রায় জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সহিষুষ্ণতা নীতির মাইলফলক : বাংলাদেশ ন্যাপ

প্রকাশিত

????????????????????????????????????

এওয়ান নিউজ: রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলা মামলায় সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া। তারা বলেন, এই রায় জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের শূন্য সহিষুষ্ণতা নীতির একটি বড় মাইলফলক। বাংলাদেশ জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে উগ্রবাদীদের কফিনে আরেকটি পেরেক ফুটাল।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এসব কথা বলেন। নেতৃদ্বয় বলেন, বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদকে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে উস্কে দেওয়া হয়েছে। জঙ্গি মানেই তারা উগ্রবাদী এবং নিরীহ মানুষ হত্যাকারী। এ দেশে জঙ্গিবাদের সঙ্গে সংশ্নিষ্ট যেসব জঙ্গিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ধরতে পেরেছে, সুস্পষ্টভাবে আইনের আওতায় এনেছে তাদের। হলি আর্টিসানে নৃশংস হামলায় যারা জড়িত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে বিচারের রায় সেটাই প্রমাণ করে। বাংলাদেশে যত জঙ্গি হামলা হয়েছে এবং নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, তাদের আইনের মাধ্যমে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে। রাষ্ট্রের আইন দিয়ে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করার এটি একটি বড় উদাহরণ।

তারা বলেন, হলি আর্টিসানে জঙ্গি হামলার পর বাংলাদেশে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এর ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থা নিজের সক্ষমতাকে অনেক বৃদ্ধি করতে পেরেছে। হামলার পর এদেশে যে নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, সেটি অতি সহজেই দেশকে আস্থার জায়গায় ফেরত এনেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, হলি আর্টিসানে হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশকে অকার্যকর করা এবং জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করা। রাষ্ট্রযন্ত্র এবং দেশের জনগণ ওই অপউদ্দেশ্য নস্যাৎ করে দিয়েছে। পাশাপাশি জঙ্গি সংগঠনগুলোকে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে। বড় জঙ্গি হামলার আশঙ্কা এখন শূন্যের কাছাকাছি।

তারা বলেন, হলি আর্টিসান হামলায় জঙ্গিদের বিচারকাজ সম্পন্ন হওয়ায় আগামীতে জঙ্গিদের পৃষ্ঠপোষকরা দূরে থাকবে। সেইসঙ্গে আমরা যদি ধর্মীয় রাজনীতিকে যাতে জঙ্গিরা ব্যবহার করতে না পারে সে ব্যবস্থা করতে পারি, তাহলে জঙ্গিবাদ আরও পরাস্ত হয়ে যাবে। এই রায় আরও নিরাপদ করবে বাংলাদেশকে।