বিভাগ - সারাদেশ

সিলেট নগরীতে ৫টি বাঁলিহাস অবমুক্ত

প্রকাশিত

সিলেট নগরের পাখি বিক্রেতাদের কাছ থেকে ৫টি বাঁলিহাস উদ্ধার করে অবমুক্ত করেছেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সিলেট শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কিম। শনিবার (২৩ নভেম্বর)সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের মূল ফটকের সামনে হাসগুলোকে অবমুক্ত করা হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দরগা বাজারের ব্যবসায়ী ও খ্যাপা তারুণ্য নামের সামাজিক সংগঠনের সমন্বয়ক মহসিন আহমদ মুহিন, বাপা কর্মী সুপ্রজিৎ তালুকদার প্রমুখ ।

জানা যায়, নগরীর রাজারগলি এলাকা অতিক্রম করছিলেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সিলেট শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কিম । হঠাৎ হোটেল জিয়ারতের সামনে মাছের খাঁচায় করে পাখি বিক্রি করতে দেখেন । দুই জন বিক্রেতার হাতে দুইটি খাঁচা । রিকশা থেকে নেমে বিক্রেতাদের সাথে কথা বলতে গেলে একজন বিক্রেতা খালি খাঁচা দেখিয়ে চলে যায় । আর অন্যজন বলে খাঁচায় দুটি দেশী হাঁস আছে । হাঁস দেখতে চাইলে, সে বিক্রি হবে না বলে খাঁচা নিয়ে দ্রুত হাঁটা দেয় । আব্দুল করিম কিম বিক্রেতার পেছনে পেছনে গিয়ে দরগা এবি ব্যাংকের সামনে থামিয়ে পাখি দেখতে চাইলে খাঁচা রেখে বিক্রেতা দৌড়ে পালিয়ে যায়।

আব্দুল করিম কিম বলেন, পাখি বিক্রেতাদের কাছ থেকে হাসগুলো উদ্ধার করে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও মাজারে আসা পর্যটকদের সামনে খাঁচা খুলে পাঁচটি বাঁলিহাস দেখতে পাই । পরে মাগরিবের নামাজ শেষে শাহজালাল (রহ) মাজারের মূল ফটকের সামনে হাঁসগুলো অবমুক্ত করা হয় ।

পাখি অবমুক্তকালে সমবেতদের উদ্দেশ্যে আব্দুল করিম কিম বলেন, পরিযায়ী পাখি প্রকৃতির বন্ধু । দেশের প্রচলিত আইনে এই পাখি শিকার, খাওয়া, ক্রয়-বিক্রয় আইনত দণ্ডনীয় । কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে কিছু রসনাবিলাসীর কারণে এই পাখি শিকার ও বিক্রি বন্ধ হচ্ছে না । দেশে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা কমছে । এ অবস্থায় দেশী ও পরিযায়ী পাখি রক্ষায় নাগরিকদের সচেতনতা প্রয়োজন । আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারী প্রয়োজন ।