বিভাগ - খেলাধুলা

ফের যুব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

প্রকাশিত

স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল কখনো সেমিফাইনাল খেলতে পারেনি। সিনিয়ররা যে কাজ করতে পারেননি দ্বিতীয়বারের মতোন তাই করে দেখালেন জুনিয়ররা। দক্ষিণ আফ্রিকায় চলমান অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে স্বাগতিকদের হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। ২০১৬ সালে প্রথমবার ঘরের মাটিতে যুব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার স্বাদ পেয়েছিল বাংলাদেশের যুবারা।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) পচেফস্ট্রুমে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১০৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ব্যাটে-বোলিংয়ে প্রোটিয়া যুবাদের কোনো পাত্তায় দেয়নি আকবর আলীর দল। টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৬১ করে বাংলাদেশ। ২৬২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৪২.৩ ওভারে মাত্র ১৫৭ রানে গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনিং জুটিতেই বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে ৬০ রান যোগ করেন পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ হোসেন তামিম। ব্যক্তিগত ১৭ রানে ইমন এলবিডব্লিউ’র শিকার হলেও থামেনি জুনিয়র তামিমের ব্যাট। মাঝখানে মাহমুদুল হাসান জয় (৩) সাজঘরে ফিরলেও তৌহিদ হৃদয়ের সঙ্গে ৫৭ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখান তিনি। তবে সেঞ্চুরি থেকে ২০ রান দূরে থাকতে আউট হন তামিম। তার ৮৪ বলে ৮০ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ১২ চারে।

এরপর স্কোরবোর্ডে আর দুই রান জমা হতেই বিদায় নেন হৃদয় (৫১)। তবে সেখান থেকে দলকে লড়াকু স্কোর এনে দেন শাহাদাত হোসাইন। ৭৬ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৭৪ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। এর আগে শামীম হোসেন রান আউট হোন ব্যক্তিগত ১ রানে। ১৬ বলে অপরাজিত ছিলেন অধিনায়ক আকবর।

জবাব দিতে নেমে ভাল করার আভাস দিলেও বাংলাদেশের বোলিং তোপের সামনে বড় কোনে জুটি গড়তে পারেনি প্রোটিয়ারা। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ ৬০ রান করেছেন মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যান লুক বিউফোর্ট। এছাড়া ওপেনার জোনাথন বার্ড ৩৫ ও জ্যাক লিস করেন ১৯ রান।

বাংলাদেশের হয়ে রাকিবুল হাসান ৯.৩ ওভারে ১৯ রান দিয়ে একাই নিয়েছেন ৫ উইকেট। ২ উইকেট শিকার করেছেন তানজিম হাসান সাকিব। একটি করে উইকেট ভাগাভাগি করেছেন শরিফুল ইসলাম ও শামীম হোসেন। ম্যাচ সেরা হয়েছেন রাকিবুল।