মালয়েশিয়ায় শ্রমিকদের পাশে শ্রমিকলীগ

প্রকাশিত

মোস্তফা ইমরান রাজু, মালয়েশিয়া : দুর্দিনেই প্রকৃত বন্ধুর পরিচয় মেলে। প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসে যখন সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যাস্ত তখন সাধারণ শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়ে রিতিমতো দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন জাতীয় শ্রমিকলীগের মালয়েশিয়া শাখা। শ্রমিকদের সচেতনতায় লিফলেট বিতরনের পাশাপাশি বিনামুল্যে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরন করেছেন সংগঠনটি। আর পুরো এ প্রচারনায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন জাতীয় শ্রমিক লীগ মালয়েশিয়া শাখার সভাপতি ও মালয়েশিয়াস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা এসোসিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি নাজমুল ইসলাম বাবুল ও সাধারণ সম্পাদক ( ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সেলিম হোসেন।

করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সর্বোচ্চ সতর্কতায় মালয়েশিয়া। নিয়ন্ত্রীত জনজীবন নিশ্চিত করতে মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এমসিও) ঘোষণা করেছে সরকার। পাশাপাশি সরকারিভাবে চলছে মানুষকে সচেতন করার নান প্রচারনা। তবে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সচেতন করতে কাজ করছে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশন। আর এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সবসময় শ্রমিকদের পাশে থাকা জাতীয় শ্রমীকলীগের মালয়েশিয়া শাখা।

সরকারি প্রচারনা পৌঁছায়না এমন জায়গা খুঁজে বের করে সেই সমস্ত শ্রমিকদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে সংগঠনটি। বিনামুল্যে তাদের মাঝে বিতরন করছে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার। গুরুত্বপূর্ণ এই সময়ে করনীয় ও বর্জনীয় নিয়ে কথা বলছে তাদের সঙ্গে। শনিবার সকাল থেকেই তারা এ প্রচারনা চালিয়েছে রাজধানী কুয়ালালামপুর থেকে বেশ দুরে কাজাং চুংগাই চুয়াত বকিত আংকাতে।

এ প্রসঙ্গে নাজমুল ইসলাম বাবুল বলেন, সরকারি প্রচারনা সবখানে পৌঁছাচ্ছে না, মানুষকে সচেতন করা খুব-ই জরুরী। প্রানভয়ে সবাই যদি ঘরে থাকে তাহলে সাধারণ শ্রমিকদের অনেকেই সংক্রমিত হতে পারে। আমাদের এই প্রচারনায় যদি কিছু মানুষ উপকৃত হয় সেটাই আমাদের স্বার্থকতা। শ্রমিকদের কল্যানে আমরা অতিতেও পাশে ছিলাম ভবিষ্যতেও থাকবো’ বলে মন্তব্য করেন এ শ্রমিক নেতা।

নাজমুল ইসলাম বাবুলের এ কার্যক্রম দারুনভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে। সাধারণ মানুষ মনে করে, প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসে যখন সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যাস্ত তখন সাধারণ শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়ে রিতিমতো দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য মালয়েশিয়ায় করোনাভাইরাসে এখনও পর্যন্ত ১১৮৩ জন আক্রান্ত হয়েছে, মারা গেছে ৮ জন এবং সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে গেছেন ১১৪ জন।