বিভাগ - সারাদেশ

মেহেরপুর জেলায় সর্বমোট করোনায় আক্রান্তর সংখ্যা দাড়ালো ১০০

প্রকাশিত

মোঃ ইসমাইল হোসেন, জেলা প্রতিনিধি, মেহেরপুর: মেহেরপুর জেলায় ১১ই জুলাই শনিবার বিকাল পনে ছয় টার দিকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের পি.সি.আর ল্যাব থেকে করোনার নমুনা প্রাপ্ত ৪ জনের ফলাফলে ৩ জন পজেটিভ এসেছে। তার মধ্যে গাংনী উপজেলার ১ জন ফলোআপ ও নতুন করে কাজীপুর গ্রামে মা ও এক বছরের শিশু সন্তান করোনায় আক্রান্ত । বাকী ১টি নেগেটিভ এসেছে। শনিবার মেহেরপুর জেলা থেকে নতুন করে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৯ টি।

মেহেরপুর জেলা থেকে শনিবার নতুন করে করোনা সন্দেহে মেহেরপুর সদর উপজেলা থেকে ৩ জন, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল থেকে ৭ জন, গাংনী উপজেলা থেকে ৭ জন ও মুজিবনগর উপজেলা থেকে ২ জনের সোয়াব পরীক্ষার জন্য মেহেরপুর জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ পি.সি.আর ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ করে পাঠিয়েছে।

এপর্যন্ত করোনা সন্দেহে সর্বমোট নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে- মেহেরপুর সদর উপজেলা থেকে ৯২৩ জন, গাংনী উপজেলা থেকে ৮৭৯ জন ও মুজিবনগর উপজেলা থেকে ৩৯৭ জন। অদ্য তারিখ পর্যন্ত সর্বমোট নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২১৯৯ জনের।

এদিকে শনিবার পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফলে সর্বমোট করোনা ভাইরাসের নমুনার ফলাফল দাড়িয়েছে ২০৫৪টি। তার মধ্যে মেহেরপুর জেলায় মোট কোভিড-১৯ প্রমাণিত রোগীর সংখ্যা ১০০ টি। এর মধ্যে মৃত ৬ জন- সদর উপজেলায় ২ জন, গাংনী উপজেলায় ৩ জন ও মুজিবনগর উপজেলায় ১ জন। বাকী ১৯৩৯ জনের ফলাফল নেগেটিভ। মোট ৫৭ জন সুস্থ্য হয়ে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন তার মধ্যে সদর উপজেলার ৩৫, গাংনী উপজেলার ১৯ ও মুজিবনগর উপজেলার ৩ জন। এ পর্যন্ত মেহেরপুর থেকে রেফার্ড করা হয়েছে ৯ জনকে তার মধ্যে সদর উপজেলার ৫ জন ও গাংনী উপজেলার ৪ জন। বর্তমানে ২৮ জন (সদর-১০, গাংনী-১৪ ও মুজিবনগর-৪) করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার মধ্যে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল আইসোলেশন ওয়ার্ডে গাংনীর ২ জন ও মেহেরপুর শহরের ১ জন মোট ৩ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। প্রত্যেকেই ভাল রয়েছেন।

বর্তমানে মেহেরপুরে সর্বমোট কোয়ারেন্টাইনরত রোগীর সংখ্যা ৬৫ জন। কোয়ারেন্টাইন হতে ছাড়পত্র রোগীর সংখ্যা ২৫১৪ জন। এই তথ্য নিশ্চিত করে মেহেরপুর জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ নাসির উদ্দিন বলেন- সবাই সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন, নিয়মিত সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোবার অভ্যাস বজায় রাখুন, মাস্ক ব্যবহার করুন, জন সমাগম এড়িয়ে চলুন এবং হাঁচি-কাশির শিষ্ঠাচার মেনে চলুন। করোনায় আক্রান্ত ব্যাক্তিদের মানবিক আচরন করুন।