মেহেরপুরে এক পুলিশসহ ৭ জন করোনায় আক্রান্ত

প্রকাশিত

মোঃ ইসমাইল হোসেন, জেলা প্রতিনিধি, মেহেরপুর: গতকাল ৩০শে মে শনিবার মেহেরপুর জেলা থেকে করোনা সন্দেহে মেহেরপুর সদর উপজেলা থেকে ৫ জন, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল থেকে ২ জন, গাংনী উপজেলা থেকে ২৪ জন ও মুজিবনগর উপজেলা থেকে ৬ জন মোট ৩৮ জনের সোয়াব পরীক্ষার জন্য মেহেরপুর জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ পি.সি.আর ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ করে পাঠিয়েছে।

এপর্যন্ত মেহেরপুর জেলা থেকে করোনা সন্দেহে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে- মেহেরপুর সদর উপজেলা থেকে ৩৫০ জনের, গাংনী উপজেলা থেকে ৫৪৭ জনের ও মুজিবনগর উপজেলা থেকে ২৩০ জনের। মেহেরপুর জেলায় অদ্য তারিখ পর্যন্ত সর্বমোট নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১১২৭ জনের।

এদিকে গতকাল ৩০শে মে শনিবার কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের পি.সি.আর ল্যাব থেকে মোট ফলাফল পাওয়া গেছে ১৬ জনের। তার মধ্যে মেহেরপুর সদর উপজেলার ৭ জন পজেটিভ। গত শুক্রবার করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া বারিউজ্জামান লিটু মিয়া (৫২), তার স্ত্রী মোছাঃ জোনাকি (৪০), বড় ছেলে মোঃ জনি (২৫), ছোট ছেলে রাজিব (১৮) সহ বড় ছেলের স্ত্রী মোছাঃ জিনিয়া (২১)। একই পরিবারের ৫ জন করোনায় আক্রান্ত। বাকী ২ জন মেহেরপুর শহরের তাঁতিপাড়ার বাসিন্দা গোপি নাথের স্ত্রী ঢাকা ফেরৎ পুস্প রানী এবং ডি.এস.বির পুলিশ কনেস্টেবল মোঃ রফিকুল ইসলাম-এর প্রাপ্ত ফলাফলে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্ত ব্যাক্তিদের বাড়িসহ আশেপাশের বাড়ি লক ডাউন করা হয়েছে।

মেহেরপুর জেলায় এ পর্যন্ত সর্বমোট করোনাভাইরাসের নমুনার ফলাফল পাওয়া গেছে ৯৭৬টি। তার ভিতরে ২৫টি পজেটিভের মধ্যে মৃত ২ জন। মুজিবনগর ভবের পাড়ায় ১ জন ও আমঝুপি কোলা নামক গ্রামে ১ জন। ৫ জন সুস্থ্য হয়ে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। ১৮ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। বাকী ৯৫১ জনের ফলাফল নেগেটিভ। এই তথ্য নিশ্চিত করেন মেহেরপুর জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ নাসির উদ্দিন। তিনি সকলকে সরকারী বিধি-নিষেধ মেনে চলার ও নিরাপদ সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে বারবার সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়ার পাশাপাশি জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের না হওয়ার আহাবান জানান।