সিটি নির্বাচনে বিএনপির উদ্দেশ্য স্পষ্ট করেছেন মির্জা ফখরুল: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত

এওয়ান নিউজ: ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে বিএনপির মূল উদ্দেশ্য কী, সেটা দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্ট করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তাদের সাফল্য সেখানেই যে তারা মাঠে নামতে পেরেছেন। তার এ বক্তব্য থেকে নির্বাচনে জয় লাভ করা তাদের কতটুকু উদ্দেশ্য, এ নিয়ে প্রশ্ন তোলাই যায়। সুতরাং, নির্বাচন নিয়ে বিএনপি নানা অভিযোগ উপস্থাপন করবে, এগুলো গঁৎবাধা অভিযোগ। সব সময় তারা এগুলো করে আসছে। নির্বাচন চলাকালীন নানা অভিযোগ করবে, বিকালবেলা করবে, সন্ধ্যাবেলাও করবে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রথম থেকেই বিএনপির প্রচেষ্টা ছিল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। নানা ধরনের অভিযোগ নির্বাচনি প্রচারের সময় তারা উপস্থাপন করেছিল। আজকেও সকালবেলা থেকে সেটা উপস্থাপন করছে। তারা দুপুরবেলা কী বলবে, সেটা ঠিক করে রেখেছে। বিকালবেলা কী বলবে, সেটা ঠিক করে রেখেছে। নির্বাচনের ফল যে রকমের হয়, সে রকমের জন্য তারা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।’

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত মানুষ উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছে। আমি মনে করি, অতীতের যেকোনও সময়ের তুলনায় নির্বাচনি পরিবেশ ভালো। আমরা যদি কলকাতা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের দিকে তাকাই এবং ভারতের অন্যান্য স্থানীয় স্থানীয় নির্বাচনের দিকে তাকাই, সেই বিচারে ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনেক সুন্দর পরিবেশ হচ্ছে।’

নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক আহত হওয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কোনও সাংবাদিক আহত হওয়া অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক। সেটি কেন হয়েছে, কীভাবে হয়েছে—নিশ্চয়ই নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নেবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে। কোনও সাংবাদিক নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আহত হওয়া বা বাধাগ্রস্ত হওয়া কোনোভাবে সমীচীন নয়, আমরা সেটা সমর্থন করি না।’

ভোটার উপস্থিতি কমের বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘শীতের সকাল ৮টা অনেক সকাল। আর একইসঙ্গে শনিবার বন্ধের দিন। বন্ধের দিনে মানুষের মাঝে একটা বন্ধের আমেজ থাকে। সেই পরিস্থিতিতে ভোটার উপস্থিতি কম ছিলো। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটার উপস্থিত বেড়েছে। এখনও ভোটের সময় বাকি রয়েছে, আমি সবাইকে অনুরোধ জানাবো, যে যেখানে ইচ্ছা সেখানেই ভোট দেবে। তারা যেন তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন, স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে আসেন।’