সড়ক আইন প্রয়োগে অহেতুক বাড়াবাড়ি হবে না: কাদের

প্রকাশিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পরিবহন ধর্মঘট আর নেই। যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটার কোনও কারণ নেই। কথাবার্তা হয়ে গেছে। আইন প্রয়োগে অহেতুক বাড়াবাড়ি হবে না। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, তারা সঠিকভাবে আইন প্রয়োগে যাবেন।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সকালে আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় কাউন্সিল প্রস্তুতি কমিটির সাংস্কৃতিক উপ-কমিটির সভা শেষে গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন। সাংস্কৃতিক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদস্য সচিব ও দলের সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক আকবর হোসেন খান পাঠান ফারুক, সাংস্কৃতিক উপ-কমিটির সদস্য সাইফুল আজম বাশার, লিয়াকত আলী লাকী, আহকাম উল্লাহ, আশরাফুল আলম খোকন, মেহের আফরোজ শাওন, জায়েদ খান, এস ডি রুবেল, নুরুল আলম পাঠান মিলন, জয়দেব নন্দী, আশিক রণোসহ আর‌ও অনেকে।

তিনি বলেন, আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে যদি কোনও অসঙ্গতি হয় তাহলে বাস্তব পরিস্থিতির আলোকে আমরা বিধিমালা প্রণয়ন করবো। সেটা আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব। পরিস্থিতি এখন আর অস্বাভাবিক হওয়ার কোনও কারণ নেই। সব কিছুই আলাপ- আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাধান হয়েছে।

আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি এখন দেশে বিভ্রান্তি ছড়াতে পেঁয়াজ, চাল ও লবণের ওপর ভর করেছে বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি তাদের নেত্রীকে কারাগারে রেখে কোনও দৃশ্যমান আন্দোলন করতে পারেনি। তাই সবকিছুতেই ব্যর্থ হয়ে বিএনপি এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজবের রাজনীতি করছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি আন্দোলনে ব্যর্থ, নির্বাচনে ব্যর্থ হয়ে এখন পেঁয়াজ, চাল ও লবণের ওপর ভর করেছে। তারা গুজবের রাজনীতি করেছে। নেতিবাচক রাজনীতির কারণে জনগণ তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া কারাগারে আছে। অথচ তারা নেত্রীর মুক্তির জন্য রাস্তায় নেমে কোনও একটি দৃশ্যমান আন্দোলনও করতে পারেনি।’

সরকার দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ বিএনপির এই সমালোচনার জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, বিএনপি বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাদের অবস্থান নেতিবাচক রাজনীতির কারণে নাজুক অবস্থায় নিপতিত। এখন নেতা-কর্মীদের চাঙ্গা রাখার জন্য তাদের অনেক মিথ্যাচার করতে হয়। সরকারবিরোধী কথাবার্তা বলতে হয়।

তিনি বলেন, যে নেত্রীর কথা বলে আজকে আমাদের উপদেশ দিচ্ছে তার সঙ্গে আলাপ করার জন্য সে নেত্রীর জন্য তারা কী কোথাও রাজপথে উত্তাপ সঞ্চার করতে পেরেছে। একটা আন্দোলনও করতে পেরেছে। তাদের তো কোথাও কোনও সাফল্য নাই। তারা আজকে বেপরোয়া চালকের মতো বেপরোয়া রাজনীতি করছে। বেপরোয়া রাজনীতি করে তারা দুর্ঘটনা ঘটাতে চাচ্ছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র বলতে যা বোঝায় তার চর্চা আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনও দল করে এটা আমার জানা নেই। বড় দলগুলো তো করেই না। দুটি বড় দলেই দেখা যায় সেক্রেটারি সকালে আছে বিকালে নেই। কোনও পদে যে কাউকে যেকোনও সময়েই তারা নিয়ে আসতে পারেন। এটা আমাদের দলে সম্ভব না।

তিনি জানান, এবারের জাতীয় কাউন্সিলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সময়-সীমা কম থাকবে। সম্মেলনের চেয়ে দল থেকে ‘মুজিববর্ষ’ আয়োজনকে গুরুত্ব দেয়া হবে বেশি বলে জানান তিনি।