বিভাগ - বিনোদন

শাবানা আজমি এখন শঙ্কামুক্ত, চালকের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত

বিনোদন ডেস্ক: মহাসড়কে দুর্ঘটনায় আহত অভিনেত্রী শাবানা আজমি এখন শঙ্কামুক্ত। তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। শাবানা আজমির স্বামী ও লেখক জাভেদ আখতার টুইট বার্তায় এ কথা জানিয়েছেন। তাঁকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ থেকে সাধারণ কেবিনে নেওয়া হবে খুব শিগগিরই। তবে আরও কিছুদিন হাসপাতালে থাকতে হবে তাঁকে, চিকিৎসা চলবে দীর্ঘ মেয়াদে।

এদিকে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর অভিযোগে শাবানা আজমির গাড়িচালকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে স্থানীয় পুলিশ। আহত প্রথমে শাবানা আজমিকে প্রথমে দুর্ঘটনাস্থল থেকে মুম্বাইয়ের এমজিএম হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। পরে সেখান থেকে বান্দ্রার কোকিলাবেন আম্বানি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এ হাসপাতালেই চিকিৎসা চলছে তাঁর।

জাভেদ আখতার টুইট বার্তায় লিখেছেন,‘আমাদের পরিবার প্রতিটি বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, শাবানার জন্য তাদের প্রার্থনা ও শুভ কামনার জন্য। সবাইকে জানাতে চাই যে শাবানা সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং সম্ভবত আগামীকালই জেনারেল কেবিনে সরিয়ে নেওয়া হবে তাঁকে।’

শাবানা আজমিকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন প্রযোজক বনি কাপুর। ‘মুম্বাই মিরর’কে বনি কাপুর বলেন, ‘ডাক্তারদের সঙ্গে আমারও কথা হয়েছে। তাদের মতে এখন আর চিন্তার কোনো কারণ নেই। যন্ত্রণার জন্য কড়া ডোজের পেইন কিলারের প্রয়োগ হওয়ায় উনি একটু ঘোরের মধ্যে আছেন।’ বনি কাপুর আরও জানান, ‘শাবানাজি একটু ঘোরে রয়েছেন ঠিকই, তবে সাধারণভাবে কথা বলছেন এবং সবাইকে চিনতে পারছেন। এখন তাঁকে পর্যবেক্ষণের মধ্যে রাখা হয়েছে এবং চিকিৎসকেরা ভালোভাবে দেখছেন শরীরের ভেতরে কোনো চোট লেগেছে কিনা।’ তাঁর ভাষায়, ‘শাবানাজি একজন লড়াকু মানুষ এবং তিনি শিগগিরই এই খারাপ সময় কাটিয়ে উঠবেন।’

গত ১৮ জানুয়ারি শাবানা আজমি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন। মুম্বাই-পুনে জাতীয় সড়কে তিনি দুর্ঘটনায় পড়েন। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে মুম্বাই থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে খালাপুরের কাছে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। একটি টোল প্লাজার কাছে শাবানাদের এসইউভি-টি পেছন থেকে সজোরে একটি ট্রাককে ধাক্কা মারে। গাড়ির পেছনের আসনে ছিলেন শাবানা ও জাভেদ আখতার। এতে শাবানা আজমি এবং তাঁর গাড়িরচালক গুরুতর আহত হন। জাভেদ আখতার ছিলেন অক্ষত।

এই দুর্ঘটনার কারণে শাবানা আজমির গাড়িচালকের চালকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে মুম্বাই পুলিশ। ট্রাকচালক জানিয়েছেন, অভিনেত্রীর গাড়ির চালক দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন বলে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।