পর্দা উঠলো এসএ গেমসের, জমবে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই

প্রকাশিত

স্পোর্টস ডেস্ক: পর্দা উঠলো ১৩তম এসএ গেমসের। রবিবার বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদ্বোধন করা হলো ‘দক্ষিণ এশিয়ার অলিম্পিক খ্যাত’ এই টুর্নামেন্টের। নেপালের তিনটি শহর কাঠমান্ডু, পোখারা ও জানাকপুরে শুরু হতে যাচ্ছে হাজার হাজার ক্রীড়াবিদের লড়াই।

বিকেল ৫টায় নেপাল প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভান্ডারি উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের। ৩ ঘণ্টার এই জাঁকালো আয়োজনে সন্ধ্যা গড়তেই দশরথ স্টেডিয়ামে বাড়তে থাকে দর্শক সমাগম। তারপর নেপালের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে তুলে ধরে তারা নাচে-গানে। এতে অংশ নেয় হাজার খানেক শিল্পী।

এরপর মশাল প্রজ্জ্বলন করেন এসএ গেমসে তায়কোয়ান্দোতে চারবারের স্বর্ণজয়ী দীপক বিস্তা। মশাল নিভবে ১০ ডিসেম্বর। মশাল প্রজ্জ্বলনের পর লেজার শোয়ের পাশাপাশি সাত দেশের ক্রীড়াবিদরা মাঠ প্রদক্ষিণ করেন। মার্চ পাস্টে অংশ নেন তারা।

এসএ গেমসের জন্য নেপালে মিলিত হয়েছেন আসা ৫ হাজারেরও বেশি অ্যাথলেট, কর্মকর্তা, রেফারি ও সাংবাদিকরা। জমকালো এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শেষে ছিল আতশবাজির ফোয়ারা। তাতে আলোকোজ্জ্বল এক ক্রীড়াযজ্ঞের আভাস পাওয়া গেছে।এনিয়ে তৃতীয়বার নেপাল আয়োজন করছে এসএ গেমস। এর আগে ১৯৮৪ ও ১৯৯৯ সালে দেশটিতে হয়েছিল দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসর।

১০ দিনের এই গেমসে ২৬টি ডিসিপ্লিনে ৩২৪টি সোনার লড়াইয়ে অংশ নেবেন ক্রীড়াবিদরা, যেখানে আগের মতোই ফেভারিট ভারত। আগের ১২টি আসরেই যে তারা ছিল সবার ওপরে। তবে স্বাগতিক নেপাল, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মালদ্বীপ, ভুটান ও শ্রীলঙ্কাও বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের ইভেন্টগুলোতে নিজেদের সাধ্যমতো লড়াই করবে।

২৬টি ডিসিপ্লিনে এবার নতুন করে যুক্ত হয়েছে গলফ ও কারাতে। আর ৮ বছর পর ফিরেছে ক্রিকেট। প্রথমবার ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও ব্যাটে-বলে অংশ নেবে এই প্রতিযোগিতায়। সবচেয়ে বেশি ২০টি ইভেন্ট সাঁতারে, আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯টি ইভেন্ট অ্যাথলেটিকসে। এছাড়া আগের মতোই লড়াই হবে আর্চারি, ব্যাডমিন্টন, বাস্কেটবল, বক্সিংয়ের মতো জনপ্রিয় ডিসিপ্লিনে।

এসএ গেমসে বাংলাদেশ থেকে অংশ নিচ্ছেন ৫৯৫ জন অ্যাথলেট। ট্রাইলথন ছাড়া বাকি সব ডিসিপ্লিনেই থাকছেন বাংলাদেশের প্রতিযোগী।