বিভাগ - সারাদেশ

প্রধানমন্ত্রী জঙ্গী আগুন সন্ত্রাস মোকাবেলা করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন: হেলালুদ্দিন আহমদ

প্রকাশিত

আবদুস সালাম, নারায়ণগঞ্জ: স্থাণীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের সচিব মো: হেলালুদ্দিন আহমদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন ছিলো আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় অর্জন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংঙ্গালীরা যদি পরাজিত হতো তবে বাঙ্গালী জাতির অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যেতনা। তিনি বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্থ বাংলাদেশকে মাত্র সাড়ে তিন বছর নেতৃত্ব দিয়ে বঙ্গবন্ধু সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু ৭৫ এর ১৫ আগষ্ট তাকে স্বপরিবারের হত্যার মধ্যে দিয়ে দেশের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিয়েছিলো স্বাধিনতাবিরোধী চক্র। কিন্তু ২০০৯ সালের নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে তারই কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচিত হয়ে তিনি নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশকে সম্মৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

রোববার বিকলে নারায়ণগঞ্জের ভুইয়ারবাগে বিদ্যানিকেতন হাইস্কুলের মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দুইদিন ব্যাপি আলোচনা সভা, মুক্তিযুদ্ধের গান, চলচ্চিত্র প্রদশর্নী ও আবৃত্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব এসব কথা বলেন।

সচিব হেলালুদ্দিন বলেন, স্বাধীনতা বিরোধীদের ষড়যন্ত্র, জঙ্গী অগ্নি সন্ত্রাস মোকাবেল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০২১ সালে মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নত হওয়ার কথা থাকলেও আমার এরই মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নত হয়ে গেছি। দেশের মানুষের মাথা পিছু আয় বেড়েছে। তিনি বলেন, দেশের ১৬ কোটি মানুষ যদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে পারে তবে ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উন্নত রাষ্টে পরিণিত হবে। তখনএই দেশে সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, ক্ষুধা দারিদ্রতা থাকবেনা। বাংলাদেশ প্রতিটি মানুষের বাড়ি থাকবে, গাড়ি থাকবে , থাকবে ব্যাংক ব্যালেন্স।

বিদ্যানিকেতন স্কুলের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও সংবাদের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কাসেম হুমায়ুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শহীদ বুদ্ধিজীবি শহীদুল্লাহ কায়সারে কন্যা,এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক ও বিশিষ্ট অভিনেত্রী শমী কায়সার , নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো: জসিম উদ্দিন, জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা ও অগ্রনী ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদের সদস্য ডক্টর ফরজ আলী, মুক্তিযোদ্ধা আমিনুর রহমান,উপ-পরিচালক ,স্থানীয় সরকার বিভাগ জাহিদুল হক, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নিবার্হী এ এফ এম এহেতেশামুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) রেহেনা আক্তার, উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা নাহিদা বারিক, নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুস সালামসহ অনেকে।

শমী কায়সার বলেন, আমি ছোট থেকে বাবার আদার ¯েœহ ছাড়া বড় হয়েছি। আমার বাবাকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু আমরা তার মৃতদেহটি পর্যন্ত পাইনি। তিনি বলেন, আমার বাবা বুদ্ধিজীবি শহিদুল্লাহ কায়সার, আমার চাচা জহির রায়হান অনেক বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করা হয়েছিল বাংলাদেশকে মেধা শুন্য করার জন্য।কিন্তু চক্রান্তকারীরা সেটা করতে পারেনি। আমরা আজকে মাথা উচু করে দাঁড়াতে পেরেছি। ##