পেঁয়াজের পর এখন চালের দাম বাড়ানোর ষড়যন্ত্র হচ্ছে: নাসিম

প্রকাশিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি ও চালের দাম বিষয়ে খাদ্য, বাণিজ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম। পেঁয়াজের দাম বাড়ানোর পর এখন চালের দাম বাড়ানোর ষড়যন্ত্র হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত এমন কোনও কাজ নেই যা করতে পারে না। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মানুষের ক্ষুধা নিয়ে মুনাফা করতে চায়। আরেকটি চিহ্নিত মহল মানুষের ক্ষুধা নিয়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে রাজনীতি করতে চায়।’

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১৪ দলের এক সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন— তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী, ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য আনিসুর রহমান মল্লিক, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।

সড়ক পরিবহন আইনের বিষয় মালিক-শ্রমিকদের দাবি ও আপত্তি থাকলে টেবিলে বসে সমাধান করার আহ্বান জানিয়ে পরিবহন ধর্মঘটকারীদের উদ্দেশ করে নাসিম বলেন, ‘ধর্মঘট করা ও মানুষকে জিম্মি করা আমরা সমর্থন করি না। মানুষকে জিম্মি করে কোনও রাজনীতি আমরা অতীতে করি নাই, ভবিষ্যতেও করবো না।’

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘সড়কের ব্যাপারে আমরা সব সময় বলেছি যে, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। যে আইনটি করা হয়েছে, আমরা মনে করি তা বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। জনগণকে আমরা অনুরোধ করবো, দেশবাসীকে আমরা অনুরোধ করবো— কষ্ট হলেও আপনারা আইন বাস্তবায়নে আমাদের সহযোগিতা করুন। এ সময় আমাদের দায়িত্ববান ব্যক্তিদের অনুরোধ করবো— ধর্মঘট নিয়ে একটু সতর্কভাবে বলার পরামর্শ দেন।’

বিএনপির সরকার পতনের দাবির বিষয়ে তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘বার বার সরকার পতনের হুঙ্কার দিতে বিএনপির মুখ ব্যথা করে না?’ প্রধানমন্ত্রীকে বিএনপির দেওয়া চিঠির সমালোচনা করে নাসিম বলেন, ‘হঠাৎ করে দেখলাম তারা প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিলো। পার্লামেন্ট চলছে, পার্লামেন্টে তারা এই বিষয় নিয়ে একটি শব্দও বলে নাই। চিঠি দিয়ে চুক্তির কথা বলেছে। চুক্তিতো কোনোটাই হয়নি, হয়েছে সমঝোতা স্মারক। এই কথা বলার অর্থটা কী?’

বিএনপির কোনও ইস্যু নেই দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমরা বলতে চাই, আপনাদের অনেক ইস্যুই আপনারা হারিয়েছেন। ব্যর্থ হয়েছেন ইস্যু তৈরি করতে। আমরা অবশ্যই বারবার বলি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আর যা-ই হোক দেশবিরোধী কোনও কাজ অতীতে তিনি করে নাই, ভবিষ্যতেও করবেন না। তিনি যা করেছেন দেশের স্বার্থে করেছেন।’