাম কম, কিন্ত চাহিদা বেশী তবে কারিগর না থাকায় আমরা কৃষি পণ্য বাজারের চাহিদা মত দিতে পারছিনা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফুল আলম জানান উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১১ হাজার ৫’শ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে আর এ থেকে ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৮ হাজার ৮’শ ৭৫ মেট্রিক টন। আবহাওয়া অনুকুল থাকায় এবারে আমন ধানের ভালো ফলন হয়েছে, বাজারে ধানের চাহিদাও ভালো, তাই এবারে কৃষকরা ধানে লাববান হবেন।