বিভাগ - বিনোদন

শুধু তারকাই নন, বাংলাদেশের নায়ক তারা

প্রকাশিত

বিনোদন ডেস্ক: দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। দেশকে শত্রুমুক্ত করতে এদেশের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মতো সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষেরাও মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ নামে একটি নতুন স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ে স্বশরীরে অস্ত্র হাতে মুক্তিযুদ্ধে তাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

চিত্রনায়ক, প্রযোজক ও পরিচালক সোহেল রানা। ১৯৭২ সালে মাসুদ পারভেজ নামে বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মুক্তিযুদ্ধের ‘ওরা ১১ জন’ চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন। শিক্ষা জীবনে তিনি একজন ছাত্রনেতা ছিলেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ঝাঁপিয়ে পড়েন মুক্তিযুদ্ধে।

বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। সবার মতো তিনিও মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধভিক্তিক প্রথম চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’ নির্মাণ করেন তিনি।

বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১জন’-এ অভিনয় করেন খসরু। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন।

অভিনেতা, লেখক এবং ব্যতিক্রমধর্মী চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেন। তিনি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস ও গল্পও লিখেছেন।

চিত্রনায়ক, প্রযোজক ফারুক। প্রথম জীবনে তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধেও অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে এইচ আকবর পরিচালিত ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে।

দেশের বিখ্যাত সংগীত ব্যক্তিত্ব আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। একাধারে তিনি গীতিকার, সুরকার এবং সংগীত পরিচালক। সত্তর দশকের শেষ লগ্ন থেকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্প বা ঢালিউডসহ সংগীত শিল্পে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৭১ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক জগতের এক উজ্জ্বল নাম নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু। তিনিও একজন মুক্তিযোদ্ধা। এ বয়সেও গণতান্ত্রিক আন্দোলন আর স্বাধীনতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে সামনের সারিতেই থাকেন তিনি।

গুণী অভিনেতা রাইসুল ইসলাম আসাদ। যিনি বেতার, মঞ্চ, টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার অভিনয় ও অভিনীত চলচ্চিত্র ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।