সত্যকে সত্য, মিথ্যাকে মিথ্যা বলতে পিছপা হয় না যুগান্তর: এমাজউদ্দীন আহমদ

প্রকাশিত

মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার: একুশ মানে এগিয়ে চলা, একুশ মানে মাথা না নোয়ানো- এই সত্যকে আঁকড়ে ধরেই মানুষের কল্যাণে, দেশের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে দৈনিক যুগান্তর। সত্যকে সত্য, মিথ্যাকে মিথ্যা বলতে যুগান্তর পিছপা হয় না। কালোকে কালো, আর সাদাকে সাদা বলতে যুগান্তর বদ্ধপরিকর। আর সেই কথাই ধ্বনিত হলো যুগান্তরের ২১তম জন্মদিনের অনুষ্ঠানের এক শুভেচ্ছা বিনিময় বার্তায় এই কথা গুলো বলেন ডক্টর ইমেরিটাস এমাজউদ্দীন আহমদ।

এমাজউদ্দীন আহমদ দৃঢ়কণ্ঠে বলেন, সত্য ও নিষ্ঠার সাথে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জনগণের মৌলিক অধিকার কণ্ঠ ও নিরপেক্ষ বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন কাজ করার জন্য যুগান্তরের সংশ্লিষ্ট সকলকে আহবান জানান। এছাড়াও অত্যাচার, জুলুম, দুর্নীতি, অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলা দূর করে সমাজকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে যুগান্তর পদক্ষেপ আরও বলিষ্ঠ ভুমিকা দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে পালন করতে হবে। একটি সুন্দর ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে সমাজ পরিচালিত হোক- এটাই আমাদের চাওয়া। সাংবাদিক সমাজের জন্য আগামীর পথচলা ও সেই সুন্দর সমাজ গঠনের লক্ষ্যে তাদের আরও গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা আমরা দেখে যেতে চাই।

শুভেচ্ছা বার্তায় এমাজউদ্দীন সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সত্য উদ্ঘাটনে পিছপা হবেন না। দুর্নীতি, অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলার নেপথ্য কারণ বের করে আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে সব ধরনের সহযোগিতা আপনারা পাবেন। তবে রিপোর্ট যেন আর্টিফিশিয়াল বা বানানো না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পরিশেষে যুগান্তকারী যুগান্তরের এই ২১ তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে পত্রিকার সার্বিক সফলতা কামনা করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সফল ভিসি ও প্রখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রফেসর ডক্টর ইমেরিটাস এমাজউদ্দীন আহমদ এর পক্ষ থেকে ডিইউজে সদস্য ও বিএফইউজে-বাংলাদেশ এর কাউন্সিলর মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার যুগান্তরের এই ২১ তম পদার্পণ উপলক্ষে আজ দুপুরে যমুনা ফিউচার পার্কে যুগান্তর কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে যুগান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম ও পত্রিকার সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা বিনিময় কালে সম্পাদককে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করে মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার বলেন, মিডিয়া আছে বলেই সাধারণ মানুষ রাস্তায় নামতে পারে, কথা বলতে পারে, স্কুল-কলেজে বাচ্চাদের নিয়ে যেতে পারে, হাটে-বাজারে যেতে পারে। মিডিয়া যদি ২৪ বা ৪৮ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখা হয়- আমি মনে করি, কেউ বের হতে পারবেন না। এরকম একটা সমাজে আমরা বসবাস করি। তাই আমাদের বোঝা উচিত, মিডিয়ার করণীয় কি। একটা অপরাধের ঘটনা ঘটে গেল, সেটা যদি মিডিয়া সাধারণ মানুষকে না জানাতে পারে সেই মিডিয়া থাকা উচিত না।

অলিদ তালুকদার আরও বলেন, সাংবাদিকরাও কিন্তু সমাজের সেবা করছেন। তারা একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে সমাজের সেবা করছেন। আর সেই প্ল্যাটফর্ম হলো মিডিয়া। সাহসী সাংবাদিকতা অব্যাহত রাখার জন্য যুগান্তরকে ধন্যবাদ।

অলিদ তালুকদার বলেন ১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ শনিবার ছিল দৈনিক যুগান্তরের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। কিন্তু গতকাল ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন এর কারণে আসা হয়নি বিদায় আজ আমি প্রখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আমার পিতৃতুল্য প্রফেসর ডক্টর ইমেরিটাস এমাজউদ্দীন আহমদ এর পক্ষ থেকে এসে শুভেচ্ছা জানাই । তিনি শারীরিক ভাবে অসুস্থ থাকায় আসতে না পারায় তাঁহার পক্ষ থেকে আমি আজ দুপুরে পত্রিকার অফিসে উপস্থিত হয়েছি। পরিশেষে এমাজউদ্দীন আহমদ এর সুস্থতার জন্য দোয়া ও সার্বিকভাবে দীর্ঘায়ু কামনা করি সকলের নিকট ।