সাহরা খাতুনের মৃত্যু ত্যাগী রাজনীতিতে শূণ্যতা সৃষ্টি হলো : ন্যাপ

প্রকাশিত

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দু:খ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

শুক্রবার (১০ জুলাই) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক শোক বার্তায় নেতৃদ্বয় মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

নেতৃদ্বয় বলেন, রাজনৈতিক মত পার্থক্য ও আলাদা পথ থাকার পরও এ কথাটি বলতে হবে যে, যখন রাজনীতিতে ত্যাগী নেতা-কর্মীরা অবমূল্যায়িত, যখন রাজনীতি কালো টাকার মালিকদের হাতে বন্দি হচ্ছে ক্রমশ ঠিক সেই মুৃহুর্তে অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের মৃত্যু ত্যাগী রাজনীতিতে শূণ্যতা সৃষ্টি হলো।

তারা বলেন, রাজপথের রাজনীতিতে সাহারা খাতুন সকল সময়ই ছিলেন সরব। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান, আইয়ুব-ইয়াহিয়া বিরোধী আন্দোলন, দেশ স্বাধীনের আন্দোলন, ৭৫’র পর অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরশাসক এরশাদবিরোধী আন্দোলনসহ সকল আন্দোলনে তিনি রাজপথেই ছিলেন। রাজপথে আন্দোলন করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে হরতাল, সভা-সমাবেশ করতে গিয়ে একাধিকবার গ্রেফতার এবং নির্যাতিত হয়েছেন।

নেতৃদ্বয় বলেন, দলের প্রতি তার আনগত্য ছিল অপরিশিম। আইনপেশায় নিয়োজিত থাকা অবস্থায় আওয়ামী লীগের বহু সংখ্যক নেতাকর্মীর মামলা লড়েছেন বিনাপয়সায়। দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি ছিল তার ভালোবাসা। রাজনৈতিক নেতা কিংবা একজন মানুষ হিসাবে তিনিও সমালোচনার বাইরে ছিলেন না, ছিলেন না ভুল-ত্রুটির উর্দ্বে। তবে, নিজ সম্পর্কে অন্যের সমালোচনাকে সয়ে নেয়ার চমৎকার গুণ ছিলো সাহারা খাতুনের।

তারা বলেন, দেশের প্রথম নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে তার নাম লেখা থাকবে ইতিহাসে। তার সারা জীবনের রাজনৈতিক সাফল্য-ব্যর্থতার কথাও লেখা থাকবে। ইতিহাসের কাজ ইতিহাস করুক। আমরা তার রুহের মাগফেরাত কামনা করি।