বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন : সরকারের প্রতি ন্যাপ

প্রকাশিত

নিজস্ব প্রতিরবদক: চাল-পেয়াজ-লবন নিয়ে যারা বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে তাদের আইনের আওতায় এন কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।বুধবার (২০ নভেম্বর) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এ আহ্বান জানান।

তারা বলেন, পেঁয়াজের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চাল-লবনসহ নিত্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে বর্তমান সরকারের ব্যর্থতা ও দায়িত্বহীনতা জনগণকে ক্রমশ ক্ষুব্ধ করে তুলছে। সরকারি দল সমর্থিক অতি মুনাখোর ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ব্যবসার নামে জনগণের লক্ষ কোটি টাকা লুণ্ঠন করে বিদেশে পাচার করছে। এই সকল মুনাফাখোর ও অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সরকার কার্যকরী কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছেনা।

নেতৃদ্বয় বলেন, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির যন্ত্রণা থেকে এষনও জনগন রেহাই পায় নাই। এরই মধ্যে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো দাম বেড়েছে চালের। অন্যদিকে বাজারের লবনের কৃতিম সংকট তৈরী করে সাধারণ মানুষের পকেট কেটে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা করছে একটি মহল। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় করতে গিয়ে জনসাধারণকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাওয়ার পর হঠাৎ করে চালের দামও বেড়ে গেছে।

নেতৃদ্বয় বলেন, এখন বিশ্ববাজারে বর্তমানে চালের দাম কম, তবে এখন আমদানি করেও চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না যদি মজুতদার, মিলমালিক ও মধ্যস্বত্বভোগীদের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ না করা যায়। এক্ষেত্রে জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সরকার কঠোর ভূমিকা গ্রহণ করবে বলে দেশবাসী প্রত্যাশা করে।

ন্যাপ নেতৃদ্বয় আরো বলেন, মূলত অসৎ ও অতি মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের কারণে বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়। তারা একেক সময় একে অজুহাত দাঁড় করায়। এটা তাদের ব্যবসায়িক অসুস্থ সংস্কৃতি। এটা হচ্ছে বাজার সিন্ডিকেটের কারসাজি। ফলে বেকায়দায় পড়তে হচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষদের। এরা জনগণের স্বার্থের দিকে নজন দেয় না। এরা বাজার সন্ত্রাসী। কীভাবে অসৎ উপায় অবলম্বন করে দ্রæত ধনী হওয়া যায় সেটাই তাদের প্রধান উদ্দেশ্য। ফলে তাদের কাছে দেশের অসহায় জনগণ জিম্মি হয়ে পড়ে। ক্ষেত্র বিশেষ সরকারও তাদের কাছে জিম্মি।

তারা বলেন, সব অসাধু ব্যবসায়ী দেশের সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে চাল-পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি করেছে, লবন নিয়ে গুজব সৃষ্টি করে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। নিত্যপণ্য নিয়ে এই ধরনের অরাজক পরিস্থিতি যাতে তারা ভবিষ্যতে সৃষ্টি করতে না পারে সে ব্যাপারে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সজাগ ও তৎপর থাকতে হবে এবং এর কোনো বিকল্প নেই।