বিএনপি বিষোদগারের ভাইরাসে আক্রান্ত: কাদের

প্রকাশিত

এওয়ান নিউজ: আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি নেতিবাচক ও দায়িত্বহীন রাজনীতির কারণে ইতোমধ্যে রাজনীতির আইসোলোশনে পৌঁছে গেছে। বিষোদগারের ভাইরাসে আক্রান্ত বিএনপি। তারা ভালো কাজ দেখতে পারে না তাদের মনে ছড়িয়ে পড়েছে নেতিবাচকতার সংক্রমণ।’মঙ্গলবার ( ২ জুন) এক ভিডিও বার্তা তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘একটি দল সংক্রমণের শুরু থেকেই একই বক্তব্য দিয়ে আসেন। অনবরত সমালোচনার ভাঙা রেকর্ড বাজাচ্ছে বিএনপি। অন্ধ সমালোচনা, নেতিবাচকতা আর মিথ্যাচারের বৃত্ত থেকে তারা বের হতে পারছে না। প্রাণঘাতী করোনা বদলে দিচ্ছে বিশ্ব, বদলে দিচ্ছে পরিবেশ শিষ্টাচার কিন্তু এ দলটিকে বদলাতে পারেনি। তারা নিজেদের মধ্যকার সমন্বয়হীনতা না দেখে অন্যত্র সমন্বয় আছে কিনা সেটা খুঁজে বেড়ায়।’

‘সরকার কানে তুলো দিয়েছে’ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল আলমগীরের এই বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমি বলতে চাই, সরকারের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় সক্রিয় আছে। বরং আপনারা দেখতে পাচ্ছেন না, অসহায়, কর্মহীন মানুষের কষ্ট। জীবন রক্ষায় জীবিকার সমন্বয়। দেখতে পাচ্ছেন না সরকারের সক্ষমতা বৃদ্ধির নিরলস প্রয়াস। চোখ বন্ধ রাখলে দেখতে পাওয়া যায় না।’

বিএনপির নেতাদের উদ্দ্যেশে তিনি বলেন, ‘চোখের সামনে থেকে মোচড়ে ধরা চশমা সরিয়ে ফেলুন, তবেই সরকারের কার্যক্রম দেখতে পাবেন। বিএনপি দৃষ্টিসীমায় অবৈধ ক্ষমতার মসনদ আর দুর্নীতির পার্ট তাই তারা সরকারের ইতিবাচক কিছু দেখতে পায় না।’

গণপরিবহনের বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘দেশবাসী-জনগণ একথা জানেন, গতকাল থেকে শর্ত সাপেক্ষে সারা দেশে গণপরিবহন চলছে। প্রথম দিনেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়েছে। অর্ধেক বা তার চেয়ে কম যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চলেছে। অনেকের ভাড়া সমন্বয় নিয়ে শঙ্কা ছিল। স্বাস্থ্যবিধি মেন জনগণের প্রতি মানবিক আচরণ এবং সংকটে ইতিবাচক সাড়া দেয়ায় আমি মালিক সমিতি, শ্রমিক সংগঠন সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘পাশাপাশি এটাও মনে করিয়ে দিচ্ছি, অনেকে মনে করছেন যাত্রী সংখ্যা বাড়লে পরিবহন সমূহে প্রত্যেক আসনে খলি রাখার শর্ত মানবে না। জনগণের এ আশঙ্কা থেকেই পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের নিজেদের মুক্ত রাখতে হবে। আমি গাড়িতে উঠার আগে গাড়িতে এবং নামতে প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেমে চলার অনুরোধ আবারও আপনাদের কাছে করছি।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা সচেতন থাকলে কোভিড সংক্রমণ রোধ সহজতর হয় বলে আমার বিশ্বাস। করোনা যাত্রী, মালিক, শ্রমিক আলাদা করে চিনবে না। ছাড় দিবে না কাউকে। তাই নিজেদের স্বার্থেই সচেতনতা জরুরি। সংক্রমণের বিস্তারিত রোধে সকলকে মনোবল নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সচেতনতার প্রাচীর নির্মাণ করতে হবে, আপন কর্ম ক্ষেত্রে।’