ফটো গ্যালারি

বিএনপি মিথ্যাচারে চ্যাম্পিয়ান: এনামুল হক শামীম

বিএনপি মিথ্যাচারে চ্যাম্পিয়ান: এনামুল হক শামীম \

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম এমপি বলেছেন, বিএনপি মিথ্যাচারে চ্যাম্পিয়ান। বিএনপি’র জনগণের জন্য রাজনীতি করে না। তারা বন্যার্তদের পাশে না দাড়িয়ে এসি রুমে বসে মিথ্যাচার করছে। তারা বন্যা নিয়ে রাজনীতি করছে। এ কারণেই জনগণ তাদের বারবার প্রত্যাখান করছে। বিএনপির আমলে বন্যায় হাজার হাজার মানুষ না খেয়ে মারা গেছে। আর মানবতার মা শেখ হাসিনার আমলে বন্যায় কোন মানুষ না খেয়ে মারা যায়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই দেশের বন্যা পরিস্থিতি মনিটরিং করছেন। তার নিদের্শ অনুযায়ী ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছানো হচ্ছে ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন করা হবে। সরকার বন্যার্তদের সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার সকালে শরীয়তপুরের নড়িয়া-জাজিরা অংশে পদ্মা নদীর ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শণ এবং নড়িয়া পৌরসভার সামনে বন্যার্তদের এক হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ছাবেদুর রহমান খোকা সিকদার, সাধারন সম্পাদক অনল কুমার দে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানভীর হায়দার শাওন, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান এমএ কাইয়ুম, নড়িয়ার ইউএনও জয়ন্তী রূপা রায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকাশ কৃষ্ণ সরকার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ওহাব বেপারী, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক জহির সিকদার, সৈয়দ হেমায়েত হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হাসান রাড়ী, সাধারন সম্পাদক হাসানুজ্জামান খোকন, পৌর মেয়র শহিদুল ইসলাম বাবু রাড়ী, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান জাকির বেপারী প্রমূখ।

পানিসম্পদ উপমন্ত্রী আরও বলেন, আমি গত ৯ দিনে বন্যাকবলিত ১১টি জেলায় ঘুরে ঘুরে ত্রাণ বিতরণ করেছি। আর বিএনপি ত্রাণ নিয়ে রাজনীতি করছে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এবারের বর্ষায় নদী ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে সর্বশক্তি নিয়োগ করে কাজ করছে। এবারের বর্ষায় আমাদের টার্গেট ছিল ২৮ লাখ জিওব্যাগ ডাম্পিং করার। মঙ্গলবার পর্যন্ত ২৮ লাখ ৪৯ হাজার ৮৭২টি জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হয়েছে। ভাঙন রোধে চারটি ড্রেজার কাজ করছে। আমরা নড়িয়া উপজেলায় শুধু ৬ কিলোমিটার নয়, জাজিরা উপজেলার উজানের ৩ কিলোমিটারেও ভাঙন রোধে কাজ করছি। নড়িয়া উপজেলাকে সর্বোচ্চ প্রধান্য দিয়ে জেলার ১৫টি পয়েন্টে কাজ করছি। সবার সহযোগিতায় আমরা নড়িয়ায় ভাঙন রোধ করতে পেরেছি।

মন্তব্য করুন

আরো সংবাদ