বিভাগ - সারাদেশ

শৈলকুপায় সন্ত্রাসী কর্তৃক স্কুল শিক্ষকে কুপিয়ে জখম

প্রকাশিত

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আবুল কালাম আজাদ নামের এক স্কুল শিক্ষকে কুপিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা। ঘটনাটি রোববার বেলা ১২টার দিকে ত্রিবেনী বাজারে। আবুল কালাম আজাদ ১নং ত্রিবেনী ইউনিয়নের ত্রিবেনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক ও মসজিদের ঈমাম। সামাজিক বিরোধে তাকে ইউপ চেয়ারম্যান কহুরুল হক খানের ক্যাডার বাহিনী কুপিয়ে জখম করে বলে পরিবারের অভিযোগ। ঘটনার পরপরই তাকে প্রধান শিক্ষক উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতা্েযল ভর্তি করেছে। তার অবস্থা আশংকাজনক বলে জানান ইউপি সদস্য সাহেব আলী। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকাবাসি জানান ১নং ত্রিবেনী ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল হক খান ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সেকেন্দর মোল্যার মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। আহত শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ সেকেন্দার সমর্থক। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক বিরোধে রোববার বেলা ১২টার দিকে ত্রিবেনী বাজারে আবুল কালামকে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তার শরীরে ২০টার বেশী ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে বলে জানান এলাকাবাসি। শিক্ষক আবুল কালামের বড় ভাই সামসুদ্দিন মোল্যা জানান ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল হক খানের উপস্থিতিতে তার ক্যাডার নুরুল হক খান, নাজমুল, মোকাদ্দেস, বাপ্পারাজ, মোস্তাফিজুর তার ভাইকে কুপিয়ে জখম করে। তার অবস্থা আশংকাজনক। সে মসজিদের ঈমাম। কি কারণে তার ভাইয়ের উপর হামলা হয়েছে তিনি তা নিশ্চিত না তবে সামাজিক বিরোধে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে তার ধারনা। ত্রিবেনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোশারফ হোসেন বলেন ঘটনার সময় তিনি সহ কয়েকজন শিক্ষক মিটিং করছিলেন। এমন সময় একজন ছাত্র দৌড়ে গিয়ে বলে মৌলভী স্যারকে কারা যেন মারছে। দৌড়ে গিয়ে দেখি রাস্তার উপর পড়ে আছে। পরে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থা আশংকাজনক। শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বজলুর রহমান বলেন শিক্ষকের উপর হামলার ঘটনায় এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হামলায় আহত শিক্ষকের পরিবারকে থানায় এসে অভিযোগ দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।